The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪

বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তির ক্ষেত্রে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

এমবিবিএস ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ভর্তিতে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। জানা গেছে, সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তীতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ডা. মুজতাহিদ মুহাম্মদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি নির্দেশনাঃ

>>> প্রকাশিত জাতীয় মেধা তালিকার ৩৪ হাজার ৮৩৫ মেধাক্রম পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। ভর্তিচ্ছুদের আবেদন টেলিটক বাংলাদেশ লিমিডেটের মাধ্যমে অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। আবেদনপত্র দাখিলের ফি এক হাজার টাকা। আবেদন দাখিলের সময় অনলাইন তালিকা থেকে সরকার স্বীকৃত সব বেসরকারি মেডিকেল কলেজের পছন্দক্রম উল্লেখ করতে হবে।

>>> অনলাইনে আবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময়ের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রার্থী মেধাক্রম ও পছন্দক্রম অনুযায়ী কোনো মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগপ্রাপ্ত হবেন, তা প্রার্থীকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের কলেজ ভিত্তিক তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

>>> বেসরকারি মেডিকেল কলেজে মেধাবী-অসচ্ছল কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে অনলাইন আবেদনে যাচিত তথ্য দিতে হবে। যারা এ কোটায় আবেদন করবেন, তারা শুধুমাত্র মেধাবী-অসচ্ছল কোটার আসনসমূহের জন্য বিবেচিত হবেন; সাধারণ কোটায় আবেদন করতে পারবেন না।

>>> মেধাবী-অসচ্ছল কোটায় ভর্তিচ্ছুদের দালিলিক প্রমাণ মিথ্যা বা ভুল প্রমাণিত হলে আবেদনপত্র বাতিল হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, বেসরকারি মেডিকেল কলেজের পাঁচ শতাংশ আসন মেধাবী-অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

>>> কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল প্রণীত মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা-২০২৩ এর কোনো শর্ত ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানেই অনুমোদিত আসনের অতিরিক্ত কিংবা নীতিমালায় বর্ণিত প্রক্রিয়ার বাইরে দেশি বা বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

>>> বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির পূর্বে বা পরে দেশি বা বিদেশি ভর্তি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কোনো তথ্য মিথ্যা বা ভুল প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করাসহ আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.