শিরোনাম
দেশ কোনো দলের কাছে ইজারা দেওয়া হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা
ডেস্ক রিপোর্ট: অন্তর্বতী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো দলের কাছে ইজারা দেওয়া হয়নি। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে কক্সবাজারে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের ২১তম বার্ষিক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে ১৬ থেকে ১৭ বছরের জঞ্জাল সাফ করা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে শুরু হবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ। আর আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হবে রাষ্ট্রের সংস্কারকাজ।
সভায় জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা হলে দেশে কোনো দারিদ্র্য থাকবে না বলে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে জাকাত সঠিকভাবে বিতরণ করা হয় না। অথচ হাজার হাজার কোটি টাকার জাকাত বিতরণ হয়। এই জাকাত ঠিকমতো গরিবের কাছে পৌঁছলে ১০ বছরের মধ্যে দেশে কোনো ভিক্ষুক থাকবে না।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ১০ যানবাহনের সং-ঘর্ষ
ডেস্ক রিপোর্ট: ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ ১০টি যানবাহনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি হলেন মো. ফরহাদ হোসেন (৪০)। তিনি ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি বাসের চালক ছিলেন।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কিছু দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনগুলো ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল।
জানা গেছে, ভোরে প্রথমে দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পেছন থেকে একটি বাসকে ধাক্কা দেয়ে আরেকটি বাস। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। একই সময় একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকারকে চাপা দেয়ে। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়।
এদিকে এমন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, দুর্ঘটনায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নিয়ে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। সকালে ঘন কুয়াশার কারনে বেশ কয়েকটি যানবাহনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। ঘন কুয়াশায় মাত্র অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার
আশরাফুজ্জামান সরকারঃ গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে দীর্ঘদিন থেকে ঝুঁকি নিয়ে ৫ গ্রামবাসী নদী পারাপার হচ্ছে। চরম ভোগান্তিতে অত্র এলাকাবাসী।
উল্লেখ থাকে যে, গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গনকপাড়া গ্রামের সীমানা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর অলিরঘাট। পারাপারে ৫ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ন বাঁশের সাঁকো। একটি ব্রীজের অভাবে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের ভোগান্তির যেন অন্ত নেই। স্বাধীনতার আগে থেকেই এই ভোগান্তির মধ্য দিয়েই এই ৫ টি গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে চলছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সীমানা ঘেঁষে যাওয়া প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো গনকপাড়া গ্রামের সীমানা সংলগ্ন করতোয়া নদীর অলির ঘাট। নদীর ঘাট হতে ঘাটের কিনারা অনেক উঁচু হওয়ায় নদী পারাপারে ভ্যান, রিক্সা, সাইকেল, মটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না। আর এ কারণে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গনকপাড়া, জাফর, মুংলিশপুর, পালপাড়া, শীলপাড়া, জাইতরসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এপার থেকে ওপারে চলাচলের জন্য তাদের শুকনা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো আর বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া চলতেই পারে না। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে চলাচলের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাকো তৈরি করা হয় এবং নদীতে পানি বেড়ে গেলে পারাপারের জন্য নৌকার ব্যবস্থাও থাকেনা। তখন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বেড়ে যায়। প্রতিদিন যাতায়াত করা স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, এনজিওকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন এই অলিরঘাট দিয়ে।
জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও আজও একটি ব্রীজ নির্মাণ হয়নি। এ ভোগান্তি যেন পথচারীদের নিত্য-দিনের সঙ্গী। অলিরঘাট পেড়িয়ে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটের দুরুত্ব ২ কিলোমিটার, যাতায়াতের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারে ২ কিঃমিঃ এর স্থলে পথচারীদের ঘুরতে হয় অন্তত ৮ কিলোমিটার রাস্তা। তাই এ ঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। পথচারীরা এই ঘাট পার হয়ে বৃহত্তর হাট-বাজার গুলোতে যাতায়াত করে থাকেন। সাধারণ মানুষের দাবী এই গুরুত্বপুর্ণ স্থানে একটি ব্রীজ নির্মাণের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আশেপাশের গ্রামের মানুষও এই ঘাট দিয়ে পারাপার হয়। বিশেষ করে আমাদের গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ পার্শ্ববর্তী ঘোড়াঘাট উপজেলায় ব্যবসা বানিজ্য ও হাট-বাজার করে। তারা অন্য ঘাট দিয়ে পার হয়ে গিয়ে দুপুরে বাড়িতে যখন আসে তখন নদীর ওই পারে গাড়ী, সাইকেল রেখে আসতে হয়। শুকনা মৌসুম বাঁশের সাঁকো আর বর্ষা মৌসুমে পারাপারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা পোহাতে হয়। এখানে একটি সেতু নির্মাণ খুব দরকার।
উপজেলার সচেতন মহল বলেন, দীর্ঘদিন হলো উক্ত এলাকার মানুষের পারাপারের জন্য একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছে। ব্রীজটি নির্মাণ করা হলে সবার অনেক উপকার হবে। তখন আর কারো সমস্যায় পড়তে হবে না। মানুষের যাওয়া আসা অনেক সহজ হবে। ৫ টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমে আসবে।
উপজেলা প্রকৌশলী তপন চক্রবর্তী জানান,আমি উপজেলায় নতুন যোগদান করলেও এর আগে জেলা অফিসে কর্মরত ছিলাম তাই জানা মতে, জেলার অনেকগুলো ব্রীজ নির্মাণের আবেদন পাঠানো হয়েছে। উক্ত স্থানের বিষয়ে জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান জানান,জনগুরুত্বপূর্ন হলে উক্ত স্থানটি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্রীজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রয়োজনীয় আবেদন জানানো হবে।
আমাদের ভরসা আল্লাহর ওপর, হাসিনার ভরসা ভারতে : দুলু
ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, আমরা বিপদে পড়লে আল্লাহর ওপরে ভরসা করি, সব মুসলিম ঈমানদাররা আল্লাহর ওপরে ভরসা করেন। আর আমাদের দেশের পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভরসা ভারতের ওপরে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে নাটোর সদরের ছাতনী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, শেখ হাসিনা বিপদে পড়লে তার একমাত্র জায়গা ভারত। ভারত সরকারের বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য কোনো দরদ নেই, ভারতের সব দরদ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের জন্য। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকলে তারা আমাদের দেশকে ইচ্ছেমতো লুটপাট করতে পারে। আমাদের দেশকে শোষণ ও লুটপাট করতে পারে। তখন ভারতের সুবিধা হয়। এজন্যই ভারতের শেখ হাসিনার জন্য এত মায়া কান্না।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে তাই ভারতীয় মিডিয়া প্রতিদিন মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। হাসিনা ভারতে বসে বসে আমাদের দেশকে অশান্ত করতে একের পর ষড়যন্ত্র করছেন। আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ থেকে এবং তাদের আত্মগোপনে থাকা নেতাদের ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিত মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে দেশকে অশান্ত করার অপচেষ্টা চলছে। দেশের মানুষকে তাদের এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। যারা বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে একদিন তারাই পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।
অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকায় বসে কোনো পরিকল্পনা করবে না : জ্বালানি উপদেষ্টা
ডেস্ক রিপোর্ট: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকায় বসে কোনো পরিকল্পনা করবে না। মানুষের সঙ্গে কথা বলে তারা যেটা চায় সেটাই আমরা করবো।
শনিবার(২১ ডিসেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের হাওড় উপজেলা ইটনার বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় হাওড়ের বহুল আলোচিত অলওয়েদার সড়ক প্রসঙ্গে ফাওজুল কবির খান বলেন, এ সড়কের ফলে সৃষ্ট অসুবিধাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সড়ক নির্মাণের ফলে ফসলি জমিতে বালু ও আগাছা জন্মানো প্রতিরোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘন ঘন বন্যার প্রকোপ নিয়ে তিনি বলেন, নদী নিয়মিত ড্রেজিং না হওয়ায় পলি জমার কারণে বন্যা হচ্ছে। এ ব্যাপারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওয়েলওয়েদার সড়কপথ একদিকে কিশোরগঞ্জের সঙ্গে, অপরদিকে সিলেটের সঙ্গে সংযুক্ত। সুতরাং সব দিক বিবেচনায় রেখে সমস্যা সমাধানে কাজ করতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য