The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বাংলা বিভাগের উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে পিঠা উৎসবের আয়োজন

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি: “ঐতিহ্যের উচ্ছ্বাসে জমবে মেলা, পিঠা উৎসব সারাবেলা”

উক্ত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলা বিভাগ কতৃক বাঙালির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে বিচিত্র মজাদার পিঠার প্রদর্শনী, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে  গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল দশটার দিকে বাংলা বিভাগের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা মুক্তার নেতৃত্বে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে পিঠা উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে মন্দির সংলগ্ন মাঠে গিয়ে শেষ হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কিউ এম মাহবুব উৎসব উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কামরুজ্জামান,বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক শামীমা আক্তার, তন্বী সাহা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

পিঠা উৎসবের মধ্য দিয়ে সারাদিন-ব্যাপি  আয়োজনে মেতে উঠেছিল পুরো বিশ্ববিদ্যালয়।বাংলা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা স্টল সাজিয়ে পিঠা প্রদর্শন করে। এসময় বিভিন্ন ধরনের পিঠার সমাগমে পিঠার উৎসবে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা।স্টলে বিভিন্ন ধরনের পিঠা লক্ষ্য করা যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তক্তি, নকশি পিঠা, ডিমের পুডিং,চিতই, ভাপা, পুলি,পাটি সাপটা,নাড়ু ঝাল চন্দ্রকোনা, চন্দনকুলি, দুধ খেঁজুর, নারকেলের চিড়া, রসপান,গোকুল পিঠাসহ হরেক রকমের রসালো।

এ প্রসঙ্গে বাংলা বিভাগের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন,বাঙালির চিরচারিত প্রথা শীতকালিন পিঠা উৎসব।আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাঙালি নিজস্ব সংস্কৃতি ভুলতে বসেছে।পিঠা উৎসবের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন।

বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রমা প্রামানিক বলেন,বাঙালির পিঠা উৎসবের সংস্কৃতি ধরে রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই পিঠা উৎসবের আয়োজন।

উল্লেখ্য, বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় প্রতি বছরই পিঠা উৎসব এর আয়োজন করে আসছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. বাংলা বিভাগের উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে পিঠা উৎসবের আয়োজন

বাংলা বিভাগের উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে পিঠা উৎসবের আয়োজন

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি: "ঐতিহ্যের উচ্ছ্বাসে জমবে মেলা, পিঠা উৎসব সারাবেলা"

উক্ত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলা বিভাগ কতৃক বাঙালির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে বিচিত্র মজাদার পিঠার প্রদর্শনী, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে  গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল দশটার দিকে বাংলা বিভাগের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা মুক্তার নেতৃত্বে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে পিঠা উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে মন্দির সংলগ্ন মাঠে গিয়ে শেষ হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কিউ এম মাহবুব উৎসব উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কামরুজ্জামান,বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক শামীমা আক্তার, তন্বী সাহা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

পিঠা উৎসবের মধ্য দিয়ে সারাদিন-ব্যাপি  আয়োজনে মেতে উঠেছিল পুরো বিশ্ববিদ্যালয়।বাংলা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা স্টল সাজিয়ে পিঠা প্রদর্শন করে। এসময় বিভিন্ন ধরনের পিঠার সমাগমে পিঠার উৎসবে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা।স্টলে বিভিন্ন ধরনের পিঠা লক্ষ্য করা যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তক্তি, নকশি পিঠা, ডিমের পুডিং,চিতই, ভাপা, পুলি,পাটি সাপটা,নাড়ু ঝাল চন্দ্রকোনা, চন্দনকুলি, দুধ খেঁজুর, নারকেলের চিড়া, রসপান,গোকুল পিঠাসহ হরেক রকমের রসালো।

এ প্রসঙ্গে বাংলা বিভাগের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন,বাঙালির চিরচারিত প্রথা শীতকালিন পিঠা উৎসব।আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাঙালি নিজস্ব সংস্কৃতি ভুলতে বসেছে।পিঠা উৎসবের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন।

বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রমা প্রামানিক বলেন,বাঙালির পিঠা উৎসবের সংস্কৃতি ধরে রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই পিঠা উৎসবের আয়োজন।

উল্লেখ্য, বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় প্রতি বছরই পিঠা উৎসব এর আয়োজন করে আসছে।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন