ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্কুল-কলেজে ঈদের ছুটি ১৭ দিন, প্রাথমিকে ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ এপ্রিল, ২০২২ ২২:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
স্কুল-কলেজে ঈদের ছুটি ১৭ দিন, প্রাথমিকে ১৪

আসন ঈদুল ফিতরে স্কুল-কলেজে ১৭ দিন ছুটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে ছুটি শুরু হতে পারে। যা শেষ হবে ৭ মে। আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি থাকবে ১৪ দিন। প্রাথমিকের এই ছুটি হবে ১৪ দিন।

জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ২৬ এপ্রিলের পরিবর্তে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস হবে। ফলে ১৭ দিন ছুটি কার্যকর হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ছে না জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আমিনুল ইসলাম বলেছে, করোনা সংক্রমনের কারণে গত দুই বছর প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এসময় আমাদের অনেক শিশু পিছিয়ে পড়েছে। যে যািই বলুক আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাথমিকের ক্লাস হবে। সে হিসেবে এবার প্রাথমিকের ছুটি ১৪ দিন।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন সশরীরে পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে এ বিভাগের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়। এ আদেশ সংশোধন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম আগামী ২৬ এপ্রিলের পরিবর্তে ২০ এপ্রিল পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশ কখনো ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৬ এপ্রিল, ২০২২ ১৯:৫৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাংলাদেশ কখনো ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশের পরিণতিও শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে—এমন আশঙ্কার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ঋণ পরিশোধে কখনো খেলাপি (ডিফল্টার) হয়নি, হবেও না। দেশের অর্থনীতির ভিত্তি অনেক মজবুত, সরকার অত্যন্ত সতর্ক।

    আজ বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। এর আগে বাংলাদেশের পরিণতি শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে—এমন আশঙ্কা করে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছিলেন, বিদেশি ঋণের বোঝা বাংলাদেশ বইতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

    বিরোধীদলীয় উপনেতার বক্তব্যের জবাবে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা শ্রীলঙ্কার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এটা বাস্তব। তবে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত উন্নয়নে যত ঋণ নিয়েছে, সব ঋণ সময়মতো পরিশোধ করা হয়। সমাপনী ভাষণে দ্রব্যমূল্য, রাজধানীতে যানজট নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বেগুনের পরিবর্তে মিষ্টিকুমড়া বা অন্য কোনো সবজি দিয়ে বেগুনি তৈরি করা, যানজট কমাতে ব্যক্তিগত গাড়ি কম বের করার পরামর্শ দেন।

    গাড়ি বের করবেন আবার জ্যাম হলে গালি দেবেন, চলবে না সাধারণ মানুষের জন্য পাবলিক বাস বাড়ানো ও মেট্রোরেল করা হচ্ছে জানিয়ে সংসদ নেতা বলেন, ‘অতিরিক্ত গাড়ি এখন রাস্তায় চলে। সবাই ট্রাফিক রুল মেনে চললে আর গাড়ি কম বের করলে যানজট তো থাকে না। গাড়িতেও চড়বেন, একেকটি পরিবার দু–তিনটি গাড়ি বের করবেন আবার ট্রাফিক জ্যাম হলে গালি দেবেন, এটা তো চলবে না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কার জন্য? উন্নয়ন তো এ দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। মানুষ চলাচল করতে পারে তার জন্য। এখন হয়তো আপাতত কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু এটা সম্পন্ন হওয়ার পর উত্তরা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে ৬০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে।

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ যাতে বেশি কষ্ট না পায়, সে পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে। মোটা চালের দাম এখন ৪৬ টাকার মতো, সেটা খুব বেশি বাড়েনি। চিকন ‍ও মাঝারি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। আলু পাইকারি বাজারে ২০ টাকা খুচরা বাজারে ২৫ টাকা। পেঁয়াজের দামের জন্য এখন কৃষক হাহাকার করছে।

    মিষ্টিকুমড়া দিয়ে বেগুনি বানানো যায় সংসদ নেতা বলেন, ‘বেগুনের দাম ১১০ টাকার ওপরে চলে গেল। সেটা এখন কমে ৮০ টাকায় এসেছে। বেগুন দিয়ে বেগুনি না খেয়ে আরও যেসব সবজি সহজলভ্য আছে, সেটা দিয়ে খেলেই হয়। আমরা তো তাই খাই। বেগুনি না বানিয়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খুব ভালো বেগুনি বানানো যায়। আমরা এভাবে করি। সেভাবে করা যায়।’

    জিনিসের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে জিনিসের দাম বেড়েছে। রড–সিমেন্টসহ প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। এটা কেবল বাংলাদেশে নয়, সব দেশে। জিনিসপত্রের দাম বাড়ার জন্য আমেরিকার অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক ডলারের তেল চার ডলার হয়ে গেছে।

    দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনা ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপে সাড়ে সাত ভাগের ওপরে মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশে ৬ ভাগের নিচে আছে মূল্যস্ফীতি। তিনি বলেন, এই করোনার ধাক্কার মধ্যেও বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৯৪ ভাগ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মাথাপিছু আয়ও বৃদ্ধি পেয়ে ২৫১১ মার্কিন ডলার হয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লেও মানুষের আয় বেড়েছে। দারিদ্র্যসীমাও হ্রাস পেয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় থাকতে বিদেশ থেকে কোনো জিনিস কেনার সময় ১০ টাকার জিনিস ২০ টাকায় কিনে বাকি ১০ টাকা পকেটে ঢুকাত। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে সেটা হয় না। আমরা বরং দাম কমিয়ে আনি।’ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ আছে বলেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে, ভারসাম্য আছে। অন্য পথে যারা ক্ষমতা দখল করতে চায়, তারা এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

    বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য

    সংবিধান নিয়ে জি এম কাদেরের এক বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য হলো এমন একটি দলের থেকে সংবিধানের বিষয় শুনতে হচ্ছে, যে দলটি ক্ষমতায় এসেছিল সংবিধান লঙ্ঘন করে, ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে মার্শাল ল জারি করে। মার্শাল লর মাধ্যমে যাদের জন্ম, যার নেতা ক্ষমতাই দখল করেছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে বিদায় দিয়ে—সেনাপ্রধান হয়ে গেলেন রাষ্ট্রপ্রধান। যে সংবিধান স্থগিত করে ক্ষমতায় এসেছিল, তার থেকে আজকে আমাদের সংবিধান শিখতে হচ্ছে। সংবিধানের ব্যাখ্যা শুনতে হচ্ছে।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা খাতে অবদান রাখছে: শিক্ষামন্ত্রী

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৬ এপ্রিল, ২০২২ ১৯:৫২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা খাতে অবদান রাখছে: শিক্ষামন্ত্রী

      শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি প্রাইভেট বিশ্বদ্যালয়গুলোও গবেষণা, বিজ্ঞানসহ শিক্ষা খাতে ভালো অবদান রাখছে। তবে বিশ্বের বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ততটা ভালো না করলেও বেশ কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ভালো অবদান রাখছে। আমরা হয়তো সব সেক্টরে এখনো সেভাবে ভালো করতে পারিনি তবে আশা রাখছি খুব দ্রুতই আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।

      বুধবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।রাজধানীর মিরপুরের পিএসসি কনভেনশন হলে এই অনুষ্ঠিত হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ডিআইইউ’র চ্যান্সেলর আবদুল হামিদের সম্মতিক্রমে এতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

      সমাবর্তনে আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের জনসংখ্যা কখনোই আমাদের সমস্যা নয় বরং আমাদের সম্পদ। নিজেদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে কোনো সংক্ষিপ্ত পথ বেছে না নিয়ে নিজের লক্ষ্য স্থির রেখে সঠিক পরিকল্পনায় এগিয়ে যেতে হবে। যত বাঁধাই আসুক থেমে গেলে চলবে না।

      অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান। সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম ও উপ-উপচার্য ড. গনেশ চন্দ্র সাহা সহ প্রমুখ।

      সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৮ অনুষদের মোট ৩ হাজার ৭৪৪ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান করা হয়। এ বছর সমাবর্তনে ৩ জনকে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড, ১০ জনকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ও ১২ জনকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

      সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ডিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যরা, শিক্ষকমন্ডলী, গ্র্যাজুয়েটরা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ২২ এপ্রিল, প্রথম ধাপে ২২ জেলায়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ এপ্রিল, ২০২২ ১৯:৪২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ২২ এপ্রিল, প্রথম ধাপে ২২ জেলায়

        প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২ টাকা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

        বুধবার (৬ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব, পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মনীষ চাকমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ২২ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

        জানা গেছে, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০ এর প্রথম ধাপে ২২টি জেলায় একযোগে এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪টির সব উপজেলা এবং ৮টি জেলার কয়েকটি উপজেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

        জানা গেছে, এদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট জেলার সব উপজেলার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

        এছাড়া এছাড়াও সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, কাজীপুর; যশোর জেলার ঝিকরগাছা, কেশবপুর, মনিরামপুর, শার্শা; ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা, ধোবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর, হালুয়াঘাট, ঈশ্বরগঞ্জ।

        নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া, বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কমলকান্দা, কেন্দুয়া; কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদি; টাঙ্গাইল জেলার সদর, ভূয়াপুর, দেলদুয়ার, ধনবাড়ি, ঘাটাইল, গোপালপুর।

        কুমিল্লা জেলার বরুয়া, ব্রাক্ষণপাড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, সদর, মেঘনা, দাউদকান্দি এবং নোয়াখালী জেলার কবিরহাট, সদর, সেনবাগ, সোনাইমড়ি, সুবর্ণচর উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা ২২ এপ্রিল নেওয়া হবে।

        এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা কবে হবে, তা নিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, প্রথম ধাপের পর দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ষষ্ঠ ধাপের ভর্তি শেষেও আসন খালি চবিতে, পূরণ হবে যেভাবে

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৬ এপ্রিল, ২০২২ ১২:১৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ষষ্ঠ ধাপের ভর্তি শেষেও আসন খালি চবিতে, পূরণ হবে যেভাবে

          চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সব আসন এখনো পূরণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ষষ্ঠ ধাপের ভর্তি কার্যক্রম শেষ হলেও এখনো ২৬৪টি আসন খালি রয়েছে। এ ছাড়া যারা ভর্তি হয়েছেন, তাদের অনেকে বাতিল করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছেন। ফলে আসনগুলো খালি রয়ে গেছে। আরও একবার তালিকা প্রকাশ করে এসব আসন পূরণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটে চার হাজার ৯২৬টি আসনের বিপরীতে অন্তত ছয় শতাংশ খালি রয়েছে বলে জানা গেছে। এভাবে আসন খালি থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিরতা, মারামারি ও শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিষয়টি সামনে আনছেন সংশ্লিষ্টরা।

          সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘এ’ ইউনিটে খালি রয়েছে ১১৮টি আসন। এ ছাড়া ‘বি’ ইউনিটে ১০১টি, ‘সি’ ইউনিটে সাতটি আসন ও ‘ডি’ ইউনিটে ৩৩টি আসন খালি রয়েছে। এ ছাড়া ‘বি১’ উপ-ইউনিটে তিনটি ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটে দুটি আসনে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।

          এদিকে বি-১ উপ-ইউনিটের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগে ভর্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিভাগ দুটির ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ৩৫টি আসনের মধ্যে খালি রয়েছে ৮টি আসন। আর ৩০টির মধ্যে ৯টি আসন খালি সংগীত বিভাগে।

          চবির আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ষষ্ঠ ধাপের প্রাথমিক ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এখনো ২৬৪টি আসন খালি রয়েছে। সপ্তম ধাপে এগুলো পূরণ হয়ে যাবে যাবে বলে আশা করছি। এরপরও না হলে বিকল্প উপায় ভাবব।’

          বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেণু কুমার দে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘খালি আসন পূরণ করার জন্য আরেকবার তালিকা দেব আমরা। এখনো ভর্তি কার্যক্রম সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ হয়নি। কাছের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করছে। এ কারণে বিষয় পছন্দক্রম পূরণ করছে না তারা।

          আসন খালি থাকার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিন্ডিকেট সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আগের মতো নেই। বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে চট্টগ্রাম। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা সন্তানকে ভর্তিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা কাছের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত