The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শনিবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪

রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল, রায় কার্যকরে বাধা নেই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় আসামিদের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) খারিজের রায় প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (৩ মার্চ) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আট সদস্যের আপিল বেঞ্চ স্বাক্ষরের পর ২১ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশিত হয়। এর ফলে এ মামলার আসামি শিক্ষক মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। তারা এখন শুধু রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ পাবেন।

২০০৬ সালে অধ্যাপক তাহের নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন। ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে হত্যাকান্ডের শিকার হন তিনি। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি নিহত অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ও দুইজনকে খালাস দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নিহত অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর আলমের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের সম্বন্ধী আব্দুস সালাম।

খালাসপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী।

২০০৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল আবেদন করেন। শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল, রায় কার্যকরে বাধা নেই

রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল, রায় কার্যকরে বাধা নেই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় আসামিদের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) খারিজের রায় প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (৩ মার্চ) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আট সদস্যের আপিল বেঞ্চ স্বাক্ষরের পর ২১ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশিত হয়। এর ফলে এ মামলার আসামি শিক্ষক মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। তারা এখন শুধু রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ পাবেন।

২০০৬ সালে অধ্যাপক তাহের নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন। ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে হত্যাকান্ডের শিকার হন তিনি। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি নিহত অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ও দুইজনকে খালাস দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নিহত অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর আলমের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের সম্বন্ধী আব্দুস সালাম।

খালাসপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী।

২০০৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল আবেদন করেন। শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন