The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ২৪শে জুন, ২০২৪

সর্বজনীন পেনশন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে হাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

হাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ গত ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে “সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩” পাস হয়।অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে বিলটি উথ্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ই আগস্ট ২০২৩ ইং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন স্কিমের শুভ উদ্বোধন করেন।

গত ১৩ মার্চ, ২০২৪ ইং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে (সর্বজনীন স্কীম বিধিমালা ২০২৩ এর সংশোধনী) শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কীমের ‘প্রত্যয় স্কীম’ চালু করেন। উক্ত স্কীম অনুযায়ী , “যেসকল শিক্ষক ১ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ ও এর পরে চাকরিতে নতুন যোগদান করবেন,তাঁদের জন্য প্রত্যয় স্কিম বাধ্যতামূলক হবে এবং সেসকল শিক্ষক অবসর সুবিধা পাবেন না।”

সোমবার (১৩মে, ২০২৪ ইং) সকাল ১১টায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে গণপ্রজাতন্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার প্রজ্ঞাপন বাতিল ও স্বতন্ত্র স্কেলের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয় হাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি।

উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে হাবিপ্রবি গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শ্রীপতি সিকদার বলেন, “সার্বজনীন পেনশন স্কিম শিক্ষকদের জন্য চরম বৈষম্যমূলক। এধরনের স্কিম অতীতে কখনো ছিলো না। শিক্ষাখাতকে ধ্বংস করে, শিক্ষকদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়ে আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা করার এই নীল নকশা আমরা প্রত্যাখান করছি।”

এসময় হাবিপ্রবি প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. বলরাম রায় বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইশতেহারে ছিলো সার্বজনীন পেনশন স্কিমের প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এই পেনশন স্কিম শিক্ষকদের জন্য একটি চরম বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকতা পেশাকে গ্রেড-১ এর মর্যাদা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি স্বতন্ত্র বেতন স্কেল দেওয়া হোক।”

হাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সার্বজনীন পেনশন স্কিম ছিলো নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য। যার মাধ্যমে দেশের নিম্ন আয়ের মানুষেরা পেনশন সুবিধার সাথে যুক্ত হতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই স্কিমের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি বৈষম্যের সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপার গ্রেড পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।”

এছাড়াও হাবিপ্রবি গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাহিমা খানম বলেন, “বর্তমান সময়ে যেখানে আমরা সুন্দর জাতি গড়ব, সেখানে কি না আমাদেরকে বৈষম্যমূলক পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। ” এছাড়াও তিনি পূর্বের পেনশন স্কেল বহাল থাকার ও স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবী জানান।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষক সমিতি উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মো: আরিফ হাসান সাব্বির/

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.