The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

টেকনাফে ১৩০ কেজি ওজনের শাপলা পাতা মিললো

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে বঙ্গোপসাগরে বড়শিতে ধরা পড়েছে ১৩০ কেজি ওজনের একটি শাপলা পাতা মাছ। এ সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।

শুক্রবার সকালে শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিমপাড়া সমুদ্রসৈকত থেকে মাছটি ৭০ হাজার টাকায় কিনেন টেকনাফের নুর মোহাম্মদ নামে এক পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী।

শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়ার জেলে আবদুল আমিন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনজন সহযোগী নিয়ে নৌকা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান তিনি। বড়শি দিয়ে কোরালসহ বড় বড় মাছ ধরতে যান তারা। ভোররাতে বড়শিতে চিংড়ি মাছ দিয়ে টোপ সাগরে ফেলেন। একপর্যায়ে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ল। ধীরে ধীরে বড়শি ওপরে আনার পর ভেসে উঠল বিশাল আকারের একটি শাপলা পাতা মাছ। পরে মাছটি টেকনাফের মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের কাছে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ২০১২ আইন অনুসারে শাপলা পাতা মাছ ধরা ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি হচ্ছে স্ট্রিং রে প্রজাতির মাছ। এ প্রজাতির মাছ অগভীর সমুদ্রে বেশি পাওয়া যায়। সমুদ্রের অগভীর স্থানের তলদেশ ঘেঁষে বিচরণ করে শাপলা পাতা মাছ। বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে শাপলা পাতা মাছ না ধরার জন্য উৎসাহিত করা হয় জেলেদের।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. টেকনাফে ১৩০ কেজি ওজনের শাপলা পাতা মিললো

টেকনাফে ১৩০ কেজি ওজনের শাপলা পাতা মিললো

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে বঙ্গোপসাগরে বড়শিতে ধরা পড়েছে ১৩০ কেজি ওজনের একটি শাপলা পাতা মাছ। এ সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।

শুক্রবার সকালে শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিমপাড়া সমুদ্রসৈকত থেকে মাছটি ৭০ হাজার টাকায় কিনেন টেকনাফের নুর মোহাম্মদ নামে এক পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী।

শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়ার জেলে আবদুল আমিন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনজন সহযোগী নিয়ে নৌকা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান তিনি। বড়শি দিয়ে কোরালসহ বড় বড় মাছ ধরতে যান তারা। ভোররাতে বড়শিতে চিংড়ি মাছ দিয়ে টোপ সাগরে ফেলেন। একপর্যায়ে বড়শিতে হ্যাঁচকা টান পড়ল। ধীরে ধীরে বড়শি ওপরে আনার পর ভেসে উঠল বিশাল আকারের একটি শাপলা পাতা মাছ। পরে মাছটি টেকনাফের মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের কাছে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ২০১২ আইন অনুসারে শাপলা পাতা মাছ ধরা ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি হচ্ছে স্ট্রিং রে প্রজাতির মাছ। এ প্রজাতির মাছ অগভীর সমুদ্রে বেশি পাওয়া যায়। সমুদ্রের অগভীর স্থানের তলদেশ ঘেঁষে বিচরণ করে শাপলা পাতা মাছ। বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে শাপলা পাতা মাছ না ধরার জন্য উৎসাহিত করা হয় জেলেদের।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন