The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪

সিজিপিএ–৪ এ ৪ অর্জন, পেয়েছেন স্বর্ণপদক

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো ২ মার্চ। ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী সামিয়া বিনতে হাসান স্নাতকে ৪–এ ৩.৯৯ এবং স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ–৪ পেয়েছেন। তার এমন অসামান্য কৃতিত্বের জন্য সমাবর্তনে স্বর্ণপদকে ভুষিত করা হয়েছে ।

ইতোপূর্বে ২১তম সমাবর্তনেও সামিয়া স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন কারণ স্নাতকে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৯৯৩। যা ছিল সর্বোচ্চ। সামিয়া ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে এবং সেখানেও সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সিজিপিএ-৪ এর মধ্যে ৪ পেয়েছেন।

সামিয়া বলেন,  সিজিপিএ–৪ পাওয়া অবশ্যই অনেক কঠিন, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি ধৈর্য ধরে এগোলে সবকিছুই সম্ভব। প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়েছি। এ কারণেই সম্ভবত কঠিন কাজটা সহজ হয়ে গেছে। কখনোই এক দিনের পড়া আরেক দিনের জন্য ফেলে রাখতাম না। ফলে পরীক্ষার আগের দিন রিভিশন দিলেই আমার প্রস্তুতি হয়ে যেত।

সামিয়া আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অনেক বেশি সহযোগিতা করেন। শিক্ষার্থীদের দিকে খেয়াল রাখেন। গবেষণার সঙ্গে আমাদের যুক্ত করতে চেষ্টা করেন, যেটা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগও অনেক বেশি। আমি নিজেই বিএসসি এবং এমএস—দুটিই বৃত্তি নিয়ে শেষ করেছি।

ঢাকার মেয়ে সামিয়া বিনতে হাসান এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করেন ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে। বর্তমানে তিনি প্রভাষক হিসেবে শিক্ষাকতা পেষায় যুক্ত হতে চেষ্টা করছেন বলে জানান। পাশাপাশি পিএইচডির জন্যও চেষ্টা করছেন।

সামিয়ার ইচ্ছা আছে দেশের বাইরে একটা ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেটা সায়েন্সের ওপর উচ্চতর শিক্ষা নেওয়ার। পিএইচডি শেষ হলে দেশে ফিরে শিক্ষক হয়ে শিক্ষা খাতে অবদান রাখতে চান তিনি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. উদ্যোক্তা ও সফলতার গল্প
  3. সিজিপিএ–৪ এ ৪ অর্জন, পেয়েছেন স্বর্ণপদক

সিজিপিএ–৪ এ ৪ অর্জন, পেয়েছেন স্বর্ণপদক

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো ২ মার্চ। ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী সামিয়া বিনতে হাসান স্নাতকে ৪–এ ৩.৯৯ এবং স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ–৪ পেয়েছেন। তার এমন অসামান্য কৃতিত্বের জন্য সমাবর্তনে স্বর্ণপদকে ভুষিত করা হয়েছে ।

ইতোপূর্বে ২১তম সমাবর্তনেও সামিয়া স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন কারণ স্নাতকে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৯৯৩। যা ছিল সর্বোচ্চ। সামিয়া ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে এবং সেখানেও সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সিজিপিএ-৪ এর মধ্যে ৪ পেয়েছেন।

সামিয়া বলেন,  সিজিপিএ–৪ পাওয়া অবশ্যই অনেক কঠিন, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি ধৈর্য ধরে এগোলে সবকিছুই সম্ভব। প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়েছি। এ কারণেই সম্ভবত কঠিন কাজটা সহজ হয়ে গেছে। কখনোই এক দিনের পড়া আরেক দিনের জন্য ফেলে রাখতাম না। ফলে পরীক্ষার আগের দিন রিভিশন দিলেই আমার প্রস্তুতি হয়ে যেত।

সামিয়া আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অনেক বেশি সহযোগিতা করেন। শিক্ষার্থীদের দিকে খেয়াল রাখেন। গবেষণার সঙ্গে আমাদের যুক্ত করতে চেষ্টা করেন, যেটা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগও অনেক বেশি। আমি নিজেই বিএসসি এবং এমএস—দুটিই বৃত্তি নিয়ে শেষ করেছি।

ঢাকার মেয়ে সামিয়া বিনতে হাসান এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করেন ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে। বর্তমানে তিনি প্রভাষক হিসেবে শিক্ষাকতা পেষায় যুক্ত হতে চেষ্টা করছেন বলে জানান। পাশাপাশি পিএইচডির জন্যও চেষ্টা করছেন।

সামিয়ার ইচ্ছা আছে দেশের বাইরে একটা ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেটা সায়েন্সের ওপর উচ্চতর শিক্ষা নেওয়ার। পিএইচডি শেষ হলে দেশে ফিরে শিক্ষক হয়ে শিক্ষা খাতে অবদান রাখতে চান তিনি।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন