The Rising Campus
News Media
শুক্রবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩

সৈকতে বছর শেষে থাকছে না কোন আয়োজন, হতাশ পর্যটক

তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতের কোথাও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে পাবলিক প্লেসে বড় কোন উদযাপনে পুলিশ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন সৈকতে ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা। পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে সৈকত ভ্রমণে আসেন নিলফামারী সৈয়দপুর কৃষকলীগ নেতা তুহিন চৌধুরী সবুজ বলেন, পাঁচ বছর আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সৈকত এলাকার পাঁচতারকা হোটেল লংবীচ এ থেকেছিলেন তিনি। তখন হোটেলের সামনের সৈকতে নেমে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সঙ্গে থার্টি–ফাস্ট নাইট উদযাপন করেন। হোটেলেও ব্যান্ডসংগীতের আয়োজন ছিল। এবারও ছয় দিনের সফরে এসে ওঠেন একই হোটেলে। কিন্তু হোটেল এবং সমুদ্রসৈকতে বর্ষবিদায় এবং বর্ষবরণের কোনো আয়োজন নেই দেখে অবাক হতে হলো।

হোটেল লংবীচ কক্ষ আছে ১৯৬টি। আজ শুক্রবার সব কটি কক্ষে অতিথি আছেন জানিয়েছেন হোটেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, এবারও থার্টি–ফাস্ট নাইটের কোনো আয়োজন হোটেলে রাখা হয়নি।

আরও কয়েকজন পর্যটক বলেন, ভ্রমণে আসা কমবেশি সবার ইচ্ছে ছিল, সৈকতের বালুচরে দাঁড়িয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে পুরোনো ২০২২ সালকে বিদায় এবং নতুন বছর ২০২৩ সালকে বরণ করার। এ সময় আতশবাজি ঝলকানি এবং ফানুসের আলোয় ঝলমলে হতো অন্ধকার আকাশ। আগেও তিন চার লাখ মানুষের উপস্থিতিতে থার্টি–ফাস্ট নাইটের উৎসব হয়েছে। তখন নাশকতা, বোমা হামলার চিন্তা কারও মাথায় ছিল না।কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সৈকতের উন্মুক্ত স্থানে থার্টি–ফাস্ট নাইট উপলক্ষে কনসার্ট, গান বাজনাসহ সব ধরনের আয়োজন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ চাইলে তাদের অতিথিদের জন্য নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেটি বিবেচনা করা হবে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সহকারী চৌধুরী মিজানুর জামান বলেন, কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতের কোথাও আতশবাজি, ফটকা ফোটানোসহ গান-বাজনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা ব্যান্ডসংগীতের আয়োজন করতে পারবে না কেউ। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় বালুচরে দাঁড়িয়ে সমুদ্র উপভোগ করা যাবে। বিধিনিষেধ পালনে টুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।

8
You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. হোম
  2. জাতীয়
  3. সৈকতে বছর শেষে থাকছে না কোন আয়োজন, হতাশ পর্যটক

সৈকতে বছর শেষে থাকছে না কোন আয়োজন, হতাশ পর্যটক

তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতের কোথাও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে পাবলিক প্লেসে বড় কোন উদযাপনে পুলিশ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন সৈকতে ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা। পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে সৈকত ভ্রমণে আসেন নিলফামারী সৈয়দপুর কৃষকলীগ নেতা তুহিন চৌধুরী সবুজ বলেন, পাঁচ বছর আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সৈকত এলাকার পাঁচতারকা হোটেল লংবীচ এ থেকেছিলেন তিনি। তখন হোটেলের সামনের সৈকতে নেমে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সঙ্গে থার্টি–ফাস্ট নাইট উদযাপন করেন। হোটেলেও ব্যান্ডসংগীতের আয়োজন ছিল। এবারও ছয় দিনের সফরে এসে ওঠেন একই হোটেলে। কিন্তু হোটেল এবং সমুদ্রসৈকতে বর্ষবিদায় এবং বর্ষবরণের কোনো আয়োজন নেই দেখে অবাক হতে হলো।

হোটেল লংবীচ কক্ষ আছে ১৯৬টি। আজ শুক্রবার সব কটি কক্ষে অতিথি আছেন জানিয়েছেন হোটেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, এবারও থার্টি–ফাস্ট নাইটের কোনো আয়োজন হোটেলে রাখা হয়নি।

আরও কয়েকজন পর্যটক বলেন, ভ্রমণে আসা কমবেশি সবার ইচ্ছে ছিল, সৈকতের বালুচরে দাঁড়িয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে পুরোনো ২০২২ সালকে বিদায় এবং নতুন বছর ২০২৩ সালকে বরণ করার। এ সময় আতশবাজি ঝলকানি এবং ফানুসের আলোয় ঝলমলে হতো অন্ধকার আকাশ। আগেও তিন চার লাখ মানুষের উপস্থিতিতে থার্টি–ফাস্ট নাইটের উৎসব হয়েছে। তখন নাশকতা, বোমা হামলার চিন্তা কারও মাথায় ছিল না।কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সৈকতের উন্মুক্ত স্থানে থার্টি–ফাস্ট নাইট উপলক্ষে কনসার্ট, গান বাজনাসহ সব ধরনের আয়োজন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ চাইলে তাদের অতিথিদের জন্য নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেটি বিবেচনা করা হবে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সহকারী চৌধুরী মিজানুর জামান বলেন, কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতের কোথাও আতশবাজি, ফটকা ফোটানোসহ গান-বাজনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা ব্যান্ডসংগীতের আয়োজন করতে পারবে না কেউ। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় বালুচরে দাঁড়িয়ে সমুদ্র উপভোগ করা যাবে। বিধিনিষেধ পালনে টুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন