শিরোনাম
পরিচালনা নয়, ডিসি-ইউএনও শিক্ষা কার্যক্রম মনিটর করবেন
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন—এমন কোনো নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়নি। ডিসি-ইউএনওদের আগের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম মনিটর করার কথা বলা হয়েছে।
আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি থাকবে না বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। শুধু তা–ই নয়, ডিসি ও ইউএনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছেন বলেও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে আগের মতোই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে পরিচালনা কমিটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিসি ও ইউএনওদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম মনিটর করার কথা বলা হয়েছে, আগেও তাঁরা নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতেন।
১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষা ডিসেম্বরে
প্রায় তিন বছর ধরে আটকে থাকা ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রিলি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।
এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলি পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে আগামী ২৫ আগস্ট প্রশ্নপত্র তৈরির নিয়ে বিজি প্রেসের সাথে সভা করবে এনটিআরসিএ। এরপর ৩০ আগস্ট সিস্টেম এনালিস্ট নিয়োগের বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই দুটি সভার পর প্রিলি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।
ওই সূত্র আরও জানায়, পরীক্ষা আয়োজনের অন্যতম বাধা ছিল জায়গা সংকট। তবে বোরাক টাওয়ারের ৬ষ্ঠ তলায় নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রুম বরাদ্দ পেয়েছে এনটিআরসিএ। তবে সেটি এখনো চূড়ান্ত করেনি। এই অফিস বরাদ্দের পর কার্যক্রম শুরু হবে। অফিস ডেকোরেশনের জন্য কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, আমরা নভেম্বর মাসে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজন করতে চেয়েছিলাম। তবে নানা কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। নতুন করে ডিসেম্বরের মধ্যে এই পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে আমাদের যে সমস্যা ছিল সেগুলো সমাধান হয়ে যাচ্ছে। আমরা জায়গা বরাদ্দ পেয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই সিস্টেম এনালিস্ট নিয়োগ দিতে পারবো। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছে আসনপ্রতি লড়বেন ২৩ ভর্তিচ্ছু
দেশে তৃতীয়বারের মত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর। এরই মধ্যে মঙ্গলবার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কমিটি।
পরীক্ষায় মোট আবেদন করেছে ৭৯ হাজার একশত ৪৭ জন শিক্ষার্থী। আটটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ৩৫৩৯ টি। সে হিসেবে কৃষি গুচ্ছের একটি আসনের জন্য লড়বেন প্রায় ২৩ ভর্তিচ্ছু।
বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির প্রধান ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া ।
বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যা অনুযায়ী আবেদন করা তিনগুণ ভর্তিচ্ছু পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন। তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছেন কর্তৃপক্ষ । এবছর আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম ৮.৫ করা হয়েছে। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পেরেছেন।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।
আগের আসন সংখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি।
মেধাতালিকা থেকে ভর্তিতে জাবির ৫ নির্দেশনা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তির পরীক্ষা শেষে বিষয়ভিত্তিক পছন্দক্রম দিচ্ছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আগামী ২২ আগস্ট থেকে জাবির বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তির সাক্ষাৎকার শুরু হবে।
এদিকে ভর্তির সাক্ষাৎকার শেষে আগামী ৩১ আগস্ট ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। এ নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ দফা নির্দেশনা দিয়েছে ভর্তি পরিচালনা কমিটি।
বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে জাবির কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. আবু হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘ভর্তি পরীক্ষা শেষে বর্তমানে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিষয় পছন্দক্রম দিতে পারছেন। এরপর আগামী ২২ আগস্ট থেকে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির সাক্ষাৎকার শেষ হলে আগামী ৩১ চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইট প্রকাশ ও শিক্ষা শাখায় এই তালিকা প্রেরণ করা হবে।’
ক) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থীকে ভর্তির যাবতীয় ফি নগদ অথবা ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর ব্যক্তিগত একাউন্ট থেকে জমা দিতে হবে। উপরোক্ত সকল ফি এর সাথে ২০/-(বিশ) টাকা মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে।
খ) academic.juniv.edu ওয়েবসাইট থেকে ‘১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি আবেদন’ লিংকে ক্লিক করে ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ও এইচএসসি’র রেজিস্ট্রেশন (IGCSE / A Level এর ক্ষেত্রে এইচএসসি’র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করার সময় প্রদেয় মোবাইল) নম্বর দিয়ে লগইন করুন। এরপর ‘আবেদন ফরম’ মেনুতে ক্লিক করে যেকোনো একটি পেমেন্ট মাধ্যম নগদ অথবা ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি প্রদান করার পর আবেদন ফরমটি আসবে। ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত রকেট একাউন্ট থেকে Biller ID 343 তে নির্ধারিত ফি প্রদান করার পর প্রাপ্ত ট্রানজেকশন আইডি প্রদান করতে হবে।
গ) অনলাইন আবেদন ফরমের আনুষঙ্গিক তথ্যসমূহ সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান-এর মূল সনদপত্র এবং নম্বরপত্র (সকল সনদপত্র PDF/JPG ফরম্যাটে এবং ফাইল সাইজ ৮00 KB এর বেশী নয়) স্ক্যান করে আপলোড করে Submit করতে হবে।
ঘ) আবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করবে এবং সকল তথ্য সঠিক থাকলে পরবর্তীতে আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে। উল্লেখ্য, নেটওয়ার্ক সমস্যা/অন্য কোন কারণে এসএমএস না পেলেও সকল তথ্য সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লগ-ইন করে পূরণকৃত আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি থাকবে না’ তথ্যটি সত্য নয়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি থাকবে না এবং জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছেন’ বলে ছড়ানো তথ্যটি গুজব বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ম্যানেজিং কমিটি থাকবে না মর্মে প্রচারিত তথ্যটি সঠিক নয়। আগের মতোই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে ম্যানেজিং কমিটি।
তিনি আরও জানান, ‘জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবে এই সংক্রান্ত কোন নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম মনিটর করার কথা বলা হয়েছে, পূর্বেও জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য