ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ঈদুল আজহার সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি সমন্বয়, প্রাথমিকে ছুটি ১৯ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঈদুল আজহার সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি সমন্বয়, প্রাথমিকে ছুটি ১৯ দিন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ছুটি সমন্বয় করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে।

বুধবার (২০ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ সালের ছুটির তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬ থেকে ২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি দেওয়ার সুবিধার্থে আগে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬ থেকে ২৩ মের পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হলো।

আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আজহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের সভা আজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৩৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের সভা আজ

    নতুন শিক্ষা আইন করতে খসড়া তৈরি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত অনুমোদন হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) খালেদা আক্তার।

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত কমিটির সভা রয়েছে। আশা করছি, সভায় আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করে আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়ে দেব। পরে বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।’

    এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী এক আলোচনা সভায় বলেন, শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করার কাজ শেষের দিকে। কমিটি আইনটি পর্যালোচনা করেছে। শিগগিরই আইনের খসড়া সংসদে উঠবে। শিক্ষার কাঠামো ঠিক রাখা, অসংগতি-অনিয়ম দূর করার জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা শিক্ষা আইন।

    জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কিছু পরিবর্তন-পরিমার্জন করে সংসদে পাঠানো হবে আইনটি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে কাজ করব: কুবি উপাচার্য

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ এপ্রিল, ২০২২ ৮:১৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে কাজ করব: কুবি উপাচার্য

      কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ কম, আমরা গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি নিয়ে কাজ করব। এ ছাড়া আমাদের শিক্ষক যারা জিআরই, টোফেল ইত্যাদি করতে চান, আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেব। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণার জন্য আমরা একটা ফান্ড তৈরি করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক গবেষণা এগিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে শিক্ষকদের গবেষণার জন্য আমরা একটি ফান্ড তৈরি করেছি।’

      কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) আয়োজনে 'কেমন চাই আগামীর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়' শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। বুধবার (২০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

      উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের নতুন ক্যাম্পাসের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ হয়ে গেছে। অডিটোরিয়াম বা অন্যান্য ডিজিটাল ফেসিলিটিস প্রবলেমটা সলভ হয়ে যাবে। আমি চাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হবে। এখানে জ্ঞানের চর্চা হবে, দর্শনের বিকাশ ঘটবে। শিক্ষা, গবেষণা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হবে, যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়কে চিনতে সাংবাদিক সমিতি তথ্য দিয়ে অনেক সহযোগিতা করেছে। তাদের এ যাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

      সমিতির সভাপতি শাহাদাত বিপ্লবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান মুরাদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, সাধারণ সম্পাদক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এন. এম. রবিউল আউয়াল চৌধুরী, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. মোহা হাবিবুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি আবু তাহেরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন আহবায়ক আহসান হাবিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

      অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফল তৈরিতে শিক্ষকদের অনেক কর্মঘন্টা নষ্ট হয়। এ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অটোমেশন করা হলে সবার ভোগান্তি লাঘব হবে। গবেষণায় ফান্ড বরাদ্দ দিয়ে এ ক্ষেত্রটিকে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। তাছাড়া, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরীক্ষায় ভালো ফলাফলধারীদের প্রণোদনা দিলে অন্যান্যরাও উৎসাহিত হবে। শিক্ষকদের এসকল বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মকর্তারাও উপকৃত হবে।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        দ্বিতীয় ধাপে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা যে জেলা-উপজেলায়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ এপ্রিল, ২০২২ ০:২২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        দ্বিতীয় ধাপে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা যে জেলা-উপজেলায়

        আগামী শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তিন ধাপে হতে যাওয়া এ নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ২০ মে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

        দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা যেসব জেলা এবং উপজেলায় হবে তার একটি তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া গেছে।

        দ্বিতীয় ধাপে চাঁদপুর, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নওগাঁ জেলার সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার উপজেলা, নাটের জেলার বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, গুরুদাশপুর, লালপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সদর ও তাড়াশ উপজেলা, কুষ্টিয়া জেলার খোকসা, সদর ও মিরপুর, ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু, সদর, কালিগঞ্জ, যশোর জেলার অভয়নগর, চৌগাছা, সদর, বাঘেরপাড়া উপজেলা, সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ উপজেলা, বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট, মোংলা, মোড়লগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা উপজেলা, জামালপুর জেলার সদর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহে পরীক্ষা হবে।

        এছাড়া ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা, সদর, নান্দাইল, ফুলপুর, তারাকান্দা, ত্রিশাল উপজেলা, নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ী, মদন, মোহনগঞ্জ, সদর, পূর্বধলা উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলার সদর কুলিয়াচর, মিঠামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল, টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সফিপুর, বাসাইল উপজেলা, রাজবাড়ি জেলার কালুখালি, গোয়ালন্দ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, লালমাই, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাগলকোট, তিতাস উপজেলা, নোয়াখালি জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, কোম্পানিগঞ্জ, হাতিয়া উপজেলা, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর, নেছারাবাদ, সদর, পটুয়াখালি জেলার কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, সদর, রাঙ্গাবালি, দুমকি উপজেলা, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, শাল্লা, সদর, তাহিরপুর উপজেলা, হবিগঞ্জ জেলার সদর, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, রাজারহাট, রাজিবপুর, রৌমারী, উলিপুর উপজেলা, গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষা হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গুচ্ছ ও সেকেন্ড টাইম ভর্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল জবি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০ এপ্রিল, ২০২২ ১৮:১২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          গুচ্ছ ও সেকেন্ড টাইম ভর্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল জবি

          ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষেও গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। এছাড়া দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগও দেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

          বুধবার (২০ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেছেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ইমদাদুল হক।

          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জবির আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস। তিনি বলেন, আমরা সর্ব সম্মতিক্রমে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে।

          শর্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘবের জন্য করা হলেও সেটি অনেকাংশেই পূরণ হয়নি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী সংকটে ভুগেছে। এই বিষয়গুলো সমাধানের শর্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আমাদের কিছু অভ্যন্তরীণ শর্তও রয়েছে।

          দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস আরও বলেন, এবার আমরা সেকেন্ড টাইম ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়াদের ভর্তির সুযোগ রাখছি। এটিও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

          প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) ইউজিসির সাথে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক সমস্যার বিষয়টি সামনে আসলে ইউজিসি গুচ্ছে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কিছু শর্ত শিথিল করে।

          ইউজিসি জানিয়েছে, গুচ্ছে অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি ফি বাবদ আদায় করা অর্থের পুরোটাই ভর্তি কার্যক্রমের পেছনে ব্যয় করতে পারবেন। যদিও আগে ভর্তি ফি’র ৬০ শতাংশ ব্যয় করতে পারবো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত