The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
রবিবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির অনুরোধে গুচ্ছে থাকছে ইবি

নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির অনুরোধে আবারও গুচ্ছে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে ইউজিসির কনফারেন্স রুমে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময় গুচ্ছ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো শিক্ষক সমিতি। পরে ভর্তি পরীক্ষার জটিলতা এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিরসনের আশ্বাসে গুচ্ছে যায় ইবি। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার পর আরো বহুগুণে জটিলতা, ভোগান্তি, দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়। এমনকি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েও অর্ধশতাধিক আসন খালি রেখে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হয়। যার ফলে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম, বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ ও সাদা দল এবং জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন গ্রীণ ফোরামের সাথে পৃথকভাবে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আলোচনায় শিক্ষক সংগঠনগুলো গুচ্ছের বিপক্ষে মতামত পেশ করেন। ফলে রবিবার (১৯ মার্চ) একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে না থাকার সিদ্ধান্ত জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, এ বিষয়টা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখছি। একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তো তিনি পরীক্ষা নিতে পারবেননা। একাডেমিক কাউন্সিলের আলোচনা করেই উপাচার্য ওখানে গেছেন। এখন ওখানে কি আলোচনা হয়েছে আমরা জানিনা তিনি এসে আমাদেরকে সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানালে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।তবে এখন পর্যন্ত আমরা একই সিদ্ধান্তের উপর আছি।

এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলে তাঁর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির অনুরোধে গুচ্ছে থাকছে ইবি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির অনুরোধে গুচ্ছে থাকছে ইবি

নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির অনুরোধে আবারও গুচ্ছে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে ইউজিসির কনফারেন্স রুমে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময় গুচ্ছ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো শিক্ষক সমিতি। পরে ভর্তি পরীক্ষার জটিলতা এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিরসনের আশ্বাসে গুচ্ছে যায় ইবি। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার পর আরো বহুগুণে জটিলতা, ভোগান্তি, দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়। এমনকি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েও অর্ধশতাধিক আসন খালি রেখে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হয়। যার ফলে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম, বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ ও সাদা দল এবং জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন গ্রীণ ফোরামের সাথে পৃথকভাবে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আলোচনায় শিক্ষক সংগঠনগুলো গুচ্ছের বিপক্ষে মতামত পেশ করেন। ফলে রবিবার (১৯ মার্চ) একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে না থাকার সিদ্ধান্ত জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, এ বিষয়টা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখছি। একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তো তিনি পরীক্ষা নিতে পারবেননা। একাডেমিক কাউন্সিলের আলোচনা করেই উপাচার্য ওখানে গেছেন। এখন ওখানে কি আলোচনা হয়েছে আমরা জানিনা তিনি এসে আমাদেরকে সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানালে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।তবে এখন পর্যন্ত আমরা একই সিদ্ধান্তের উপর আছি।

এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলে তাঁর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন