The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
মঙ্গলবার, ৫ই মার্চ, ২০২৪

চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার হলেন ভ্যালি চাকমা

বাংলাদেশের চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার রাঙামাটির ভ্যালি চাকমা। তিনি উচ্চ আদালতে চাকমা সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় নারী আইনজীবী। ভ্যালি চাকমা বাবার অনুপ্রেরণায় আইন পড়তে উদ্ধুদ্ধ হন। ব্যারিস্টার হওয়ার বাসনা নিয়ে ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে আইনে । সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে জজকোর্ট ও হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

তারপর ব্যারিস্টারি পড়তে পাড়ি জমান লন্ডনে। ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের লিংকন্সইন থেকে অফিসিয়ালি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে এসে উচ্চ আদালতে আইনপেশা শুরু করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন: গুগলে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী

নিজ সম্প্রদায়ের অসহায় মানুষকে আইনগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করতে চান, আইন পেশায় অবদান রাখতে চান উদীয়মান এই নারী ব্যারিস্টার।

নিজের সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি সফলতার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেটা হলো মনোবল। আপনার ডেডিকেশন থাকতে হবে এবং আপনার উইল পাওয়ার থাকতে হবে। যদি মনে করেন আপনি এটা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি পারবেন।

আরো পড়ুন: ৮৯ বছর বয়সে মাস্টার ডিগ্রি পরীক্ষা পাশ করলেন এক বৃদ্ধা

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. উদ্যোক্তা ও সফলতার গল্প
  3. চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার হলেন ভ্যালি চাকমা

চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার হলেন ভ্যালি চাকমা

বাংলাদেশের চাকমা সম্প্রদায়ের প্রথম নারী ব্যারিস্টার রাঙামাটির ভ্যালি চাকমা। তিনি উচ্চ আদালতে চাকমা সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় নারী আইনজীবী। ভ্যালি চাকমা বাবার অনুপ্রেরণায় আইন পড়তে উদ্ধুদ্ধ হন। ব্যারিস্টার হওয়ার বাসনা নিয়ে ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে আইনে । সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে জজকোর্ট ও হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

তারপর ব্যারিস্টারি পড়তে পাড়ি জমান লন্ডনে। ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের লিংকন্সইন থেকে অফিসিয়ালি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে এসে উচ্চ আদালতে আইনপেশা শুরু করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন: গুগলে ডাক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী

নিজ সম্প্রদায়ের অসহায় মানুষকে আইনগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করতে চান, আইন পেশায় অবদান রাখতে চান উদীয়মান এই নারী ব্যারিস্টার।

নিজের সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি সফলতার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার সেটা হলো মনোবল। আপনার ডেডিকেশন থাকতে হবে এবং আপনার উইল পাওয়ার থাকতে হবে। যদি মনে করেন আপনি এটা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি পারবেন।

আরো পড়ুন: ৮৯ বছর বয়সে মাস্টার ডিগ্রি পরীক্ষা পাশ করলেন এক বৃদ্ধা

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন