The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শুক্রবার, ২১শে জুন, ২০২৪

জবির সমাজকর্ম বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের (১২তম ব্যাচ) বিদায় এবং ২০২২-২৩ সেশনের (১৮তম ব্যাচের) ব্যাচের নবীন বরণ ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়৷

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাদক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. রাজিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান পরিচালনা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সম্মানপ্রদর্শন পূর্বক জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। এরপর নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ সহ নবীনদের উদ্দেশ্যে মানপত্র এবং বিদায়ীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করা হয়৷ এছাড়া বিদায়ী মেধাবীদের মাঝে সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে দেশ গঠনের কারিগর। আপনারাই আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যত। বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিযোগিতা মূলক চাকরির ক্ষেত্রে সকল জায়গায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা দিয়ে অবদান রাখছেন। তোমাদের ভালোলাগা বিষয়গুলো তোমাদের খুঁজে বের করতে হবে। চিন্তার পরিধি বড় করতে হবে। ভাবনার জায়গা থেকে আন্তরিক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা মত বিনিময় করবেন। কিভাবে মত বিনিময় করলে আরও আন্তরিক হওয়া যায় তার শিক্ষা অর্জন করতে হবে। এটিই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি।

স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সমাজকর্ম হচ্ছে সামাজিক ইঞ্জিনিয়ার। আমরা চাই শিক্ষা কার্যক্রম ভালোভাবে শেষ করে তারা পরিবার, দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু অর্জন করবে। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীদের মানসিক মননশীল ভাবে শিক্ষা দিতে যাতে ভবিষ্যতে তারা জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে। আমরা তোমাদের নীতি নৈতিকতা শিখিয়েছি, তোমরা সমাজকর্মের আদর্শ সামনে রেখে এগিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, আগে নিজেকে চিনতে হবে। আপনাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে। শুধু শিক্ষা অর্জন করলেই হবে না। সমাজের জন্য কাজ করতে হবে। পড়াশোনার মধ্যে ডুপ দাও। জ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশ করো। দেখবা কোথাও না কোথাও ভালো কিছু অর্জন করেছো।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা যতই কর্দমাক্ত হোক, যতই পিচ্ছিল হোক আমাকে এগিয়ে যেতেই হবে। যারা বঞ্চিত তাদের কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় তা ভাবতে হবে। আমরা জানি তোমরা পারবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাজিয়া সুলতানা বলেন, তোমরা শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য এখানে এসেছো। কোন সমস্যা হলে আমাদের জানাবে। এছাড়া সমাজকর্ম সমিতির পক্ষে থেকে আমরা কো-কারিকুলার, কারিকুলাম এর ভিত্তিতে ৩ টি ভিন্নধর্মী বৃত্তির ব্যবস্থা করেছি এবং এ বছর থেকে মেরিট মেধাবৃত্তি প্রদান করা হবে। আমরা সার্বিক ভাবে তোমাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা শেষে নবীন বরণ উপলক্ষে নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নাটক, গান, কৌতুক, অভিনয় সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.