The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪

ভারতকে টপকে পাট উৎপাদনে শীর্ষে এখন বাংলাদেশ

পাট উৎপাদনে ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষ দেশ হিসাবে নাম লেখালো বাংলাদেশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সর্বশেষ স্ট্যাটিস্টিক্যাল বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে ভারতের পাটের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমেতে থাকে। এরই ধারাবাহীকতায়  ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতে পাটের উৎপাদন ৯ লাখ ৮০ হাজার টন। আর বাংলাদেশের উৎপাদন ছিল ১৪ লাখ ৮ হাজার টন। এর মাধ্যমে ভারতকে টপকে শীর্ষ স্থানটি দখল করে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাটের ঘাতসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন করা গেলে অন্তত ১০ লাখ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ বাড়ানো সম্ভব। একইসঙ্গে কৃষকদের কাছে সব সুবিধা দ্রুত পৌঁছে দিতে হবে। ফলে, পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদন , রপ্তানি করেও আয় বাড়বে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছর পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছিল ১১২ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্য ১২৮ কোটি ডলার।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী জানান, পাটের উৎপাদন বাড়াতে সরকার বীজের সংকট মেটানোয় কাজ করছে। আধুনিক কলাকৌশলের বিষয়ে পাটচাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পাটবীজ উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি রোডম্যাপও তৈরি করা হয়েছে। আশা করি বাংলাদেশ উন্নত পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩০০ একর জমিতে প্রায় ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার বেল পাট উৎপাদন হয়েছিল।

 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. ভারতকে টপকে পাট উৎপাদনে শীর্ষে এখন বাংলাদেশ

ভারতকে টপকে পাট উৎপাদনে শীর্ষে এখন বাংলাদেশ

পাট উৎপাদনে ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষ দেশ হিসাবে নাম লেখালো বাংলাদেশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সর্বশেষ স্ট্যাটিস্টিক্যাল বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে ভারতের পাটের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমেতে থাকে। এরই ধারাবাহীকতায়  ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতে পাটের উৎপাদন ৯ লাখ ৮০ হাজার টন। আর বাংলাদেশের উৎপাদন ছিল ১৪ লাখ ৮ হাজার টন। এর মাধ্যমে ভারতকে টপকে শীর্ষ স্থানটি দখল করে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাটের ঘাতসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন করা গেলে অন্তত ১০ লাখ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ বাড়ানো সম্ভব। একইসঙ্গে কৃষকদের কাছে সব সুবিধা দ্রুত পৌঁছে দিতে হবে। ফলে, পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদন , রপ্তানি করেও আয় বাড়বে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছর পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছিল ১১২ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্য ১২৮ কোটি ডলার।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী জানান, পাটের উৎপাদন বাড়াতে সরকার বীজের সংকট মেটানোয় কাজ করছে। আধুনিক কলাকৌশলের বিষয়ে পাটচাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পাটবীজ উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি রোডম্যাপও তৈরি করা হয়েছে। আশা করি বাংলাদেশ উন্নত পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩০০ একর জমিতে প্রায় ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার বেল পাট উৎপাদন হয়েছিল।

 

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন