The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪

“জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে”

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে দেশের সকল স্তরের জনগণ বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, আমাদের প্রজন্মের সকলের সমবেত এবং শক্তিশালী প্রচেষ্টাই পারে পরিবেশকে অক্ষুন্ন এবং সমৃদ্ধ রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। হারানো প্রকৃতি ও প্রতিবেশকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই আমরা এ ধরত্রীকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবো। এ বছরের থিম অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আমাদের একই এগিয়ে না আসলে বিশ্ব এক ভয়াবহ অবস্থানে পতিত হবে।

তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক দূষণ হচ্ছে পরিবেশের সবচেয়ে ক্ষতিকর পদার্থের মধ্যে একটি যা আমাদের নিঃশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। শুধু সেমিনার করলাম সবাইকে সচেতন করলাম এটার মধ্যে যেন আমাদের এই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না থাকে, এটা যেন বাস্তবে রূপদান করা হয়। যখন কোন আন্দোলন হয় কেন জানি না এই পরিবেশের গাছগুলোর উপরেই মানুষ চড়াও হয়, আমি দেখেছি যুদ্ধের সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে পাকিস্তানি মিলিটারিরা আমাদের এই বড় বড় গাছগুলোকে তারা পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য। যখন আমাদের দেশের মাঝে মাঝে কোন আন্দোলন হয় সেখানেও দেখি এই গাছের উপরে মানুষ বেশি হামলা করে। এ সকল কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলনের নামে এই ধরনের পরিবেশ নষ্ট করা কখনোই কাম্য নয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, পরিবেশ রক্ষা করতে হলে আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে। আগামী প্রজন্মকে নিশ্চিত ভবিষৎ দিতে হলে পরিবেশ রক্ষার বিকল্প নেই। প্লাস্টিক দূষণ রোধ করার জন্য শুধু পলিসি থাকলেই হবে না সেই পলিসির বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে এই প্লাস্টিক দূষণকে আমরা রোধ করতে পারব। আমরা যারা ভূগোলবিদ আছি তারা মাঝে মাঝে পথ হারিয়ে ফেল কিন্তু পথ হারালে চলবে না আমাদেরই শুরু করতে হবে এই প্লাস্টিক দূষণ কিভাবে কমিয়ে আনা যায়। একজন ভূগোলবিদ চাইলেই সবকিছু করতে পারে, ভূগোলবিদ হিসেবে দৃষ্টিতে প্রসারিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল হাসান। সেমিনারের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মল্লিক আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাকিব আহমেদ, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান খন্দকার এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সকল শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. “জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে”

“জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে”

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে দেশের সকল স্তরের জনগণ বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, আমাদের প্রজন্মের সকলের সমবেত এবং শক্তিশালী প্রচেষ্টাই পারে পরিবেশকে অক্ষুন্ন এবং সমৃদ্ধ রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। হারানো প্রকৃতি ও প্রতিবেশকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই আমরা এ ধরত্রীকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবো। এ বছরের থিম অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আমাদের একই এগিয়ে না আসলে বিশ্ব এক ভয়াবহ অবস্থানে পতিত হবে।

তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক দূষণ হচ্ছে পরিবেশের সবচেয়ে ক্ষতিকর পদার্থের মধ্যে একটি যা আমাদের নিঃশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। শুধু সেমিনার করলাম সবাইকে সচেতন করলাম এটার মধ্যে যেন আমাদের এই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না থাকে, এটা যেন বাস্তবে রূপদান করা হয়। যখন কোন আন্দোলন হয় কেন জানি না এই পরিবেশের গাছগুলোর উপরেই মানুষ চড়াও হয়, আমি দেখেছি যুদ্ধের সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে পাকিস্তানি মিলিটারিরা আমাদের এই বড় বড় গাছগুলোকে তারা পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য। যখন আমাদের দেশের মাঝে মাঝে কোন আন্দোলন হয় সেখানেও দেখি এই গাছের উপরে মানুষ বেশি হামলা করে। এ সকল কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলনের নামে এই ধরনের পরিবেশ নষ্ট করা কখনোই কাম্য নয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, পরিবেশ রক্ষা করতে হলে আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে। আগামী প্রজন্মকে নিশ্চিত ভবিষৎ দিতে হলে পরিবেশ রক্ষার বিকল্প নেই। প্লাস্টিক দূষণ রোধ করার জন্য শুধু পলিসি থাকলেই হবে না সেই পলিসির বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে এই প্লাস্টিক দূষণকে আমরা রোধ করতে পারব। আমরা যারা ভূগোলবিদ আছি তারা মাঝে মাঝে পথ হারিয়ে ফেল কিন্তু পথ হারালে চলবে না আমাদেরই শুরু করতে হবে এই প্লাস্টিক দূষণ কিভাবে কমিয়ে আনা যায়। একজন ভূগোলবিদ চাইলেই সবকিছু করতে পারে, ভূগোলবিদ হিসেবে দৃষ্টিতে প্রসারিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল হাসান। সেমিনারের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মল্লিক আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাকিব আহমেদ, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান খন্দকার এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সকল শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন