ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চলতি সপ্তাহে হতে পারে বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার ফলাফল : অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ নভেম্বর, ২০২২ ১১:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
চলতি সপ্তাহে হতে পারে বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার ফলাফল : অ্যাটর্নি জেনারেল

চলতি সপ্তাহে আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার বা বুধবার  বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়া আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা প্রতি বছর ২ দফা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

ফেনী ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগ আয়োজিত নবীন বরণ, বিদায় এবং তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন।

গত শনিবার (২৬ নভেম্বর) ফেনী ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এ অনুষ্ঠানে বিভাগের ১১তম থেকে ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৮তম ও ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। আর বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমানে বিভিন্ন আদালতের আট আইনজীবীকে সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফেনীর জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার কাজী শামসুল হাসান ও সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কক্সবাজারে সিএনজির ধাক্কায় টমটম চালকের মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ নভেম্বর, ২০২২ ২৩:৩৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    কক্সবাজারে সিএনজির ধাক্কায় টমটম চালকের মৃত্যু

    তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়ায় অটোরিকশা ( সিএনজি) এর ধাক্কায় ব্যাটারি চালিত টমটম চালক নিহত হয়েছেন।

    সোমবার (৭ নভেম্বর) সকালে শহরের সোসাইটিপাড়া রাস্তার মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তি রেজাউল করিম (৩০)। সে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দিগরপানখালী গ্রামের মৃত আবু ছৈয়দের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, টমটম চালক রেজাউল করিম যাত্রী নিয়ে চকরিয়া শহর থেকে ফাঁসিয়াখালীর দিকে যাচ্ছিলেন । এসময় দ্রুতগতির একটি সিএনজি সড়কের বক্সরোড থেকে ছিটকে গিয়ে টমটমকে ধাক্কা দেয়। এতে টমটম চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা বেগতিক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় সে মারা যায়।

    চিরিংগা হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মুর্শেদুল আলম ভূঁইয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি ও টমটম জব্দ করা হয়। আহত টমটম চালক সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে বলে জেনেছি । এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কক্সবাজারে ১০১ ইয়াবা কারবারির রায় জানা যাবে ১৪ নভেম্বর

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ নভেম্বর, ২০২২ ২৩:৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      কক্সবাজারে ১০১ ইয়াবা কারবারির রায় জানা যাবে ১৪ নভেম্বর

      তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে প্রথম দফায় আত্মসমর্পণকারী ১০১ ইয়াবা কারবারির মামলায় আসামিদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য ও তর্ক-যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ১৪ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। এদিন যুক্তি-তর্ক শেষে রায় ঘোষণার দিন ঠিক করবেন বিচারক।

      আজ সোমবার (৭ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ তারিখ নির্ধারণ করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফরিদুল আলম।

      তিনি বলেন, ১০১ জন আসামিকে চিহ্নিত করেছেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী দুজনের সাফাই সাক্ষ্য প্রদানের আবেদন করেছেন। আদালত তা আমলে নিয়ে ১৪ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন। ওই দিন সাফাই সাক্ষ্য শেষ হলে যুক্তি-তর্ক শেষে জানা যাবে কবে এ মামলার রায় ঘোষণা হবে।

      পিপি আরও বলেন, ‘গত ৩০ অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টেকনাফ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহার সাক্ষ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলায় মোট ২১ জন সাক্ষী দিয়েছেন। বর্তমানে মামলার সকল আসামি জামিনে আছেন।

      ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ সদরের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে ১০২ জন ইয়াবাকারবারি সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা, ৩০টি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও ৭০ রাউন্ড গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেন। ওই দিনই তাদের নামে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা হয়। বাদী টেকনাফ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) শরীফ ইবনে আলম।
      ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে আত্মসমর্পণকারী সবাইকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ১০২ আসামির মধ্যে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে ২০০৯ সালের ৭ আগস্ট আসামি মোহাম্মদ রাসেল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এজলাসে ঢুকে ভিডিও ধারণ, ‘শাস্তি’ ১ ঘণ্টা কাঠগড়ায়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৭ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        এজলাসে ঢুকে ভিডিও ধারণ, ‘শাস্তি’ ১ ঘণ্টা কাঠগড়ায়

        কার্যক্রম চলাকালে এজলাস কক্ষে ঢুকে ভিডিও ধারণের অপরাধে এক ব্যক্তিকে এক ঘণ্টা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। লিখিতভাবে ভুল স্বীকারের পর তাকে আদালত ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

        সোমবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের প্রথম সিনিয়র সহকারী জজ মোছাম্মৎ ইশরাত জাহান নাসরিনের আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

        ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অনুপ কুমার চৌধুরী স্বপন জানান, বেলা ১২টার দিকে ওই ব্যক্তি আদালতের বারান্দা থেকে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে করতে এজলাস কক্ষে ঢুকে যান। তখন বিচারক এজলাসে ছিলেন। এজলাসের ভেতরে ভিডিও করার সময় এক আইনজীবী তাকে দেখেন। ওই ব্যক্তিকে মোবাইল বন্ধ করার কথা বলার পরও ওই ব্যক্তি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখেন।

        তিনি আরও জানান, এক পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী মিলে তাকে ধরে বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তার নাম তৌহিদুল আলম এবং নিজেকে এশিয়ান টেলিভিশনের ক্রাইম রিপোর্টার পরিচয় দেন। পরে আদালত তার মোবাইল জব্দের আদেশ দিয়ে তাকে কাঠগড়ায় এনে দাঁড় করানোর নির্দেশ দেন।

        জানতে চাইলে ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী নুরুল আলম বলেন, ‘এক ঘণ্টারও কিছু বেশি সময় তাকে আদালতের নির্দেশে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। নিয়মিত কার্যক্রম শেষে বিচারক উনাকে ভিডিও ধারণের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। উনি এশিয়ান টিভির ঢাকার সাংবাদিক পরিচয় দেন। পরে ভিডিও ধারণের জন্য লিখিতভাবে ভুল স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য আদালত তাকে সতর্ক করেন। আদালতের নির্দেশে ধারণ করা ভিডিও মোবাইল থেকে মুছে ফেলা হয়। এরপর মোবাইল ফেরত দিয়ে বিচারক তাকে আদালত ত্যাগের নির্দেশ দেন।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৭ নভেম্বর, ২০২২ ৯:৪৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

          ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামে, টাকা ছাড়া নথি দেখতে চাওয়ায় আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এক আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সেটি তদন্তে তিন বিচারকের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

          মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রামের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বেঞ্চ সহকারী চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জিয়া উদ্দিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল রোববার (৬ নভেম্বর) সিনিয়র জেলা জজ আজিজ আহমেদ ভূঞা এ কমিটি গঠন করেন।

          তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আ.স.ম শহীদুল্লাহ কায়সারকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। আর সদস্য হিসেবে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আবু সালেম মোহাম্মদ নোমান ও সিনিয়র সহকারী জজ মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।

          গঠিত কমিটিকে ঘটনার বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার কারণ, উৎস এবং ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয়সহ সার্বিক বিষয় বিশ্লেষণ পূর্বক পরবর্তী ১০ কর্ম দিবসের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

          এর আগে টাকা ছাড়া নথি দেখতে চাইলে আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এক আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ উঠে। গত ৩ নভেম্বর চট্টগ্রামের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের এজলাসে এমন ঘটনা ঘটে।

          এ ঘটনায় গতকাল রোববার (৬ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট আদালতের এজলাসে তালা ঝুলিয়ে দেন বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা। পরে ওই আদালতের পেশকার সহ সকল স্টাফকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করলে আদালত অঙ্গণের উদ্ভুত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

          ভুক্তভোগী আইনজীবীর নাম মনজুর আলম বলে জানা গেছে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন- সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সাইফুদ্দীন পারভেজ এবং আদালত কর্মচারী মো. সুমন, মো. আবদুর রহিম ও একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি।

          এর আগে গাতকাল রোববার সকালে এ বিষয়ে যথাযথ প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মনজুর আলম। জেলা আইনজীবী সমিতিতে দায়ের করা উক্ত অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর ভুক্তভোগী আইনজীবী মনজুর তাঁর সিনিয়য়ের নির্দেশে চট্টগ্রামের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে বিচারাধীন একটি মামলার আদেশ সংক্রান্ত নথির খোঁজ করতে গিয়ে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার সম্মুখিন হন।

          বেঞ্চ সহকারীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে  গড়িমসি করেন এবং টাকা নিয়ে আসার কথা বলেন। পরবর্তীতে টাকা ছাড়া নথি দেখতে গেলে ওই আদালতের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা আইনজীবীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তাছাড়া আইনজীবীদের নিয়ে নানা ধরণের কটূক্তিমূলক কথাও বলে। এতে আইনজীবী মনজুর প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষ কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে পেশকার- পিয়ন রহি’ম, সুমন মিলে ভুক্তভোগী আইনজীবী উপর হামলা করলে তিনি আহত হন।

          এদিকে এ ঘটনা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পইজে পোস্ট করা হলে সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। এরপর শুক্র ও শনিবার আদালত বন্ধ থাকায় গতকাল ৬ নভেম্বর (রোববার) সকাল ১০টায় বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘটনার প্রতিবাদে ১ম যুগ্ম-জেলা জজ আদালতের সামনে অবস্থান নেন এবং আদালতের এজলাসে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে অবস্থান করতে থাকেন।

          খবর পেয়ে ছুটে আসেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ হাশেম, সাধারণ সম্পাদক এ এইচএম জিয়া উদ্দীন, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীসহ আইনজীবী নেতৃবৃন্দ। উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভূঞার নজরে আনেন আইনজীবীরা।

          চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক পেশকার (বেঞ্চ সহকারী) সাইফুদ্দিন পারভেজসহ ওই আদালতে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রত্যাহার এবং বিভাগীয় মামলার ঘোষণা দেওয়ার পরে জেলা আইনজীবী সমিতির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত