The Rising Campus
News Media

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি অভিন্ন পরিচয়পত্র বা ‘ইউনিক আইডি’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রির বিষয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

নির্দেশনা সমূহ

১. ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তথ্যফরম পুরণ কার্যক্রম পরবর্তি নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

২. মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছকে শিক্ষার্থীর শ্রেণি অনুযায়ী Data Entry করতে হবে। অর্থাৎ ফরমে শিক্ষার্থীদের যে শ্রেণি উল্লেখ রয়েছে সেই শ্রেণি হিসেবেই Data Entry দিতে হবে। অর্থাৎ সকল শিক্ষার্থীর তথ্য ২০২১ সাল বিবেচনা করে Entry করতে হবে।

৩. শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/অভিভাবকের জন্ম নিবন্ধন থাকলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটে দিতে হবে। অর্থাৎ ১৩ ডিজিটের নম্বরের শুরুতে জন্ম সাল দিতে হবে।

৪. শিক্ষার্থীর BRN এবং জন্ম তারিখ এন্টির পর শিক্ষার্থীর নাম প্রদর্শিত না হলে অন্যান্য তথ্য Entry দেয়া যাবে না। এবং প্রথম Page Save হবে না।

ইউনিক আইডি কেন?

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

0
You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.