The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪

চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় পেছাতে পারে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্ধ লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে তিন অধিদপ্তরের মাধ্যমে শূন্য পদের তথ্য যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিনক্ষণ পেছাতে পারে।

এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষরা এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি শূন্য পদের (এমপিও) তথ্য দিয়েছেন। এই তথ্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময় অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত ২০টি জেলার তথ্য এনটিআরসিএতে এসে পৌঁছায়নি।

ওই সূত্র আরও জানায়, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শূন্য পদের তথ্য যাচাই করে পাঠানোর পর এই তালিকা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের মাধ্যমে পুনরায় যাচাই করা হবে। এরপর শূন্য পদের যে তথ্য পাওয়া যাবে সেটিই চূড়ান্ত তথ্য। এই তালিকা এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার দুপুরে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এজন্য শূন্য পদের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আমরা সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে তালিকা প্রস্তুত করতে চাই। সেজন্য কিছুটা সময় লাগছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো ২০টি জেলার তথ্য পায়নি। এই তথ্য পাওয়ার পর তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এই কাজ শেষ করতে সময় লাগলে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজও পেছাবে।

এদিকে মাউশি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে উপজেলা পর্যায়ে লোকবল থাকলেও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে উপজেলা পর্যায়ে লোকবল নেই। ফলে এই অধিদপ্তরের আওতাধীন পদগুলোর তথ্য যাচাই করতে বেশ অনেক সময় লেগে যাবে। তাই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজও পিছিয়ে যাবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহের কাজ শেষ পর্যায়ে আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৬০ হাজারের কিছু বেশি পদে নিয়োগের লক্ষ্যে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সাল থেকে এনটিআরসিএ এখন পর্যন্ত তিনটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই তিন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি এবং তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় পেছাতে পারে

চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় পেছাতে পারে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্ধ লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে তিন অধিদপ্তরের মাধ্যমে শূন্য পদের তথ্য যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিনক্ষণ পেছাতে পারে।

এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষরা এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি শূন্য পদের (এমপিও) তথ্য দিয়েছেন। এই তথ্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময় অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত ২০টি জেলার তথ্য এনটিআরসিএতে এসে পৌঁছায়নি।

ওই সূত্র আরও জানায়, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শূন্য পদের তথ্য যাচাই করে পাঠানোর পর এই তালিকা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের মাধ্যমে পুনরায় যাচাই করা হবে। এরপর শূন্য পদের যে তথ্য পাওয়া যাবে সেটিই চূড়ান্ত তথ্য। এই তালিকা এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার দুপুরে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এজন্য শূন্য পদের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আমরা সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে তালিকা প্রস্তুত করতে চাই। সেজন্য কিছুটা সময় লাগছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো ২০টি জেলার তথ্য পায়নি। এই তথ্য পাওয়ার পর তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এই কাজ শেষ করতে সময় লাগলে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজও পেছাবে।

এদিকে মাউশি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে উপজেলা পর্যায়ে লোকবল থাকলেও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে উপজেলা পর্যায়ে লোকবল নেই। ফলে এই অধিদপ্তরের আওতাধীন পদগুলোর তথ্য যাচাই করতে বেশ অনেক সময় লেগে যাবে। তাই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজও পিছিয়ে যাবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহের কাজ শেষ পর্যায়ে আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৬০ হাজারের কিছু বেশি পদে নিয়োগের লক্ষ্যে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সাল থেকে এনটিআরসিএ এখন পর্যন্ত তিনটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই তিন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি এবং তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন