বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪০:০১ পূর্বাহ্ণ
Home Blog

আগামীকাল থেকে ‘সেরা গল্প লেখক –২০২০’ প্রতিযোগিতার বাছাইকৃত গল্প প্রকাশ

প্রিয় ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাসের প্রিয় বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয় শিক্ষকগণকে মিস করা নিয়ে আপন ট্যুরস-দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস ‘সেরা গল্প লেখক– ২০২০’ প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগিদের নিকট হতে প্রাপ্ত গল্পসমূহ মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত গলপসমূহ আগামী কাল হতে প্রকাশ করা হবে।

প্রতিযোগিদের জ্ঞাতাথে জানানো যাচ্ছে যে, প্রতিযোগিতার নির্ধারিত বিচারকদের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে বাচাইকৃত গল্পগুলোই প্রকাশ করা হচ্ছে। যে সকল গল্পগুলো এ প্রতিযোগিতায় প্রকাশের জন্য বিচারকদের বাচাই দ্বারা উপযুক্ত হয়নি সে সকল গল্প পরবতীতে দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস -এর নিয়মিত প্রকাশনায় প্রকাশ করা হবে।

আপন ট্যুরস-দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস ‘সেরা গল্প লেখক–২০২০’ প্রতিযোগিতাটি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এ দুইটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। আপন ট্যুরস-দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস ‘সেরা গল্প লেখক– ২০২০’ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার হিসেবে থাকছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার একটি স্মার্টফোন(OppoA31), দ্বিতীয় পুরস্কার ৫০০০ টাকা ও ক্রমান্বয়ে আরো ৩টি পুরস্কার। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার ৩০০০ টাকা ও ক্রমান্বয়ে আরো ৪টি পুরস্কার। এছাড়াও সেরা ২০ জন প্রতিযোগীকে দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস পত্রিকায় নিয়মিতভাবে গল্প লেখার সুবর্ণ সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা: স্কুল-কলেজ পর্যায়ে : ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে: স্নাতক প্রথম বর্ষ থেকে শুরু করে এমফিল এর ছাত্র-ছাত্রীগণ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

গল্প পাঠানোর নিয়ম: ৭০০ শব্দের মধ্যে একটি ছোট গল্প অভ্র বা ইউনিকোডে ইমেইলের বডিতে দিতে হবে এবং ক্যাম্পাসে নিজের ধারন করা ন্যূনতম ২টি ছবি ইমেইলে অ্যাটাচ করে পাঠাতে হবে। গল্পের শুরুতে অবশ্যই নিজের নাম, ঠিকানা, প্রতিষ্ঠানের নাম, অধ্যায়নরত শ্রেণী বা শিক্ষাবর্ষ, মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। অ্যাটাচকৃত ইমেইলটি newseditor.trc@gmail.com অথবা এই আইডিতে আগামী ০১ জুলাই ২০২০ এর মধ্যে পাঠাতে হবে।

সেরা গল্প লেখক বাছাই পদ্ধতি: আপন ট্যুরস-দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস ‘সেরা গল্প লেখক– ২০২০’এর জন্য নিউজ পোর্টালের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি থাকবে। কমিটি প্রতিযোগিদের নিকট হতে প্রাপ্ত গল্পসমূহ মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত গল্পগুলো দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস পত্রিকার ‘ক্যাম্পাস ডায়েরি’ ক্যাটাগরীতে প্রকাশের পর The Rising Campus অনলাইন নিউজ পোর্টালের ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা হবে। ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত গল্পগুলোর মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ লাইক (ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া), কমেন্ট ও শেয়ারের উপর ভিত্তি করে আপন ট্যুরস-দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস ‘সেরা গল্প লেখক– ২০২০’বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

প্রতিযোগিদের প্রেরিত গল্প ও ছবি প্রকাশের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং প্রতিযোগিদের প্রেরিত গল্প ও ছবি প্রয়োজন সাপেক্ষে সম্পাদনা করার অধিকার রাখবে। আগামী ০৩ জুলাই ২০২০ পর্যন্ত নির্বাচিত গল্পগুলো ফেসবুক পেইজ The Rising Campus এ প্রকাশিত হবে। প্রকাশিত গল্পগুলোর লাইক(ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া),কমেন্ট ও শেয়ার কাউন্ট-ডাউনের শেষ সময় ০৫ জুলাই ২০২০ থেকে বাড়িয়ে ৭ জুলাই করা হয়েছে এবং আগামী ০৯ জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিজয়ীদের নাম পত্রিকার ফেসবুক পেইজ The Rising Campus এ প্রকাশ করা হবে।

বি:দ্র: – প্রকাশিত গল্পসমূহ ফেসবুক পেইজ The Rising Campus এর ফেসবুক গ্রুপ “ক্যাম্পাস ডায়েরি”-তে শেয়ার করা হবে। ফেসবুক গ্রুপ “ক্যাম্পাস ডায়েরি” থেকেও লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করা যাবে যা প্রতিযোগিতায় গণনা করা হবে।

দেড় হাজার ডিজিটাল এজলাস হবে সারা দেশে

নতুন করে দেশের বিচার বিভাগ ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্পের মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় দেশের দেড় হাজার আদালত কক্ষকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল এজলাসে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মামলা দায়ের থেকে শুরু করে আদেশ বা রায়ের অনুলিপি সবই মিলবে অনলাইনে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিচার বিভাগ ডিজিটাল হলে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমার সঙ্গে সাশ্রয় হবে অর্থ। পাশাপাশি দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হলে মামলা জটও কমবে।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এর আগে ২০১৭ সালে ই-জুডিশিয়ারির প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে ওই সময় কিছু ভুল-ত্রুটি থাকায় প্রকল্পটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে ফেরত আসে। বর্তমানে আইনমন্ত্রীর নির্দেশে সেটাকে সংশোধন করে আরও যুগোপযোগী করা হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্পটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

সূত্র আরও জানায়, ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্পের আওতায় সুপ্রিম কোর্টে সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টার স্থাপনের পাশাপাশি ৬৩ জেলায় স্থাপন করা হবে মাইক্রো ডাটা সেন্টার। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের কারিগরি সহায়তায় পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এটি আইন মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) কাছে পাঠানো হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) যাবে। একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন হলে ই-জুডিশিয়ারি চালু করতে এভিডেন্স অ্যাক্ট সংশোধন করবে আইন মন্ত্রণালয়। এরপরই ই-জুডিশিয়ারির প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

সূত্র জানায়, চলমান করোনাভাইরাস সংকটের সময় সারা দেশে ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করতে সম্প্রতি অনলাইন কোর্ট অর্ডিন্যান্স (অধ্যাদেশ) জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই অর্ডিন্যান্স ই-জুডিশিয়ারির একটা অংশ। অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে উচ্চ আদালতসহ সারা দেশের অধস্তন আদালতে গত ১১ মে থেকে চালু হয়েছে ভার্চুয়াল আদালত।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পের কার্যক্রমে ১৮টি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, আইন ও বিচার বিভাগের ডাটা সেন্টার আপগ্রেডেশন এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার স্থাপন, বিচার ব্যবস্থার সব অফিসের জন্য ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) স্থাপন, বিচার ব্যবস্থার জন্য এন্টারপ্রাইজ আর্কিটেকচার উন্নয়ন, এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সফটওয়্যার উন্নয়ন, সুপ্রিম কোর্টের ডাটা সেন্টার আপগ্রেডেশন ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার স্থাপন। প্রকল্পের আওতায় আরও রয়েছে বিচারকদের জন্য দুই হাজারের বেশি ল্যাপটপ/ট্যাব সরবরাহ, আগের মামলার নথিপত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ, ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেমের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ এবং ডিজিটাল ইভিডেন্স রেকর্ডিং, বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম স্থাপন, ই-কোর্ট রুম তৈরির জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধন, বিচার ব্যবস্থার কর্মকর্তাদের ডেস্কটপ কম্পিউটার সরবরাহ এবং বিচার ব্যবস্থা ও মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রদান।

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আইন মন্ত্রণালয় ই-জুডিশিয়ারি সংক্রান্ত একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। শিগগিরই এটি একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

বিচার বিভাগ ডিজিটালাইজেশনের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিচার প্রার্থীদের দুর্ভোগ কমবে। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার ফলে বিচার বিভাগের পাহাড়সম মামলার জট কমবে। সরকারের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি, বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের কাছে বর্তমানে অসহায় হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। এই মহামারিতে ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত প্রায় পাঁচ মাসে ভাইরাসটি প্রাণ কেড়ে নিয়েছে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের। আক্রান্ত হয়েছে এক কোটির বেশি।

কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে অক্সফোর্ডের সম্ভাব্য ভ্যাকসিন সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু গেল সোমবার (২৯ জুন) চীন দাবি করেছে, তারা একটি সফল ভাইরাস আবিষ্কার করেছে। ভাইরাসটি এক বছরের জন্য দেশটির সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে এবার বাংলাদেশেও প্রথম করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে অন্যতম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

বুধবার (০১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, তারা পশুর শরীরে এই ভ্যাকসিনের সফলতা পেয়েছেন। মানবদেহেও এর সফলতা পাওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন তারা।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ দেশের একটি শীর্ষ দৈনিকের অনলাইনে দেয়া বক্তব্যে দাবি বলেন, ‘আসলে আমরা কাজ শুরু করার পর প্রাথমিকভাবে এটা নিয়ে সফল হয়েছি। এনিমেল মডেলে এটা সফল হয়েছে। এখন আমরা আশা করি মানবদেহেও এটা সফলভাবে কাজ করবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে যাব। এরপর তাদের দেওয়া গাইডলাইন অনুযায়ী পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করবো৷’

বিষয়টি নিয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একটি বিবৃতিও দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজ অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩০ জুন) পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৫ হাজার ৭৪৩টি সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স জমা হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জমা হয়েছে ৭৬টি। উক্ত সিকোয়েন্স বায়োইনফরম্যাটিক্স টুলের মাধ্যমে পরীক্ষা করে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড তাদের টিকার টার্গেট নিশ্চিত করে। যা যৌক্তিকভাবে এই ভৌগোলিক অঞ্চলে অধিকতর কার্যকরী হবে বলে আশা করছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, উক্ত টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকোয়েন্স যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজে জমা দিয়েছেন যা ইতিমধ্যেই এনসিবিআই কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রকাশিত হয়েছে।

টিকা আবিষ্কারের বিষয়ে আরও বলা হয়, গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণাগারে আবিষ্কৃত টিকাটির বিশদ বিশ্লেষণের পর ল্যাবরেটরি এনিমেল মডেলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে যথাযথ এন্টিবডি তৈরিতে সন্তোষজনক ফলাফল পেয়েছেন বলে দাবি করছেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এই টিকাটির সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিরীক্ষার লক্ষ্যে আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এই সুরক্ষা ও কার্যকারিতা পরীক্ষায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।’

টিকা আবিষ্কার নিয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের এই ভ্যাকসিনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম) ডা. আয়েশা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের এখনো এমন কিছু জানানো হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী তারা বিষয়টি অফিসিয়ালি চিঠি দিয়ে আমাদের জানাবে। এরপর আমরা সেটা দেখব।
এদিকে, বাংলাদেশে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৭৭৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেল। এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮৮ জন।

বুধবার (০১ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) জানানো হয়েছিল, দেশে ৩ হাজার ৬৮৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়।

ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ৩৮ সদস্যের স্কোয়াড প্রস্তুত বাংলাদেশের

অনুশীলনের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফিট হতে ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ ক্যাম্প প্রয়োজন। এমনটাই মন্তব্য প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাথায় রেখে ৩৮ সদস্যের স্কোয়াড প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতি উন্নতির সাপেক্ষে ক্রিকেটারদের অনুশীলনের ভাবনাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন।

করোনার ভয়াল গ্রাসে গেলো ১৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশের সব ধরনের ক্রিকেট লকডাউনে। প্রায় চার মাস হলো ২২ গর্জের ক্রিকেট চার দেয়ালে বন্ধী। বাংলাদেশের করোনার আক্রান্ত দেড় লাখ ছুইছুই। দিন দিন বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। কিন্তু, বোতল বন্দি ক্রিকেট আর কতো দিন। অন্য দেশগুলো যখন ক্রিকেটে ফিরছে এই মহামারীর মধ্যে। তখন বিসিবি অপেক্ষা করোনার ধার কমার।

নিবার্চকরাও প্রস্তুত দল তৈরি করেছেন আগেই। কিন্তু, ক্যাম্প শুরু হলেই যে ম্যাচ খেলার মতো ফিট থাকবেন ক্রিকেটাররা। এটা কিন্তু, অবাস্তব। তাদের ক্যাম্পে ম্যাচ ফিট করতে লাগবে লম্বা সময়।

এ প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, সাড়ে ৪ মাস ব্যাট বলের সাথে ক্রিকেটারদের কোনো সম্পর্ক নেই। মাঠে নামার জন্য ৪ সপ্তাহের ফিটনেস ক্যাম্প দরকার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরিণত দল বাংলাদেশে গেলো দুই যুগেও এতোটা লম্বা সময় ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলো না। আর যারা ক্রিকেটের স্বপ্ন সারথী তারাও কিন্তু, ক্রিকেট ক্যানভাস ছাড়া জীবনটা ছটফট করছেন। ক্রিকেট বোর্ডের ভাবনায় যখন এসেছে মাঠে খেলা ফেরানোর। তখন কি ভাবছেন খেলোয়াড়রা।

এ প্রসঙ্গে রুবেল হোসেন বলেন, ব্যাপারটিকে আমি পজেটিভলি দেখছি। বোর্ড যেটা ভালো মনে হয় সেটাই সিদ্ধান্ত নেবে। আজ বা কাল আমাদের খেলতেই হবে।

করোনার আগ্রাসনে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৮টি টেস্ট এবং সমান চারটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ স্থগিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্যে যারা করোনা মহামারীতে ইতিপূর্বে ঘোষিত সময়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেনি তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক স্বাক্ষরিত ১১ জুন, ২০২০ খ্রি. তারিখের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে আগামী ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন ২০২০ তারিখের মধ্যে সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ডাউনলোড করতে পারবেন।

উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, নির্ধারিত তারিখের পর প্রবেশপত্র ডাউনলোডের আর কোন সুযোগ থাকবে না।

আমাদের সৌভাগ্য যে শেখ হাসিনার মতো রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা সৌভাগ্যবান যে আমরা শেখ হাসিনার মতো একজন রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছি। দেশের জন্য একজন শেখ হাসিনা দরকার। তার মতো মানুষের থেকে শেখার শেষ নেই।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে থেকে অনেক কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তার স্মৃতিশক্তি অসাধারণ। শুধু তাই নয়, তিনি যে সারা দেশ নিয়ে কিভাবে চিন্তা করেন তা বলে বোঝানো যাবে না।

তিনি বলেন, তিনি যখন বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বসেন, কথা বলেন, তখন বিদেশি বিভিন্ন দেশের প্রধানরা খুব মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনেন। কারণ তারা জানেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো ভিত্তিহীন কথা বলেন না।

মন্ত্রী বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে সমূলে ধ্বংস করে পাকিস্তানিদের দোসরদের রাজনীতি এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কিন্তু তারা জানেন না আদর্শের কোনো মৃত্যু নেই। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে কান্নারও সুযোগ পায়নি মানুষ। অনেকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্য কেউ রাস্তায়ও নামেনি। এটা একেবারেই ভিত্তিহীন। সেদিন রাস্তায় নামার সুযোগ দেয়নি। কারফিউ দিয়ে পাঁচ বছর দেশ চলেছে। সব কিছু উলটপালট হয়ে গেল। পাকিস্তানের আদলে হয়ে গেল বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। এর মধ্যে দেশে ফিরে এলেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন মানুষ কাঁদছে, প্রকৃতি কাঁদছে। সেদিন মনে হয়েছিল বাংলাদেশ ফিরে এসেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে যে কান্নার সুযোগ পায়নি, শেখ হাসিনাকে পেয়ে মানুষ জাতির পিতাকে হারানোর কান্নাটা নতুনভাবে কান্না করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেদিন থেকে সব কিছু বিসর্জন দিয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। শোককে শক্তিতে পরিণত করে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন অসাধারণ গতিতে। পিতার সব স্বপ্ন একে একে বাস্তবায়ন করছেন তিনি। নারীর অংশগ্রহণ শেখ হাসিনার অবদান।

তিনি আরো বলেন, চিরদিনের খাদ্য ঘাটতির দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত করেছেন। এ জন্য তিনি কৃষকজননী হয়েছেন। কৃষিবান্ধব, শিক্ষাবান্ধব, শ্রমিকবান্ধব সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিপ্রেমী একজন প্রধানমন্ত্রী কোথায় পাওয়া যাবে। যার কোনো লোভ নেই, অহংকার নেই। বাবা-মায়ের সংগ্রাম দেখে তিনি ধীরে ধীরে আজ নন্দিত নেতায় পরিণত হয়েছেন। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। আমরা উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার এ স্বপ্ন দেখতে পেরেছি।

দীপু মনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু লেখক হলেও দারুণ জনপ্রিয়তা পেতেন। তিনি যখন লেখেন একেবারে প্রাণ খুলে লেখেনে। বিশ্বের জন্য একজন সুস্থ শেখ হাসিনা কামনা করছি। আমরা সৌভাগ্যবান। আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কারিগরি ও মাদরাসাশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, শেখ হাসিনা বহুমাত্রিক পরিচয়ে অনন্যা। তিনি দায়িত্বশীল মা, স্নেহশীলা বোন। যিনি আমাদের শেখান মানুষের জন্য কিভাবে কাজ করতে হবে। কিভাবে ভালোবাসতে হবে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির কন্যা হিসেবে তিনিও নিজের জীবন মানুষের জন্য উৎসর্গ করছেন। তিনি এ দেশের মানুষের মুক্তি চান। তিনি আমাদের প্রধান শিক্ষক। তিনি আমাদের বাতিঘর।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অবদান বুঝতে হলে আমাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ভিশন বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের একজন সুস্থ শেখ হাসিনার প্রয়োজন। আমরা যত বেশি তার জন্মদিন উদযাপন করতে পারব এ দেশ তত এগিয়ে যাবে।

সংগঠনের সদস্যসচিব সৈয়দ জাফর আলী স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বাঙালির সার্বিক মুক্তির জন্য যার জন্ম হয়েছিল তিনি শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শিক্ষা ক্যাডারে চলমান সংকট তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপুল চন্দ্র সরকার। আলোচনাসভা শেষে শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা ও দোয়া শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পরিবারের কারও লক্ষণ থাকলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা পরীক্ষা হবে

কোনো শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা করোনার সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে ওই শ্রেণির শিক্ষক ও সব শিক্ষার্থীর করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। একই সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে আইসোলেশনে রেখে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনা সংক্রমণ রোধে নতুন করে শিক্ষকদের জন্য চার দফা নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এগুলোসহ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়ে সব সরকারি–বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে মাউশির আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর জন্য একটি গাইডলাইন ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া মনিটরিং চেক লিস্টের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দৈনিক ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হচ্ছে।

এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণ রোধে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। সেগুলো হলো—
১. শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন শিক্ষকেরা।
২. শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ করোনায় আক্রান্ত বা করোনার কোনো লক্ষণ (জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি) আছে কি না, তার খোঁজ নেবেন শিক্ষকেরা।
৩. কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনা বা করোনার লক্ষণ থাকলে দ্রুত সেই শিক্ষার্থীকে আইসোলেশনে রেখে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন শিক্ষকেরা।
৪. প্রতিষ্ঠানপ্রধান ওই শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক ও সব শিক্ষার্থীর দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনা টেস্ট করার ব্যবস্থা নেবেন।

শিক্ষা অধিদপ্তরের সব পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তাঁর আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানানো, বাস্তবায়নে তত্ত্বাবধান এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে মাউশির পক্ষ থেকে।

ডুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৯ সেপ্টেম্বর

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও বি. আর্ক প্রোগ্রামের প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল বুধবার ও পরদিন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ২৯ সেপ্টেম্বর পুরকৌশল বিভাগ, কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ এবং ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৩০ সেপ্টেম্বর যন্ত্রকৌশল বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, স্থাপত্য বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিকেশন ও ইনফরমেশন অফিসার মো. জিয়াউল হক জানান, ভর্তিবিষয়ক যেকোনো তথ্য http://admission.duetbd.org ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

অন্য শ্রেণির মতো জেএসসি-জেডিসির মূল্যায়ন

চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা না হলে অন্য শ্রেণির মতো এসব শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার খুব বেশি সুযোগ থাকছে না বলে মনে হচ্ছে। যদি জেএসসি-জেডিসি না হয়, তাহলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অন্যান্য শ্রেণির মতো সমাপনী পরীক্ষা দিতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলবে। তবে সম্ভবত তাদেরও তাই (পাবলিক পরীক্ষার মতো না নেওয়া) হবে।

বন অধিদপ্তরে ২ বছরের অভিজ্ঞতায় চাকরি, আবেদন ফি ২০০

বন অধিদপ্তর শূন্য পদে নিয়োগের আবেদন চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর।
পদের সংখ্যা: ১টি।
চাকরির গ্রেড: ১৬
সাকল্যে বেতন: ১৭,০৫৪ টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদনের জন্য এইচএসসি পাস হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: ২ বছর।
আবেদন ফি: ২০০ টাকা।

বয়স
এ বছরের ৩১ আগস্ট প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা
বন সংরক্ষক, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল, ৬ষ্ঠ তলা, বন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার যথাযথ নয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার যথাযথ নয় বলে মন্তব্য করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণ নাম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দাপ্তরিক ও অন্যান্য প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ নাম ব্যবহার না করে সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করছে। এ ধরনের কার্যক্রম যথাযথ নয়।

অধিদপ্তর আরও বলছে, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে সব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ নাম ব্যবহার করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরো নাম ব্যবহার না করে সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করে দাপ্তরিক কাজ করে থাকে। এতে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়। এ জন্যই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরো নাম ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।

কাল থেকে কারিগরি শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে। আগামী ০৮ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ায় এসব শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি-বেসরকারি ডিপ্লোমা স্তরের প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালক প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা স্তরের সকল শিক্ষাক্রমের ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের পর্ব সমাপনী পরীক্ষা আগামী ০৮ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।

এজন্য সকল ডিপ্লোমা পর্যায়ের ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ১ম ও ২য় শিফটের শিক্ষার্থীদের আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস শুরু হবে।

এতে আরও বলা হয়, এসব শিফটের শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাস এবং অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নির্দিষ্ট তারিখ থেকে সশরীরে শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি, আবেদন ফি ১২০০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ শিক্ষক পদে চাকরির জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ১২০০ টাকা।

পদের বিবরণ
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ: সহকারী অধ্যাপক/ প্রভাষক। সহকারী অধ্যাপক পদে একজন এবং প্রভাষক পদে দুইজন নেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ

বিস্তারিত তথ্য: আবেদনপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতাসহ নিয়োগের বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.bsmrstu.edu.bd থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২১।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনা সংক্রমণ রোধে ৪ দফা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) করোনা সংক্রমণ রোধে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে মাউশির আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুনরায় শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুকরণের জন্য একটি গাইডলাইন ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) জারি করা হয়েছে। এছাড়া মনিটরিং চেক লিস্টের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দৈনিক ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি-

১) সব শিক্ষক শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে খোঁজ-খবর নেবেন।

২) শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ করোনা আক্রান্ত বা করোনার কোনো লক্ষণ (জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি) আছে কিনা তার খোঁজ নেবেন।

৩) কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনা বা করোনার লক্ষণাক্রান্ত হয়ে থাকলে দ্রুত সেই শিক্ষার্থীকে আইসোলেশনে রেখে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

৪) প্রতিষ্ঠান প্রধান ওই শ্রেণি কক্ষের শিক্ষক ও সব শিক্ষার্থীর দ্রুততম সময়ের মধ্যে করোনা টেস্ট করার ব্যবস্থা নেবেন।

এমতাবস্থায় অধিদপ্তরের সব পরিচালক, উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তার আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবহিতকরণ, বাস্তবায়নে তত্ত্বাবধান এবং সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং) প্রফেসর মো. আমির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো হয়েছে।

‘এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা হচ্ছে না’

এ বছর অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তের পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলেও অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা নিয়ে এতোদিন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে শিক্ষাবোর্ডগুলোও এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পায়নি। তবে আজ এ বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

সাধারণত জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা বছরের নভেম্বর মাসে হয়ে থাকে। আর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষাগুলো হয় ডিসেম্বর মাসে। করোনা সংক্রমণের দেড় বছর বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। আগামী ১৪ নভেম্বর এসএসসি ও ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করে গত ২৭ সেপ্টেম্বর রুটিন অনুমোদনও দেওয়া হয়।

পরীক্ষার সূচির বিশেষ নির্দশনায় বলা হয়, কোডিড-১৯ অতিমারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এমসিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

গ্রন্থাগার ব্যবহারের সময় বাড়াল ঢাবি

দীর্ঘ দেড় বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ও বিজ্ঞান লাইব্রেরি খুলে দেওয়া হয়েছে। শুরুর দিকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত লাইব্রেরি ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গ্রন্থাগার ব্যবহারের সময় বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারবে। আগামীকাল বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে এটি কার্যকর হবে। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ও বিজ্ঞান গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষগুলো সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শুক্র, শনিবার বন্ধ থাকবে। এ নির্দেশনা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. মো. নাসিরউদ্দিন মুন্সী বলেন, লাইব্রেরি খোলার দুদিনের মাথায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমরা সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছি। আমরা ধীরে ধীরে আগের সময়সূচিতে ফিরে আসবো শীঘ্রই।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার্থীরাই বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপায়ন-ওভারটাইম ভাতা বেড়েছে: ইউজিসি

করোনাভাইরাসের বন্ধে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপায়ন-ওভারটাইম ভাতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অধ্যাপক তাহের বলেন, করোনা সময়ে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এ বন্ধে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপায়ন ও ওভারটাইম ভাতা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে; যা অনভিপ্রেত।

তিনি বলেন, কমিশন উৎপাদনশীল খাত যেমন গবেষণা, ল্যাব উন্নয়ন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হবে। কমিশন সব সময় অনুৎপাদনশীল খাতে বাজেট বরাদ্দ নিরুৎসাহিত করে আসছে।

কর্মশালায় কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও ইউজিসি সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর বিধি বিধান মেনে বেতন-ভাতা প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ব্যক্তিকে উচ্চতর স্কেলে বেতন দেওয়া হচ্ছে। এতে আর্থিক বিধি-বিধানের ব্যত্যয় ঘটছে।