ঢাকা, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইবি জিয়াউর রহমান হলে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মে, ২০২৩ ১৬:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইবি জিয়াউর রহমান হলে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৭ মে) বেলা ১২ টার দিকে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এসময় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা 'ওয়াফাইয়ের স্থায়ী সমাধান চাই', 'ডাইনিং এর খাবারের মান বৃদ্ধি করুন', 'বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে', 'হলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে', 'হল প্রভোস্টের দায়িত্বহীনতার জবাবদিহি করতে হবে', 'দায়িত্বশীল প্রভোস্ট নিয়োগ করুন', 'বেতন ভাতা সবই হয়, কাজের বেলায় ফান্ড নাই', ও 'সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি মানতে হবে, নইলে দায়িত্ব ছাড়তে হবে' সহ বিভিন্ন দাবি সম্বলিত লেখা ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

এ বিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হানিফ হোসাইন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হলের ডাইনিং, টয়লেটগুলোতে অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে। এছাড়া টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের ট্যাপের পানি খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়া গত এক সপ্তাহ যাবত হলে ওয়াইফাই নেই। বিষয়গুলো নিয়ে কয়েকবার প্রভোস্ট স্যারের সাথে কথা বলেছি। কিন্তু কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এদিকে স্যারকে আবারও সমস্যার কথাগুলো অবহিত করলে তিনি বলেন, 'সাধারণ ছাত্ররা যে যাই বলুক আমরা আমাদের মতো হল চালাবো'।

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট ড. আব্দুল জলিল পাঠান বলেন, ফান্ডে তেমন টাকা নেই। ফান্ড গঠন সাপেক্ষে যতদ্রুত সম্ভব যাবতীয় জিনিসপত্র কিনে ওয়াইফাইয়ের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    খুলনায় জবি অধ্যাপককে নির্যাতনের বিচার চায় শিক্ষক সমিতি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ মে, ২০২৩ ১৬:৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    খুলনায় জবি অধ্যাপককে নির্যাতনের বিচার চায় শিক্ষক সমিতি

    জবি প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় উত্তরচক কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপকের ওপর হামলা ও কক্ষের মধ্যে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

    রোববার (৭ মে) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান এর সই করা এক প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।

    প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, খুলনার কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ নিয়োগে দায়িত্বপালনে থাকা অবস্থায় শুক্রবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের উপর হামলার ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি অত্যন্ত মর্মাহত ও ব্যথিত।

    এতে আরও বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সেখানে রাষ্ট্রীয় কাজে দায়িত্বরত ছিলেন। মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে পরীক্ষায় পাশ না করা সত্বেও নিয়োগের জন্য শুরু থেকেই চাপ দিতে থাকেন এবং অবৈধভাবে নিয়োগ দিতে রাজি না হওয়ায় অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে তার ওপর নির্মম নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

    প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে তার ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সমিতি জোর দাবী জানাচ্ছে।

    এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের মহারাজপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বাড়িসংলগ্ন রাস্তায় অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ওপর প্রথমে হামলা এবং পরে তার বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

    গুরুতর আহত অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছেন।

    এ ঘটনায় অধ্যাপক নজরুল এখনও আইনের আশ্রয় নেননি। তবে তিনি দ্রুত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন কয়রা থানার ওসি এবিএমএস দোহা। অভিযোগ পেলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান। বিষয়টি জগন্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবগত হয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পূর্ব ঘটনার জেরে ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ মে, ২০২৩ ১০:৩৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      পূর্ব ঘটনার জেরে ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর

      ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ল' এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মারধরের শিকার ঐ শিক্ষার্থীর নাম মুবারক হোসেন আশিক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করেন।

      জানা যায়, শনিবার (৬ মে) রাত ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটক সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় তার উপর হামলা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে পূর্বের অবতরণিকা উৎসবের সময় মারামারি জের ধরে এ হামলা করা হয়েছে।

      আহত শিক্ষার্থীর এক সহপাঠীসূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি' বিভাগের ২০-২১ শিক্ষার্থীবর্ষের মুসফিকুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থী ১৫-২০ জন অনুসারী বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আশিকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় আশিক পালিয়ে ক্যাম্পাসের ভিতর ঢুকে পড়লে হামলাকারীরা সটকে পড়ে। পরে আশিকের বন্ধুরা তাকে মেডিকেলে ভর্তি করে।

      এবিষয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার মাথায় গায়ে এবং পায়ে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় আঘাত লাগায় থাকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।

      ঘটনায় পরপরই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে ভিসি বাংলোর সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে নামেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডির আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেন তারা।

      এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, এটা একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমি ওদের সাথে কথা বলেছি। আগামীকাল সকালে ১০টার ওদের প্রক্টর অফিসে ডেকেছি। উভয়পক্ষের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

      এবিষয়ে মুসফিকুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে কাল

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ মে, ২০২৩ ২৩:৪৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে কাল

        কুবি প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ও অন্যান্য ছুটি শেষে আগামীকাল রোববার (৭ মে) খুলছে কুমিলা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। এদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-কার্যক্রম সকাল ৯.০০টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত চলবে এবং সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৪.০০ টা পর্যন্ত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো.আমিরুল হক চৌধুরী।

        এদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য চলাচলকারী পরিবহনগুলো (বাস-মিনিবাস-মাইক্রো) পূর্বের নির্ধারিত (রমজানের আগের) সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন রুটে চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের সেকশন অফিসার মো. জাহিদ জুয়েল।

        প্রঙ্গগত, গত মাসের ১০ তারিখ হতে এ ছুটি শুরু হয় এবং শেষ হয় ৬ মে (শনিবার) । শিক্ষার্থীরা এ বছর মোট ২৫ দিনের ছুটি পেয়েছে। অন্যদিকে ১৬ দিনের ছুটি পেয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গেন্ডারিয়ায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৬ মে, ২০২৩ ১১:৪৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          গেন্ডারিয়ায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

          সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধুপখোলা বাজারে তিতাসের গ্যাসের লাইন মেরামতের সময় বিস্ফোরণের দগ্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহেদী হাসান শাওন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী।

          পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার ভোর ৫ টা ৫০ মিনিটের দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া।

          ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ধুপখোলা মাছ বাজারে একটি বাড়ির পাশের মুদি দোকানের সামনের রাস্তায় তিতাস গ্যাস লাইনের মেরামত চলছিল। হঠাৎ সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনার দিন কাঁচা বাজার করতে গিয়েছিলেন শাওন। বাজার করা শেষে বাসায় ফেরার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে তিনি দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় শাওন সহ আরও আট জন দগ্ধ হয়।

          এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ধূপখোলা বাজারে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত আমাদের ছাত্র মেহেদী হাসান শাওন শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তার মৃত্যুতে শোকাহত। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।’

          নিহত শাওনের বন্ধু মো. হাসান আলী জানান, আমার বন্ধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। বাজার করার জন্য বাজারে গেলে এই ঘটনাটি ঘটে বলে জানান তিনি।

          তিনি আরও বলেন, শাওনের বাড়ি নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার রহিমানপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল লতিফ। বর্তমানে তিনি গেণ্ডারিয়া ডিস্ট্রিলারি রোডের একটি মেসে থাকতেন। নিহত এক ভাই এক বোন সে ছিল সবার মধ্যে বড়।

          শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন বলেন, গেন্ডারিয়া থেকে আগুনের ঘটনায় শনিবার সকাল ছয়টার দিকে আইসিইউ এর ২০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

          গেন্ডারিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এঘটনায় আগুনে পুড়ে যাওয়ার একটি মামলা হয়েছে।’

          এদিকে শাওনের মৃত্যুতে তার পরিবার এ বন্ধুবান্ধবের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

          জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

          এর আগে পহেলা মে সকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় ধুপখোলা বাজারে রাস্তার গ্যাস লাইন মেরামতের সময় বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ আটজন আহত হয়। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ও শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে আরও তিন জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন আব্দুল রহিম (৫০) মিম আক্তার (২১) ও নাতি আলিফ (২)।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত