The Rising Campus
News Media
শুক্রবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩

পচা-বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ‘সাহেবী পেটুক’ ফাস্টফুড দোকানের বিরুদ্ধে

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) নিউমার্কেট এলাকার সাহেবী পেটুক নামীয় ফাস্টফুডের দোকানে নিয়মিত বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি সময়ে বিভিন্ন দিন একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানের খাবার প্রদর্শনের স্থানে একাধিক বাসি খাবার রাখা হয়েছে৷ এরমধ্যে সংরক্ষিত পাস্তা একেবারে দুর্গন্ধ ও বাসি স্বাদ বিদ্যমান।তবে ক্রেতাদের দেওয়ার আগে ওভেনে গরম করে দিলেও সহজে বাসি চিহ্নিত করা যায়। এরআগেও একাধিক দিন তাদের দোকানে পঁচা পাস্তা সরবরাহ করতে দেখা যায়।

কথা হয় দোকানে বসে দলবেঁধে খাবার খাওয়া সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজনের সাথে। তাদের দাবি খাবার গরম করে দিলেও খাবারে বাসির স্বাদ সহজেই বোঝা যায়।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার মন্ডল বলেন, এ দোকানে শিক্ষার্থীদের প্রায়ই বাসি খাবার সরবরাহ করা হয়। তাদের বিষয়টি জানানো হলেও কোনরকমের ভ্রুক্ষেপ করে না।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেন দোকানের স্বত্বাধিকারী জসীম। তিনি বলেন, খাবার ৷ তবে টমেটোর সস একটু বেশি পরলে হয়তোবা টক বেশি লাগতে পারে। অনেকে সেটা ধরতে পারে না।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মো.কামরুজ্জামান বলেন, আমরা গতকাল রবিবার এই দোকানে খাবার পর্যবেক্ষণ করতে গেলে দোকান বন্ধ পাই। তবে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। দ্রুত আমরা সেখানে গিয়ে তাদের খাবার পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নিব।

0
You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. হোম
  2. ক্যাম্পাস
  3. পচা-বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ‘সাহেবী পেটুক’ ফাস্টফুড দোকানের বিরুদ্ধে

পচা-বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ‘সাহেবী পেটুক' ফাস্টফুড দোকানের বিরুদ্ধে

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) নিউমার্কেট এলাকার সাহেবী পেটুক নামীয় ফাস্টফুডের দোকানে নিয়মিত বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি সময়ে বিভিন্ন দিন একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানের খাবার প্রদর্শনের স্থানে একাধিক বাসি খাবার রাখা হয়েছে৷ এরমধ্যে সংরক্ষিত পাস্তা একেবারে দুর্গন্ধ ও বাসি স্বাদ বিদ্যমান।তবে ক্রেতাদের দেওয়ার আগে ওভেনে গরম করে দিলেও সহজে বাসি চিহ্নিত করা যায়। এরআগেও একাধিক দিন তাদের দোকানে পঁচা পাস্তা সরবরাহ করতে দেখা যায়।

কথা হয় দোকানে বসে দলবেঁধে খাবার খাওয়া সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজনের সাথে। তাদের দাবি খাবার গরম করে দিলেও খাবারে বাসির স্বাদ সহজেই বোঝা যায়।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার মন্ডল বলেন, এ দোকানে শিক্ষার্থীদের প্রায়ই বাসি খাবার সরবরাহ করা হয়। তাদের বিষয়টি জানানো হলেও কোনরকমের ভ্রুক্ষেপ করে না।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেন দোকানের স্বত্বাধিকারী জসীম। তিনি বলেন, খাবার ৷ তবে টমেটোর সস একটু বেশি পরলে হয়তোবা টক বেশি লাগতে পারে। অনেকে সেটা ধরতে পারে না।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মো.কামরুজ্জামান বলেন, আমরা গতকাল রবিবার এই দোকানে খাবার পর্যবেক্ষণ করতে গেলে দোকান বন্ধ পাই। তবে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। দ্রুত আমরা সেখানে গিয়ে তাদের খাবার পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নিব।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন