The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী টিকার বাইরে

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মোট মাদরাসার সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৬টি। অধিভুক্ত সব মাদরাসা ফাজিল (পাস) পর্যন্ত। এসব কলেজে অনার্স স্তর ৭৭টি এবং কামিল স্তরের মাদরাসা ২৫৩টি। মোট দুই লাখ ৫১ হাজার ৭০৩ জন শিক্ষার্থী এসব মাদরাসায় অধ্যয়নরত। এর মধ্যে করোনার এক ডোজ ও দুই ডোজ মিলিয়ে মোট টিকা নিয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৬১ জন শিক্ষার্থী। আর টিকা নেননি ১ লাখ ১২ হাজার ৫৪২ জন। অর্থাৎ টিকা নিয়েছেন প্রায় ৫৫ দশমিক ২৮ শতাংশ আর টিকা নেননি প্রায় ৪৫ শতাংশ (৪৪ দশমিক ২৮) শিক্ষার্থী।

গত ১০ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে টিকা দেওয়ার তথ্য জমা দেয় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। জমা দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, অধিভুক্ত মাদরাসাগুলোর ফাজিল (পাস), অনার্স ও মহিলা মাদরাসার মোট শিক্ষার্থী ২ লাখ ৫১ হাজার ৭০৩ জন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে করোনার টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৮০ জন। এক ডোজ টিকা নিয়েছেন ৭৩ হাজার ২৮১ জন। নিবন্ধন করেছেন কিন্তু টিকা গ্রহণ করেননি ৪১ হাজার ৭৮৬ জন। নিবন্ধন করেননি ৭০ হাজার ৭৫৬ জন শিক্ষার্থী।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘যারা নিবন্ধন করেনি সেসব শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিবন্ধন করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারির মধ্যে এসব শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শেষ হবে বলে আশা করি।’

অধিভুক্ত মাদরাসাগুলোর শিক্ষক সংখ্যা ২৯ হাজার একজন। শিক্ষকদের মধ্যে দুই ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ২২ হাজার ৪০২ জন। আর এক ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ৬ হাজার ১৯৫ জন। নিবন্ধন করেছেন কিন্তু অসুস্থতার কারণে টিকা গ্রহণ করেননি ৪০৪ জন।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা ১৯৪ জন। এদের মধ্যে দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১৮০ জন এবং এক ডোজ টিকা নিয়েছেন ১৯৪ জন।

অধিভুক্ত মাদরাসার কর্মচারীর সংখ্যা ৭ হাজার ৩৬৮ জন। টিকার দুই ডোজ গ্রহণ করেছেন চার হাজার ৮৬০ জন আর এক ডোজ গ্রহণ করেছেন দুই হাজার ৫৩ জন। নিবন্ধন করেছেন কিন্তু অসুস্থতাজনিত কারণে টিকা নেননি ৪৬৫ জন।

গত ১০ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ৪৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫১ জন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ সম্পন্ন করেছেন ২৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৮, দ্বিতীয় ডোজ ১৭ লাখ ১৩ হাজার ৩০২ জন। মোট নিবন্ধন করেছেন ২৭ লাখ ৩১ হাজার ২৮৭ জন। এর মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের। চলতি জানুয়ারির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নেওয়া সম্ভব হবে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১৮ মাস পর গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে সীমিত আকারে শ্রেণি পাঠদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। নতুন করে দেশে করোনা সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে গেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করে টিকা দিয়ে ১২ বছরের বেশি বয়সী সব শিক্ষার্থীকে (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসার জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।

অন্যদিকে, দেশের ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রেখে শ্রেণিপাঠদান অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রেখে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি শ্রেণি পাঠদান চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সশরীরে ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.