The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

৯৮ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর পাস: প্রমান হলো বয়স একটি সংখ্যা মাত্র

বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৯৮ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর পাস করলেন ইতালির এক ব্যক্তি। রয়টার্সের খবর অনুযায়ী জিউসেপ্পে প্যাটার্নো নামের ওই ব্যক্তিকে এখন ইতালির সবচেয়ে বয়স্ক শিক্ষার্থী বলা হচ্ছে।

সম্প্রতি ইতালির ইউনিভার্সিটি অব পালের্মো থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন জিউসেপ্পে প্যাটার্নো। তার বিষয় ছিল ইতিহাস ও দর্শন। দুই বছর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। স্নাতক পাস করার সময়ও তিনি একবার ইতালির সবচেয়ে বয়স্ক শিক্ষার্থীর উপাধি পান। পূণরায় নিজের শিক্ষাজীবনে নতুন আরেকটি মাইলফলক যুক্ত করলেন শতবর্ষে পা দিতে যাওয়া জিউসেপ্পে।

জিউসেপ্পে প্যাটার্নোর এমন অসাধারণ অর্জনে তার পরিবার গর্বিত। পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে একটি পোস্ট করা হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, ৯৮ বছর বয়সেও ব্যাচের মধ্যে সর্বাধিক নম্বর পেয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন জিউসেপ্পে।

তার পরিবার জানায়, এই বয়সেও নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করছেন জিউসেপ্পে। তিনি ভীষণ পরিশ্রম করতে পারেন এবং তার বিশ্রামের কোনো পরিকল্পনা নেই। স্নাতকোত্তর শেষ করার পর নতুন এক পরিকল্পনা করেছেন জিউসেপ্পে। তিনি তার বিশ্বস্ত টাইপরাইটার ব্যবহার করে একটি উপন্যাস লিখতে চান।

১৯২৩ সালে সিসিলির একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিউসেপ্পে। শৈশব থেকেই পড়াশোনা করতে পছন্দ করতেন তিনি। কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তরুণ বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীতে যোগ দেন জিউসেপ্পে। তখন তার বয়স ছিলো ২০ বছর। এরপর দীর্ঘদিন তিনি রেলওয়ে কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. উদ্যোক্তা ও সফলতার গল্প
  3. ৯৮ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর পাস: প্রমান হলো বয়স একটি সংখ্যা মাত্র

৯৮ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর পাস: প্রমান হলো বয়স একটি সংখ্যা মাত্র

বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৯৮ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর পাস করলেন ইতালির এক ব্যক্তি। রয়টার্সের খবর অনুযায়ী জিউসেপ্পে প্যাটার্নো নামের ওই ব্যক্তিকে এখন ইতালির সবচেয়ে বয়স্ক শিক্ষার্থী বলা হচ্ছে।

সম্প্রতি ইতালির ইউনিভার্সিটি অব পালের্মো থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন জিউসেপ্পে প্যাটার্নো। তার বিষয় ছিল ইতিহাস ও দর্শন। দুই বছর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। স্নাতক পাস করার সময়ও তিনি একবার ইতালির সবচেয়ে বয়স্ক শিক্ষার্থীর উপাধি পান। পূণরায় নিজের শিক্ষাজীবনে নতুন আরেকটি মাইলফলক যুক্ত করলেন শতবর্ষে পা দিতে যাওয়া জিউসেপ্পে।

জিউসেপ্পে প্যাটার্নোর এমন অসাধারণ অর্জনে তার পরিবার গর্বিত। পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে একটি পোস্ট করা হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, ৯৮ বছর বয়সেও ব্যাচের মধ্যে সর্বাধিক নম্বর পেয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন জিউসেপ্পে।

তার পরিবার জানায়, এই বয়সেও নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করছেন জিউসেপ্পে। তিনি ভীষণ পরিশ্রম করতে পারেন এবং তার বিশ্রামের কোনো পরিকল্পনা নেই। স্নাতকোত্তর শেষ করার পর নতুন এক পরিকল্পনা করেছেন জিউসেপ্পে। তিনি তার বিশ্বস্ত টাইপরাইটার ব্যবহার করে একটি উপন্যাস লিখতে চান।

১৯২৩ সালে সিসিলির একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিউসেপ্পে। শৈশব থেকেই পড়াশোনা করতে পছন্দ করতেন তিনি। কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তরুণ বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীতে যোগ দেন জিউসেপ্পে। তখন তার বয়স ছিলো ২০ বছর। এরপর দীর্ঘদিন তিনি রেলওয়ে কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন