The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রবিবার (২৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের নজরুল ইসলাম বাবুর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবৈধ ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে সাথে সাথে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

‘‘এ বিষয়ে সরকার সবসময় সজাগ ও তৎপর। কোনও ছাত্র সংগঠন দেশের প্রচলিত আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালিত করতে পারে না।’’

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। নজরুল ইসলাম বাবু তার প্রশ্নে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকার কোনও পদক্ষেপ নেবে কী না তা জানতে চান।

এ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী সংবিধানের ২(ক), ৮(১) ও ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্ম, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি ও ধর্ম নিরপেক্ষতার নীতি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত ধারাগুলো তুলে ধরেন।

ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সনাতন পদ্ধতির কারিকুলাম/সিলেবাসের পরিবর্তে ফলভিক্তিক কারিকুলাম (Out Based Education (OBE) Curriculum) প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ৩১ অক্টোবর ২০২২ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে অ্যাক্রেডিটেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে। সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফি কাঠামো সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা চলমান রয়েছে।

সরকারি দলের এবাদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময় (২০০৯-২০২২) পর্যন্ত এক লাখ ১৪ হাজার জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৬ হাজার ৬১ কোটি টাকা অবসর সুবিধা দেওয়া হয়েছে। জুন ২০১৯ পর্যন্ত জমাকৃত আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ৩২ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য তিন হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.