The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
বৃহস্পতিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জরুরি সভা শুক্রবার

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি প্রায় সাড়ে তিন বছর পর জরুরি সভা ডেকেছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ঢাকা কলেজে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জনিয়েছেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার।

জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ১৫ হাজার বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারদের এ সংগঠনটির সভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সেলিম উল্লাহ খোন্দকার স্বাক্ষরিত জরুরি সভার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা-৮ এ বলা হয়েছে, দুই বছরের দায়িত্ব গ্রহণ শেষে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে দুই মাস করে চার মাস সময় নিতে পারবে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপরও নির্বাচন না হলে বিলুপ্ত হবে কমিটি। পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ২০ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি তিন মাসের মধ্যে তফসিল ও ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করবে। অন্যথায় সাধারণ সভা বা জরুরি সভা আহবান করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একতরফা এবং অবৈধভাবে ভোটার তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণের প্রেক্ষিতে জরুরি সাধারণ সভা আহবান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় সমিতির কার্যক্রম গতি হারিয়েছে। অতীতে এতো দীর্ঘ সময় নির্বাচনবিহীন অবস্থায় থাকেনি বিসিএস শিক্ষা সমিতি। এই সভা আহ্বানের ফলে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের নেতৃবৃন্দ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই সভা থেকেই তারা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ও একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জরুরি সভা শুক্রবার

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জরুরি সভা শুক্রবার

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি প্রায় সাড়ে তিন বছর পর জরুরি সভা ডেকেছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ঢাকা কলেজে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জনিয়েছেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার।

জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ১৫ হাজার বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারদের এ সংগঠনটির সভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সেলিম উল্লাহ খোন্দকার স্বাক্ষরিত জরুরি সভার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা-৮ এ বলা হয়েছে, দুই বছরের দায়িত্ব গ্রহণ শেষে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে দুই মাস করে চার মাস সময় নিতে পারবে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপরও নির্বাচন না হলে বিলুপ্ত হবে কমিটি। পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ২০ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি তিন মাসের মধ্যে তফসিল ও ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করবে। অন্যথায় সাধারণ সভা বা জরুরি সভা আহবান করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একতরফা এবং অবৈধভাবে ভোটার তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণের প্রেক্ষিতে জরুরি সাধারণ সভা আহবান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় সমিতির কার্যক্রম গতি হারিয়েছে। অতীতে এতো দীর্ঘ সময় নির্বাচনবিহীন অবস্থায় থাকেনি বিসিএস শিক্ষা সমিতি। এই সভা আহ্বানের ফলে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের নেতৃবৃন্দ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই সভা থেকেই তারা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ও একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন