The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৪

বান্দরবনের ট্যুর গাইডদের পাশে দাঁড়ালো নোবিপ্রবি ট্যুরিজম ক্লাব

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ বান্দরবন নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে আসে পাহাড়ের অপার সৌন্দর্য। সৌন্দর্যের প্রতীক বান্দরবন ভ্রমণ পিপাসুদের প্রথম পছন্দের জায়গা হিসেবে অনেক আগে থেকেই সুপরিচিত। সারাবছর দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক এখানে আসে এই জনপদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। এই জনপদের পর্যটনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় উপার্জনের নানা পথ। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি উপার্জনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হলো ট্যুর গাইড। স্থানীয় লোকজন পর্যটকদের ট্যুর গাইড হিসেবে কাজ করে থাকেন। এটাই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উপায়। কিন্তু কোভিড-১৯, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা ও কুকি-চিন গোষ্ঠীর জন্য পর্যটকদের জন্য এই অঞ্চলে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা প্রশাসন। ফলে পর্যটক শূন্য হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন এসব ট্যুর গাইডরা। বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বান্দরবনের কয়েকশ ট্যুর গাইড পরিবার।

এবার এই অসহায় ট্যুর গাইডদের পাশে দাঁড়িয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ট্যুরিজম ক্লাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানে ফান্ড গঠন করে ক্লাবটি।

জানা গেছে, বান্দবনের ট্যুর গাইডরা টিএইচএম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল মোহাম্মদ নাফির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ট্যুরিজম ক্লাবকে এই কাজের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও ট্যুরিজম ক্লাবের উপদেষ্টা সোহেল মোহাম্মদ নাফি বলেন, ট্যুর গাইডরা পর্যটন শিল্পের অংশ। তারা আমাদের ভ্রমণকে সুন্দর ও মনোরম করে তুলে। তাদের দুর্দিনে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালায়, বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের তাদের পাশে দাঁড়ানো দরকার। আমরা ছাত্র- শিক্ষক মিলে ফান্ড গঠন করে তাদের হস্তান্তর করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।

উল্লেখ্য, গতবছরও ট্যুরিজম ক্লাব কর্তৃক তাদের সহোযোগিতা করা হয়েছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.