শিরোনাম
সোনার দাম আরো কমলো ১০৫০ টাকা
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে নতুন দর কার্যকর হবে। সোমবার বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, যা আগে ছিল ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৮ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৫৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে কমানো হয়েছে ৯৫৬ টাকা। এখন থেকে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৬৬ হাজার ৪৬২ টাকায় বিক্রি হবে।
সনাতনি স্বর্ণের দাম ভরিতে ৭১৯ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।
তবে রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতনি প্রতি ভরি রূপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর
বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এই হিসাবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৯ অক্টোবর রোববার সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।
সভায় জানানো হয়, চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সোমবার বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, আগামী ৯ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।
হাফেজ সালেহ আহমেদ তাকরীমকে সংবর্ধনা দেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজীজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশি প্রতিযোগী হাফেজ সালেহ আহমেদ তাকরীমকে সংবর্ধনা দেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব সাহানে তাকরীমকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম রাজধানীর মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী, ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা গ্রামে। বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।
সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় আয়োজিত ৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাকরীম এ বিজয় অর্জন করেন। বিশ্বের ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজ এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। গত বুধবার রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশি এই ক্ষুদে হাফেজ। এসময় তাকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
এর আগে লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরীম ৭ম স্থান অর্জন করেন। এ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ৭ম স্থান অর্জন করার পাশাপাশি সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেন তাকরীম।
গত ২২ মে আন্তর্জাতিক কিরাত সংস্থা বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে লিবিয়ার বন্দরনগরী বেনগাজিতে অনুষ্ঠিত ১০ম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।
এর আগে তেহরানের আন্দিশাহ (আল-ফিকির) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ৩৮তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তাকরীম বিশ্বে ১ম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বিশ্ব দরবারে সমুন্নত করেন। ২০২০ সালের পবিত্র রমজান মাসে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন আয়োজিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন সালেহ।
জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে লাগবে ১০ আঙ্গুলের ছাপ
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ১০ আঙ্গুলের
ছাপ লাগবে। যাদের ১০ আঙ্গুলের ছাপ দেয়া নেই আগামী জানুয়ারি থেকে তাদের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হবে।
শনিবার দুপুরে ঢাকা অঞ্চলের সব পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনের সচিব মো: হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।
সভায় নির্বাচন কমিশনের সচিব বলেন, নতুন ভোটারের ক্ষেত্রে সনদগুলো দেখা হচ্ছে। সংশোধনে ওয়ারিশান সনদ দেখা হবে।
যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান সচিব।
মো: হুমায়ুন কবীর খোন্দকার আরও বলেন, সচিবালয়ের কাজের গতি না বাড়াতে পারলে জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্বৈত ও ভুয়া ভোটার ঠেকাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
২০২৩ সালের নভেম্বরে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী নভেম্বর থেকে জানুয়ারির ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। সেই হিসেবে ২০২৩ সালে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বা ২০২৪ সালে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ নির্বাচন করার পকিল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে প্রায় অর্ধেক আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে ইসি। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়নের অংশ হিসেবে সংস্থাটি একজন ভোটারের দুই হাতের সব আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এনআইডিতে ফের দিতে হবে আঙুলের ছাপ
জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) যাদের চার আঙুলের ছাপ দেওয়া আছে, তাদের পুনরায় আঙুলের ছাপ দিতে হবে। এই কার্যক্রমটি আগামী বছর হাতে নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তবে যারা স্মার্টকার্ড সংগ্রহ করার সময় দশ আঙুলের ছাপ দিয়েছেন, তাদের আর দিতে হবে না। এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ুন কবীর এই তথ্য জানিয়েছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক মাসিক সমন্বয় সভাতেও তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। ওই বৈঠকে তিনি বলেন, বিধান মোতাবেক ১৫ (পনের) বছর পর ভোটারদের বায়োমেট্রিক আপডেট করতে হবে। তাই আগামী বছরে আমাদের এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ১ আগস্টের ওই বৈঠকে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের ত্রৈমাসিক সভাতেও প্রসঙ্গটি তোলেন এনআইডি মহাপরিচালক। তিনি বলেন, একটি কথা বলি, আমরা যেহেতু আগামী ভোট (জাতীয় নির্বাচন) আরো সুন্দর করতে চাই, এ কারণে আমরা ফিঙার প্রিন্ট কিন্তু আপডেট করবো। যারা স্মার্টকার্ড নিয়েছেন, তারা দশ আঙুলের ছাপ দিয়েছেন। যারা দশ আঙুলের ছাপ দেয়নি, আগামী জানুয়ারি থেকে আমরা দশ আঙুলের ছাপ নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা কমিশনের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করছি। চলমান হালনাগাদ শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের (২০২৩ সালের ২ মার্চ) পরপরই এই কার্যক্রমে যাব।
এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের ভোটার তালিকা হালনাগাদের ক্ষেত্রে বেশ কিছু দিক-নির্দেশনা দেন।
একেএম হুমায়ুন কবীর বলেন, যারা নতুন ভোটার-এসএসসি, পিএসসি, জেএসসি প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধন দেখে নিচ্ছি, যাতে ভুল না হয়। একটি বিষয় সতর্ক থাকতে বলবো, যারা বয়স্কদের যেন সচেতনভাবে যাচাই-বাছাই করে ভোটার করা হয়। ঢাকায় নানা ধরনের মানুষ বসবাস করেন। পরিপূর্ণ তথ্য না দিলে ভোটার করবেন না।
বিভিন্ন বাহিনীর চাকরিজীবি রেশন তোলার জন্য তিন-চার বছর পর একজন স্ত্রীর নাম দিয়ে থাকেন। এখন সত্যিকার যখন বিয়ে হয়, তখন যার সঙ্গে বিয়ে হয় সেই নামের সঙ্গে ওই আগের নামের মিল থাকে না। পেনশনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। তখন সংশোধনের জন্য আসেন।
আপনারা এসব ক্ষেত্রে খুব সতর্ক হবেন। যদি বয়স্ক কেউ ভোটার হন, দুটি জন্ম সনদ থাকে, তবে ধরে নেবেন- ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। আর যদি একেবারে নতুন ভোটার হন তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ তো রয়েছে। সেটা ফলো করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ওয়ারিশন সনদটা ভালো করে দেখে নেবেন। যেন ছোট ভাই, বড় না হয়ে যান। এসব বিষয় খেয়াল রাখবেন।
তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীদের জন্য সব সময় অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তাদের জন্য একটা পৃথক ডেস্ক খুলেছি। তার অর্থ এই নয়, রোহিঙ্গার দ্বিতীয় জেনারেশন বা সৌদি আরব থেকে এসে ভোটার হয়ে যাবে।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আমাদের চারপাশে দালাল শ্রেণি আছে। প্রতিনিয়ত আপনাকে আমাকে বিক্রি করছে তারা। এদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়বেন না।
পত্রিকায় এসেছে যে দিনাজপুরে নির্বাচন অফিসে গিয়ে এক ব্যক্তি বলেছেন, আমাকে একটু জীবিত করে দেন। আমি মরি নাই। এখন আমরা আপনাদের সফটওয়্যার দিয়ে দিলাম, এসব সমস্যা ঠিক করতে পারবেন। আমরা এবার ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত তথ্য উপাত্ত নিচ্ছি। আগামী বছর বয়স হয়তো আরো পেছনে যাবো, এভাবে হয়তো ফাইভ পাস করলেই হয়তো এনআইডি কার্ড দেব।
ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, আমরা সেবা দেই। কিন্তু যদি গতি বাড়াতে না পারি, নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। বর্তমানে যে হালানাগাদ করা হচ্ছে, এই ভোটার তালিকা দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। সুতরাং অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই কেউ যেন বাদ না পড়ে এবং কেউ যেন একাধিকবার ভোটার হতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় ঢাকার আঞ্চলিক পর্যায়ের এনআইডি সংশোধন, স্থানান্তর ইত্যাদি সংক্রান্ত আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়। এ পর্যন্ত মোট আবেদন পড়েছে ৩৯ হাজার ৩৫৩টি। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২০ হাজার ৯৪৫টি। আর অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে ১৮ হাজার ৪০৮টি আবেদন। সবচেয়ে বেশি আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে ঢাকা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৭ হাজার ৬৪৮টি।
দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৩২ লাখ। এদের মধ্যে স্মার্টকার্ড পেয়েছেন ৬ কোটির মতো নাগরিক। প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি নাগরিককে দিতে হবে দশ আঙুলের ছাপ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য