শিরোনাম
ইবির এক শিক্ষার্থীর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
ইবি প্রতিনিধি:বিভিন্ন ইসলামী পুস্তকাদি পড়ে ও ইন্টারনেটে ওয়াজ শুনে ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী সুপ্রিতী দত্ত তমা।
সরকারি বিধি মোতাবেক হলফনামায় স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি। ইসলামী বিধি মোতাবেক তার নাম রেখেছেন ত্বহিরা তাসনিম আয়াত।
হলফনামার তথ্য মোতাবেক, 'ত্বহিরা তাসনিম আয়াতের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গার, ক্যানেলপাড়া, গোবিন্দুপুর গ্রামে। তাঁর বয়স চব্বিশ বছর। তিনি হলফনামায় বলেন আমার স্বজ্ঞানে ইসলামী পুস্তকাদি পড়ে তৌহিদ, রিসালাত ও আখিরাত সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জন করে জানতে পারি ইসলাম ধর্মই একমাত্র দুনিয়া ও আখিরাতে নাজাত দিতে পারে। আমি একমাত্র আল্লাহকে হাজির-নাজির জেনে কালেমা পাঠ করি। ইসলামী বিধি মোতাবেক আমার নাম 'সুপ্রিতী দত্ত তমা' এর স্থলে ' ত্বহিরা তাসনিম আয়াত' গ্রহণ করেছি। আপন খুশিতে কারো প্ররোচনা ছাড়া হলফনামা পড়ে, শুনে, সঠিকভাবে বুঝে, হলফনামার মর্ম ও ফলাফল সম্পর্কে অবগত হয়ে নিজের নাম সহি সম্পাদন করলাম।'
এছাড়াও বর্তমানে ত্বহিরা তাসনিম আয়াত নামেই সমাজের সব ক্ষেত্রে পরিচিত হবেন। যাবতীয় কাগজপত্র ও দলিলাদীতে এ নাম ও ধর্ম ইসলাম লিখিত হবে।'
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন- 'আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। ৮ বছর ধরে চেষ্টা করে অবশেষে আমি এখন রাষ্ট্রীয় ভাবে একজন মুসলমান। আল্লাহ আমাকে সঠিক পথে থাকার তৌফিক দান করেন। আমিন, আমার জন্য দোয়া করবেন।'
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা জর্জ কোর্টের অ্যাডভোকেট আল মামুন বলেন, ' ছাত্রীর মুসলিম হওয়ার বিষয়টি সত্য। গতকাল তিনি আদালতে মুসলিম হয়েছেন এবং রেজিস্ট্রির মাধ্যমে কাবিন মুলে বিয়েও করেছেন।'
ছাদ থেকে পড়ে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু: দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা
রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ হবিবুর রহমান হলের ছাদ থেকে পড়ে গতকাল রাতে শাহরিয়ার হাসান নামের এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। তবে এটা দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। সুষ্ঠু তদন্তের দাবি শিক্ষার্থীদের।
এই বিষয়ে শাহরিয়ারের খুব কাছের বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান বলেন, মৃত্যু মানুষের হাতে না। কিন্তু সেটার কারণ জানাটা অতি জরুরি। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হঠাৎই আশ্চার্যজনকভাবে ছাদ থেকে পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক মৃত্যুর কাতারে পড়ে না। সে অসুস্থও ছিলো না। আমাদের কাছে এটা আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। কোন ষড়যন্ত্রের শিকার কিনা, তার সুষ্ঠু তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি।
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী এম. হাসান হিমেল বলেন, শাহরিয়ার যখন কলের শানের উপরে পড়েছিল। তখন জোরে শব্দ হয়েছিল। পাশেই আমার রুম ছিল। জানালা দিয়ে দেখেছি পা উপুড় ছিল, প্রথমে মাথাটাই নিচে লাগতে দেখি। ৪ তলায় কিছু ছেলে ছিল তারা পড়ে গেছে বলে চিৎকার করতেছিল। তার কাছে কোনো মোবাইল ছিল না, ঘটনাস্থলেও পাওয়া যায়নি। মুখের সামনের পার্ট দাত নাক দিয়ে রক্ত, পিছনের পার্ট থেকে নাকি তেমন রক্ত পড়েনি। কীভাবে পড়েছে বা পড়তে পারে মেডিকেল রিপোর্ট ছাড়া সঠিক বলা যাচ্ছে না। সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, ঘটনাটি হৃদয়বিদারক! প্রতিটি ফ্লোরে উঁচু রেলিং আছে। নরমালি পড়ার সুযোগ নেই। যদি রেলিং এ পা তুলে বসে থাকে তাহলেই অসাবধানতাবশত পড়তে পারে। আর যদি তা না হয় তবে পরিকল্পিত হত্যাও হতে পারে। এটার তদন্ত হওয়াটা অতি জরুরি। তাহলেই আসল ঘটনাটা সবার সামনে আসবে। না হলে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়, দুর্ঘটনা নাকি হত্যা?
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, যেহেতু তার পাশে কেউ ছিলনা সেহেতু সে কীভাবে পড়ে গিয়েছে এটা জানা যায়নি। আমাদের কাছে এমন কোনো আলামত আসেনি যা দেখে আমরা বলবো যে এটা পরিকল্পিত হত্যা। তবে তার আত্মীয়স্বজন বা সহপাঠীরা যদি তদন্তের জন্য দাবি জানায় তাহলে আমরা অবশ্যই এটা নিয়ে তদন্ত করব।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ হবিবুর রহমান হলের উপরতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার ৮নং ওয়ার্ডে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মারুফ হোসেন মিশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২০ অক্টোবর, ২০২২ ০১৪০০৪৭১৭৮১
রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে চিকিৎসকদের অবহেলা: তদন্ত কমিটি গঠন
বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলার জেরে বহিষ্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করা হবে বলে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়।
বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রশাসন যৌথভাবে আলোচনায় বসে এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
পাঁচ সদস্য তদন্ত কমিটি সদস্যরা হলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর, রাজশাহী বিভাগীয় উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. নওশাদ আলি ও মেডিকেল কলেজের একজন সিনিয়র ডাক্তার।
তদন্ত কমিটি গঠনের পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদেরকে আশ্বস্ত করতে মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি ও ব্যবসা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেডিকেল কলেজের সিসি ক্যামেরা ও ঘটনা পর্যবেক্ষন করে আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্ট পেশ করা হবে। । এসময় শিক্ষার্থীদেরকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
রাজশাহী বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম সিদ্দিক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলেন, তোমরা আমাদের তিনদিন সময় দিয়ে সাহায্য করবে। আমরা তিনদিনের সময় চাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের ন্যায় বিচার পাবে বলে আশ্বস্ত করেন এ পুলিশ কমিশনার। যারা আহত তাদের চিকিৎসার সকল দায়িত্ব রামেক প্রশাসন নিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
এর আগে ৪০ মিনিট বিলম্ব করে এসে গুরুতর আহত রাবি শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড ও পরিচালকের কক্ষের সামনের অংশে ভাঙচুর চালান শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বরত চিকিৎসকরাও শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও হয়। এতে আহত হয় রাবির চার শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ হবিবুর রহমান হলের তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে এমজিএম শাহরিয়ার নামের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরে শিক্ষার্থীরা আশঙ্কাজনক অবস্থা রামেকে নিয়ে আসলে চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যু বরণ করেন এ শিক্ষার্থী।
আমেরিকায় বিনা খরচে এক বছর পড়ার সুযোগ
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি (ইয়েস) প্রোগ্রাম ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশি হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে পড়ার সুযোগ পাবে। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের অর্থায়নে ইয়েস প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের ৮-১১ গ্রেডে ভালো ফল করা হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের এক শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয়।
কেনেডি-লুগার ইয়েস প্রোগ্রামের মাধ্যমে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ইয়েস বৃত্তি একটি মেধাভিত্তিক ও উন্মুক্ত কার্যক্রম। এতে বিনা মূল্যে আবেদন করা যাবে। ২০০৪ সাল থেকে তিন শতাধিক বাংলাদেশি হাইস্কুল শিক্ষার্থী ইয়েস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে।
যোগ্যতা
আবেদনকারীর বয়স ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে হতে হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশি উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম, নবম, দশম বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি থাকতে হবে।
বিদেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি নাগরিকেরা আবেদনের জন্য যোগ্য হবে না।
আবেদনের সময় অবশ্যই ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ শিক্ষাবর্ষের নম্বরপত্র/মার্কশিট জমা দিতে হবে। বার্ষিক ফলাফলে গড়ে কমপক্ষে ‘বি’ গ্রেড থাকতে হবে। গত তিন শিক্ষাবর্ষের মধ্যে কোনো শিক্ষা বিরতি বা কোনো শ্রেণির পুনরাবৃত্তি থাকলে আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে।
মার্কিন জে-১ ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে (যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা জে-১ ভিসা পাওয়ার অযোগ্য)।
আবেদনকারী গত পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৯০ দিনের অধিক বসবাস বা ভ্রমণ করে থাকলে তাকে অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে।
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। কেউ দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী বা বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসরত হলে তার আবেদন বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।
ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখাপড়ার জন্য ইংরেজি ভাষায় পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকতে হবে।
আবেদনকারী প্রার্থীর মা-বাবার যে কেউ অথবা উভয়ই যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বা যুক্তরাষ্ট্র মিশনের বর্তমান কর্মী হতে পারবেন না।
সুযোগ-সুবিধা ইয়েস প্রোগ্রামের ব্যয়ভার অর্থাৎ বিমানভাড়া, মার্কিন ভিসা ফি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা-খাওয়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন এবং মাসিক ১২৫ ডলারের হাতখরচ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্বরাষ্ট্র বিভাগ বহন করে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যাওয়া এবং আসার বিমানভাড়া; প্রিডিপার্চার ওরিয়েন্টেশনের খরচ, আমেরিকান হোস্ট ফ্যামিলিতে প্লেসমেন্টের খরচ; মাসিক উপবৃত্তি; স্বাস্থ্যবিমা এবং প্রোগ্রামের আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের খরচ অংশগ্রহণকারীকে বহন করতে হবে না। প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি আমেরিকান হোস্ট ফ্যামিলির সঙ্গে বসবাস করবে। শিক্ষার্থীকে আমেরিকার যেকোনো অঙ্গরাজ্যে বসবাস করতে হতে পারে, যার ব্যবস্থা আমেরিকান প্লেসমেন্ট সংস্থা করে থাকে। প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকা শিক্ষার্থীদের পক্ষে অসম্ভব। এটি প্রোগ্রামের নিয়মাবলির বিরুদ্ধে এবং এই নিয়ম ভঙ্গ করলে শিক্ষার্থী একজন ফেডারেল অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হবে। শিক্ষার্থী পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাবে না।
আবেদন ও বাছাইপ্রক্রিয়া এই ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসার বা স্কুলের কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করতে হবে। এরপর সেই কাগজপত্র স্ক্যান করে অনলাইন আবেদনের সঙ্গে আপলোড করতে হবে। প্রাথমিক আবেদনের পর যোগ্যতার ভিত্তিতে তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং যোগ্যতার তালিকা অনুযায়ী ফোন ইন্টারভিউয়ের জন্য আমন্ত্রিত করা হবে। ইন্টারভিউ তিন মিনিট দীর্ঘ হবে। সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত ফল শুধু যোগ্য প্রার্থীদের পাঠানো হবে।
ফোন ইন্টারভিউ থেকে বাছাইকৃত সীমিতসংখ্যক প্রার্থীকে ইএলটিআইএস (ELTiS) পরীক্ষা ও ইন-ক্লাস প্রবন্ধ-রচনায় অংশ নিতে হবে। ইএলটিআইএসের দুটি অংশ রয়েছে—লিসেনিং (২৫ মিনিট) এবং রিডিং (৪৫ মিনিট)। ইন-ক্লাস প্রবন্ধ-রচনায় অংশ নেওয়া আবেদনকারীদের তিনটি প্রবন্ধ রচনা তৈরি করতে হবে। প্রতিটির জন্য সময় থাকবে ১৫ মিনিট।
চূড়ান্ত আবেদন ও সাক্ষাৎকার ইএলটিআইএস পরীক্ষা এবং ইন-ক্লাসের প্রবন্ধ রচনা পরীক্ষার সাফল্য অর্জনকারীরা চূড়ান্ত আবেদন জমা দেবে। তারা যোগ্য বিবেচিত হলে চূড়ান্ত আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো হবে। যেসব আবেদনকারী চূড়ান্ত আবেদনপত্র জমা দেবে, তাদের চূড়ান্ত সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ করা হবে। নির্বাচনপ্রক্রিয়া ২০২৩ সালের জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। চূড়ান্ত সাক্ষাৎকারের পর ইয়েস প্রোগ্রাম থেকে চূড়ান্ত ও অল্টারনেটদের তালিকা ঘোষণা করা হবে। নির্বাচিত আবেদনকারীদের অবহিত করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে এনহেন্সমেন্ট অ্যাকটিভিটি, পিডিও এবং ট্রাভেল ওরিয়েন্টেশনে অংশগ্রহণ করতে হবে। উভয় ওরিয়েন্টেশনই প্রোগ্রামের জন্য বাধ্যতামূলক।
ইয়েস প্রোগ্রামের বিস্তারিত এবং আবেদনের বিস্তারিত নির্দেশাবলি জানা যাবে এই ওয়েবসাইটে। এ ছাড়া ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইয়েস প্রোগ্রাম ম্যানেজার মুশফিক হাসানের ই-মেইল HassanMX@state.gov বা yesinfo@iearnbd.org ঠিকানায় মেইলে যোগাযোগ করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২২।
পূবালী ব্যাংকে আবারও বড় নিয়োগ, পদ ৭৭, নেই আবেদন ফি
পূবালী ব্যাংক লিমিটেড জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই ব্যাংকে আইসিটি অপারেশন ডিভিশনে ১৪ ক্যাটাগরির পদে ৭৭ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
১. পদের নাম: সিনিয়র কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স টিম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৪২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
২. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইন দ্য র্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ওসিপি সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে
৩. পদের নাম: সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৪. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৬ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৫. পদের নাম: নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিসিএনএ, সিসিএনপি বা সিইএইচ সার্টিফিকেশনসহ অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৬. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৩ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ওসিপি সার্টিফিকেশন বা ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৭. পদের নাম: সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৮. পদের নাম: আইসিটি সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৮ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সনদসহ নেটওয়ার্কিং, ডেটাবেজ, সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট স্কিলে অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
৯. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ট কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৭ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম এক বছর প্রবেশনকাল। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হবে।
১০. পদের নাম: সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ট কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব প্রবেশনারি জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ১০ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সফটওয়্যার টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স মেথডোলজির টুল সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
১১. পদের নাম: সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব প্রবেশনারি জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৬ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সফটওয়্যার সাপোর্ট ও প্রসেস সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
১২. পদের নাম: সিস্টেম সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৪ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। ভিসিপি, ভিএসএএন, ভিএনএসএক্স, আরএইচসিই, এমসিএসই, আজুর বা এম৩৬৫ সার্টিফিকেটসহ অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
১৩. পদের নাম: নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন দ্য র্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ৪ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজি বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সনদ থাকলে ভালো। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
১৪. পদের নাম: হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ফর হেড অফিস, রিজিওনাল অফিস বা ব্রাঞ্চ সাপোর্ট ইন দ্য র্যাঙ্ক অব ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদসংখ্যা: ২০ যোগ্যতা: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কম্পিউটার টেকনোলজি বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স: ২০২২ সালের ৩০ জুন সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: প্রথম এক বছর প্রবেশনকালে মাসিক বেতন ২৬,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এক বছর প্রবেশনকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
শর্ত সিনিয়র অফিসার (কম্পিউটার), অফিসার (কম্পিউটার), জুনিয়র অফিসার (কম্পিউটার) পদের চাকরির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের এই প্রতিষ্ঠানে অন্তত পাঁচ বছর চাকরি করবেন মর্মে বন্ডে সই করতে হবে।
আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের পূবালী ব্যাংকের ক্যারিয়ারবিষয়ক ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে। একজন প্রার্থী শুধু একটি পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: আগামী ৩ নভেম্বর ২০২২, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য