শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না। সে কারণে টিকা কার্যক্রমের উপর বেশি জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে এর আওতায় প্রাথমিকস্তরের শিক্ষার্থীদের আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শনিবার রাজধানীর একটি কলেজের রজতজয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গত দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছে। নতুন করে আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না সরকার। এ কারণে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রমের উপর বেশী গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১২ বছর বয়স থেকে ভ্যাক্সিনেশন এর আওতায় শিক্ষার্থীদের আনা সম্ভব হলেও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে তাদের নিয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন করে করোনা পরিস্থিতি বেড়ে গেলে সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারো বন্ধ করে দিলে কতদিনে আবার সচল করা সম্ভব হবে তা অনিশ্চিত। সে কারণে আমরা চাই ভ্যাকসিনেশনের আওতায় শিক্ষার্থীদেরকে এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চালিয়ে যেতে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছিলো করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে বন্ধ করা হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীসহ সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারটি নিশ্চিত করতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে বলেই জানিয়েছিলো খোদ শিক্ষামন্ত্রী নিজে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম হবে দক্ষতা নির্ভর। শুধুমাত্র পরীক্ষা নির্ভর ও সনদ সর্বস্ব শিক্ষা নয়, শিক্ষা হতে হবে দক্ষতা নির্ভর। যা শিখছি তা যেন আমরা প্রয়োগ করতে পারি। শিখলাম, পরীক্ষা দিলাম, ভুলে গেলাম, এতে কোনো লাভ নেই। আমাদের সমস্যা সমাধান করতে শিখতে হবে, তার সঙ্গে সততা, মানবিকতা ও দেশপ্রেম থাকতে হবে। না হলে অর্জিত শিক্ষার কোনো মূল্য থাকবে না। দারিদ্র যেন কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাড়ায়।