The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪

রাজশাহীতে পথশিশুদের মাঝে ইউনিস্যাবের নতুন জামা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

রাবি প্রতিনিধি: ইদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে রাজশাহী নগরীর সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে ইউনিস্যাব রাজশাহী ডিভিশন। ‘ইদ ফর স্ট্রিট চিল্ড্রেন-২০২৩’ নামকরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নগরীর প্রায় ১০০ পথশিশুর মাঝে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ইদের নতুন জামা বিতরণ করেছে সংগঠনটি। সেই সাথে শিশুদের পরিবারের জন্য ইদসামগ্রী ও তাদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জহুরুল আনিস। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. তানজিল ভূঁইয়া, ইউনিস্যাবের অ্যালামনাই সদস্য সুমাইয়া ইসলাম উর্মি ও আজওয়াদ আমিন তাকি।

বিকেল ৪টায় সহকারী অধ্যাপক মো. জহুরুল আনিস শিশুদের মাঝে নতুন জামা ও ইদ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন। ইদের নতুন জামা পেয়ে শিশুদের মনে যেন খুশির জোয়ার। তাদের খুশি দেখে ইউনিস্যাবের স্বেচ্ছাসেবীরাও সামনে আরো কাজ করার প্রতি উৎসাহ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক স্বেচ্ছাসেবী।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক জহুরুল আনিস বলেন, ইউনিস্যাবের কাজগুলো সবসময় প্রশংসনীয়। ইউনিস্যাব তার স্বেচ্ছাসেবীদের শুধু দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে না বরং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টিও উপলব্ধি করতে শেখায়। তারই বড় প্রমাণ এই আয়োজন। যেখানে স্বেচ্ছাসেবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে আজ এই শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছে। যত দিন যাচ্ছে ইউনিস্যাব তাদের কাজের বিস্তার ঘটাচ্ছে। সামনে সুযোগ পেলে তিনিও ইউনিস্যাবের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক তানজিল ভূঁইয়া বলেন, সত্যিই এটা একটা মহৎ কাজ। সামনে এধরনের কাজ সব সময় করে যাওয়ার জন্য ইউনিস্যাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সর্বদা পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। এছাড়া ইউনিস্যাবের অ্যালামনাই সদস্যরাও শিশুদের মুখে হাসি দেখে ইউনিস্যাবের বর্তমান স্বেচ্ছাসেবীদের বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অ্যালামনাই সদস্য সুমাইয়া ইসলাম উর্মি বলেন, আমি এমন একটা প্রোগ্রামে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই সমাজে সকল শিশুর মাঝে সমঅধীকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে হবে। কোনো শিশুও যেন আনন্দ উৎযাপনে বাদ না পড়ে সেদিকে আমাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রোগ্রামের শেষের দিকে ইউনিস্যাব রাজশাহী ডিভিশনের রিজিওনাল সেক্রেটারি অনিক চন্দ্র শীল বলেন, আজ এই শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। যাদের সহযোগিতাই আজ এই শিশুগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি তাদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ভবিষ্যতে এধরনের সামাজিক কাজে সকলের সাহায্য পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ সকল শিশুর পড়াশোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে এবং পথশিশুদের সাথে ফটোসেশনের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

গত ২ এপ্রিল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও বিশ্ববিদ্যালয় আশে পাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পথশিশুদের জন্য ইউনিস্যাবের স্বেচ্ছাসেবীরা অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। শিক্ষার্থীরাও এই মহৎ কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.