শিরোনাম
চাকরি পরীক্ষায় কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম
চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষায় কাল্পনিক সংলাপ লিখতে বলা হয়। সংলাপ কীভাবে লিখলে ভালো নম্বর পাওয়া যায়, এখানে আলোচনা করা হলো। শুরুতে পুরাতন বিসিএসের প্রশ্নগুলো দেখে নেওয়া যেতে পারে। ৪১ তম বিসিএস: বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে একটি কাল্পনিক কথোপকথন বা সংলাপ রচনা করুন। ৪০তম বিসিএস: পড়াশোনা শেষ করে চাকরিগ্রহণ এবং স্ব-উদ্যোগে গৃহীত কোনো কাজের মাধ্যমে জীবিকানির্বাহকরণ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করুন। ৩৮ তম বিসিএস: বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রবীণ শিক্ষক এবং অধ্যয়নরত একজন তরুণ শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষার অতীত ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করুন। ৩৭ তম বিসিএস: বিদেশে পড়াশোনা করে প্রবাসজীবন নির্বাচন এবং বাংলাদেশে লেখাপড়া করে স্বদেশেই অবস্থান করা সম্পর্কে দুই বন্ধুর কথোপকথন বা সংলাপ লিখুন। ৩৬ তম বিসিএস: একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতা পরবর্তী এক তরুণের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে সংলাপ লিখুন। ৩৫ তম বিসিএস: ১০ বছরের একটি ছেলে হারিয়ে গেছে। ছেলেটির মা-বাবা গেছে থানায়। পুলিশ মামলা নিতে চাইছে না। ছেলেটির মা-বাবা এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্র অবলম্বন করে এই পরিস্থিতির উপযুক্ত সংলাপ রচনা করুন।
সংলাপ লেখার নিয়ম
১. প্রথমে প্রশ্ন অনুসারে একটি শিরোনাম তৈরি করে নিতে হবে। যেমন: ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংলাপ’। শিরোনামের নিচে দাগ দিতে পারেন।
২. এরপর সংলাপের স্থান ও সময় উল্লেখ করবেন। এটি সাধারণত প্রশ্নে দেওয়া থাকে না। তাছাড়া স্থান ও সময়ের নিচে তৃতীয় বন্ধনীতে একটি পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে নিবেন। যেমন: স্থান: একটি বাজার। সময়: ছুটির দিন। সকাল দশটা। (এক কেজি ডাল কেনার পর দাম দিতে গিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কথোপকথন।)
৩. কথা বলার সময় আমাদের নানা রকম অভিব্যক্তি হয়। সংলাপ রচনার সময় প্রথম বন্ধনীতে অভিব্যক্তি দিতে হবে। যেমন: (হেসে), (দীর্ঘশ্বাস ফেলে), (রেগে গিয়ে) ইত্যাদি। এ রকম অন্তত চার-পাঁচটি সংলাপে অভিব্যক্তি দেবেন।
৪. চরিত্রের নড়াচড়া ও আগমন-প্রস্থান তৃতীয় বন্ধনীতে দেখাতে হবে। যেমন: [বিক্রেতা আরেকটি প্যাকেটে আলু ভরতে লাগল।]
[আরেকজন ক্রেতার আগমন।]
৫. সংলাপ কার কার মধ্যে হবে, সেটি প্রশ্নে নির্দিষ্ট করে দেওয়া থাকে। তবে উত্তর করার সময় তৃতীয় আরেকটি চরিত্র তৈরি করে নিলে ভালো হবে। যেমন, ক্রেতা-বিক্রেতার সংলাপে আরেকজন ক্রেতাকে ঘটনার মধ্যে আনা যায়। তৃতীয় চরিত্রের সংলাপ মাত্র একটি দিতে হবে। সে মোটেই মুখ্য ভূমিকা পালন করবে না। তার আগমন ও প্রস্থান তৃতীয় বন্ধনীতে দেখাতে হবে।
৬. সংলাপে আঞ্চলিকতা পরিহার করতে হবে। তবে দরিদ্র কৃষক, রিকশাওয়ালা ইত্যাদি চরিত্রের সংলাপ লেখার সময়ে ক্রিয়াপদে ও দু-একটি শব্দে সামান্য আঞ্চলিকতা রাখবেন।
৭. সংলাপের শুরু বা শেষ বলে কিছু নেই। শুরুটা কোত্থেকে হচ্ছে, সেটা শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে লিখে দিলেই হয়। শুভেচ্ছা বা সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে যে শুরু করতে হবে, এমন নয়। আবার শেষ করার ক্ষেত্রে সময়ের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে হবে। সময় শেষ হয়ে গেলে এভাবে লিখতে হবে: [এরপর দুজনের মধ্যে আরও কিছুক্ষণ কথা চলল এবং ক্রেতা গজগজ করতে করতে চলে গেলেন।]
৮. একটি বা দুটি সংলাপ একটু দীর্ঘ হবে, যেখানে কিছু তথ্য থাকবে।
৯. কখনো কখনো চরিত্র মনে মনে কথা বলে। এ রকম সংলাপকে বলা হয় স্বগতোক্তি। সংলাপ রচনার সময়ে একটি স্বগতোক্তি দিতে হবে।
পরীক্ষায় সংলাপের বিষয় লেখা থাকবে। প্রস্তুতি নেওয়ার সুবিধার্থে এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হলো: জলবায়ু পরিবর্তন, সড়ক দুর্ঘটনা, শিক্ষাক্ষেত্রে করোনার প্রভাব, সাইবার অপরাধ, খাদ্যে ভেজাল, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের অর্জন, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার, মাদকের কুপ্রভাব, বৃক্ষরোপণের উপযোগিতা ও নৈতিকতার অবক্ষয় ইত্যাদি।
কার কার মধ্যে সংলাপ হবে, সেটি প্রশ্নে সাধারণত উল্লেখ থাকে। সংলাপ হতে পারে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে; যেমন: মা-বাবা, বাবা-মেয়ে, মা-ছেলে, ভাই-বোন, দাদা-নাতি, দুই বন্ধু, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ক্রেতা-বিক্রেতা, ডাক্তার-রোগী, রিকশাওয়ালা-যাত্রী, পুলিশ-ব্যক্তি, গ্রাহক- ব্যাংক কর্মকর্তা, প্রবীণ-নবীন ইত্যাদি। বিশেষ নির্দেশনা
প্রশ্নে উল্লেখ না থাকলে চরিত্রের নাম না দেওয়াই ভালো। যেমন: রহিম, করিম না লিখে বন্ধু-১, বন্ধু-২ লেখা ভালো। চরিত্রের পরে, সংলাপে আগে কোলন চিহ্ন দিতে হয়। যেমন: ক্রেতা: তাই বলে এক মাসের মধ্যে এত দাম বেড়ে যাবে? প্রতিটি সংলাপের কোলন চিহ্নগুলো এক বরাবর থাকবে। সময়ের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সংলাপের সংখ্যা হতে পারে ১৫ থেকে ২০টি।
বিশ্বব্যাংকে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বাংলাদেশে ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট পদে কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
পদের নাম: ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: ফিন্যান্স, অর্থনীতি, ম্যানেজমেন্ট বা এ ধরনের বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সরকারি/বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ৫ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় সাবলীল হতে হবে। চাকরির ধরন: তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক কর্মস্থল: ঢাকা
আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ওয়েবসাইটের লিংক থেকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে APPLY NOW-এ ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২৬ মার্চ ২০২২।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চাকরি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ‘গবেষণা কর্মকর্তা’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৬ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভাগের নাম: স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ
পদের নাম: গবেষণা কর্মকর্তা (বিএনএইচএ) পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার বেতন: ৩৫,৬০০ টাকা
চাকরির ধরন: অস্থায়ী প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ বয়স: ৩০-৩৫ বছর কর্মস্থল: যে কোনো স্থান
আবেদনের ঠিকানা: মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট ও লাইন ডিরেক্টর, হেলথ ইকনোমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিং ওপি, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আনসারী ভবন, চতুর্থ তলা, ১৪/২, তোপখানা রোড, ঢাকা।
আবেদন ফি: ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠাতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ০৬ এপ্রিল ২০২২
সূত্র: প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি
নৌবাহিনীতে চাকরির স্বপ্ন যাঁদের
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২০২৩–এ অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে জাহাজের ক্যাপ্টেন, এয়ারক্রাফট পাইলট, নৌকমান্ডো, সাবমেরিনার—এই চারটি পদে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত। নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন যাঁদের দীর্ঘদিনের, তাঁরা কাজে লাগাতে পারেন এ সুযোগ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা আবেদনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অথবা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ন্যূনতম জিপিএ ৪.০ থাকতে হবে। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য ও লেভেলে ছয়টি বিষয়ের মধ্যে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে এ গ্রেড এবং দুটি বিষয়ে বি গ্রেড থাকতে হবে। এ লেভেলে কমপক্ষে দুটি বিষয়ে বি গ্রেড থাকতে হবে। ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও অফিসার ক্যাডেট পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে যোগ দেওয়ার আগেই ফলাফল প্রকাশিত হতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা প্রার্থীদের বয়স ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে সাড়ে ১৬ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা উক্ত তারিখে ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে হতে হবে। পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম উচ্চতা হতে হবে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫০ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন ৪৭ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ২৮ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি। প্রার্থীদের অবশ্যই অবিবাহিত ও বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
অযোগ্যতা সেনা/নৌ/বিমানবাহিনী অথবা অন্য কোনো সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অপসারিত হলে, আইএসএসবি পরীক্ষায় দুবার স্ক্রিনড আউট/প্রত্যাখ্যাত হলে, যেকোনো বিচারালয় থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে এবং অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ ও এক নামে একাধিক আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে (www.joinnavy.navy.mil.bd) গিয়ে অ্যাপ্লাই নাউ অপশনে ক্লিক করে আবেদনপদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আবেদনের শেষ পর্যায়ে অনলাইন ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৭০০ টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হবে। আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীকে প্রাথমিক সাক্ষাৎকারের জন্য কল-আপ লেটার পাঠানো হবে।
বাছাই পদ্ধতি আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বাছাই করে তাঁদের বুদ্ধিমত্তা, ইংরেজি দক্ষতা ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা কেন্দ্রে আগামী ২২ থেকে ২৬ মে ও লিখিত পরীক্ষা ২৭ মে অনুষ্ঠিত হতে পারে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আন্তবাহিনী নির্বাচন পর্ষদ (আইএসএসবি) কর্তৃক পরীক্ষা ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হবে। আইএসএসবি পরীক্ষা চলাকালীন প্রার্থীদের চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নৌ সদর কর্তৃক চূড়ান্ত মনোনয়ন পর্ষদ কার্যক্রম ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিতে হবে।
প্রশিক্ষণ/কমিশন চূড়ান্তভাবে বাছাই করা প্রার্থীদের বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ১০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণসহ বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ১৮ মাস এবং মিডশিপম্যান হিসেবে ১৮ মাসসহ মোট তিন বছর মেয়াদি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সাব লেফটেন্যান্ট পদে নিয়মিত কমিশন দেওয়া হবে।
নেভাল একাডেমিতে পেশাগত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এক্সিকিউটিভ শাখার ক্যাডেটদের মেরিটাইম সায়েন্স বিষয়ে বিএসসি (অনার্স) ও সাপ্লাই শাখার ক্যাডেটদের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে বিবিএ ডিগ্রি প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইলেকট্রিক্যাল শাখার ক্যাডেটদের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা চূড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য সুবিধাসহ সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন। পরবর্তী সময়ে মিডশিপম্যান হিসেবে পদোন্নতির পর উচ্চতর স্কেলে বেতন পাবেন। বৈচিত্র্যময় ও রোমাঞ্চকর একমাত্র নেভাল ক্যারিয়ারেই রয়েছে সি (আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন), এয়ার (নেভাল এভিয়েশন) ও ল্যান্ড (নেভাল স্পেশাল ফোর্স/নৌকমান্ডো)—এই তিনটি মাধ্যমেই চাকরির সুযোগ। বিদেশে প্রশিক্ষণ, সরকারি খরচে উচ্চশিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসা খরচ ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বিদেশ ভ্রমণ ও আর্থিক সচ্ছলতা অর্জনের সুযোগ তো আছেই।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ
পরিচালক, পার্সোনেল সার্ভিসেস পরিদপ্তর, নৌবাহিনী সদর দপ্তর, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন: ৯৮৩৬১৪১-৯, বর্ধিত ২২১৫।
ওয়েবসাইট: www.joinnavy.navy.mil.bd।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ পদে চাকরি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এই উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের ৩১ মার্চের মধ্যে ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।
১. পদের নাম: অধ্যাপক বিভাগ: লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা
২. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক বিভাগ: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৫০, ০০০-৭১,২০০ টাকা
৩. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক বিভাগ: পদার্থবিজ্ঞান পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা
৪. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক বিভাগ: মানবিক পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা
৫. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক বিভাগ: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
৬. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক বিভাগ: কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
৭. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
৮. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ৩ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
৯. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১০. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১১. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১২. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৩. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৪. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৫. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৬. পদের নাম: প্রভাষক বিভাগ: ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পাওয়ার টেকনোলজি পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৭. পদের নাম: প্রভাষক (অর্থনীতি) বিভাগ: মানবিক বিভাগ পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
১৮. পদের নাম: প্রোগ্রামার পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
১৯. পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা
২০. পদের নাম: সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) পদসংখ্যা: ৩ বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা
২১. পদের নাম: সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার (ড্রাফটিং) বিভাগ: বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা
২২. পদের নাম: টেকনিশিয়ান বিভাগ: ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা
২৩. পদের নাম: ট্রান্সপোর্ট হেলপার পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা
২৪. পদের নাম: ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট বিভাগ: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা
২৫. পদের নাম: অফিস সহায়ক পদসংখ্যা: ২ বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা
২৬. পদের নাম: নিরাপত্তা গার্ড পদসংখ্যা: ১ বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা
বয়সসীমা এন্ট্রি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছরের বেশি নয় (কর্মচারীদের ক্ষেত্রে)। এ ছাড়া অধিকতর যোগ্যতাসম্পন্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য।
আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। কুয়েট ওয়েবসাইটের এই লিংক থেকে নির্দিষ্ট পদের নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করা যাবে। আবেদন ফরম পূরণ করে ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ১০ সেট, ৫ থেকে ২১ নম্বর পদের জন্য ৬ সেট এবং ২২ থেকে ২৬ নম্বর পদের জন্য ১ সেট আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠাতে হবে। খামের ওপর অবশ্যই পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা এবং নিয়োগের শর্তাবলি এই লিংক থেকে জানা যাবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে যা লাগবে পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদপত্রের সত্যায়িত কপি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার/কাউন্সিলরের দেওয়া নাগরিক সনদপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি।
আবেদন ফি ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ৩৫০ টাকা, ৫ থেকে ২১ নম্বর পদের জন্য ২৫০ টাকা এবং ২২ থেকে ২৬ নম্বর পদের জন্য ১৫০ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিভাগে নগদ জমা দিয়ে জমা রশিদ অথবা জনতা ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে বিবিধ তহবিল, কুয়েট, খুলনার অনুকূলে ব্যাংক ড্রাফট করে আবেদনপত্রের সঙ্গে রশিদ জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।
আবেদনের শেষ সময়: ৩১ মার্চ ২০২২।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য