শিরোনাম
জাবি ছাত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ধর্ষনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আজ রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রক্টর অফিস প্রদক্ষিণ করে নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমর্ত্য রায় বলেন, 'প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ধর্ষনের অভিযোগের ঘটনায় ৩ মাস তদন্তের পর সিন্ডিকেটে তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়। কিন্তু ৮ তারিখের সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি। এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য হলো সিন্ডিকেটে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হয়নি।'এসময় একজন শিক্ষার্থীর উপর ধর্ষণের অভিযোগ কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে থাকে বলে প্রশ্ন তুলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ' পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় বা প্রয়োজনে বিশেষ সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দোষীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আমরা তীব্রতর আন্দোলনের ডাক দেব।'
চলচ্চিত্র আন্দোলনের সুদিপ্ত দে বলেন, ' ধর্ষনের মতো এ জাতীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত দুজন শিক্ষার্থী জড়িত তা দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো বিচারকার্য শুরু করতে পারে নাই। বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়ায় অভিযুক্ত রাকিব বিভিন্নভাবে ভিক্টিমের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, ৯৮ সালে মানিকের ঘটনায় যেভাবে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছিলো, 'আর যদি কাল বিলম্ব করা হয় ৯৮ এর আন্দোলন আবার জাহাঙ্গীরনগরে হবে। তাই আপনারা অতিদ্রুত ঘটনার সমাধান করেন। সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করুন। '
প্রসঙ্গত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। অভিযুক্ত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নীপিড়ন বিরোধী সেলে গত ২১ আগস্ট একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।
রাবির প্যারিস রোডের আনন্দ মিছিলের ছবি আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল পেজে!
আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল পেজে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডের আনন্দ মিছিলের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে।
গতকাল শনিবার (১০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টায় (বাংলাদেশ সময়) এ ছবি পোস্ট করা হয়।
ছবি পোস্টের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক গ্রুপ ও নিজস্ব টাইমলাইনে সেই ছবি শেয়ার করে তাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ জানাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জিএম অপি বলেন, আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল পেজে আমাদের প্যারিস রোডের আনন্দ মিছিলের ছবি প্রকাশ করেছে। দলের প্রতি ভালোবাসা আরও বেড়ে গেল।
তিনি আরো যোগ করেন, আমাদের পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস আছে, এবারের বিশ্বকাপ মেসির হাতেই উঠবে। আর্জেন্টিনার জয়ে পুরো বিশ্ব জয়গানে মেতে উঠবে এমন প্রত্যাশা এই ফুটবল ভক্তের।
উল্লেখ্য, কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে ট্রাইবেকারে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।
ইবিতে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১১ ডিসেম্বর) জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রশাসন ভবনের ৩য় তলার সভাকক্ষে সকাল ১০ টায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ শাহাদৎ হোসেন আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া ও অতিথি হিসেবে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ.এম. আলী হাসান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শেলীনা নাসরীন, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. আহসান-উল-আম্বিয়া, প্রেস প্রশাসক ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, পরীক্ষা-নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ, চীফ মেডিক্যাল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ নওয়াব আলী, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোঃ জাকির হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সী সহিদ উদ্দীন মোঃ তারেক, ফোকাল পয়েন্ট (তথ্য অধিকার)কর্মকর্তা উপ-রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) সাহেদ হাসান প্রমুখ।
তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক রাজিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ইনচার্জ) ড. আমানুর রহমান। রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমিউনিকেশন এ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক ড. মোঃ অলিউর রহমান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের প্রাথমিক জ্ঞান না থাকলে কাজ সম্পাদনে নির্ভরতা ও বিলম্বের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের গতি বাঁধাগ্রস্থ হবে। অবাধ তথ্যপ্রবাহের এ যুগে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়বো। বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব অতিক্রম করে ৫ম শিল্পবিপ্লবের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সকলকে কম্পিউটার বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তাতে দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্র উপকৃত হবে। একটি কাঠামোর মধ্যে সঠিক পথে এবং সঠিক গন্তব্যে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের ডেমোনস্ট্রেটর (তবলা) মোঃ মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
মশিউর রহমান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিভাগে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হন। বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে অল্প দিনেই সখ্যতা গড়ার কারণে ২০১০ সালে এইচএসসি পাশের সনদ ব্যবহার করে পেয়ে যান তবলা সহায়ক (বাদক) পদে চাকুরী।
তবে সঙ্গীত বিভাগের সে সময়ের বিভাগীয় প্রধান ড. রশিদুন নবীর সাথে কথা বলে জানা যায় বিভাগের শিক্ষকের সুপারিশেই তিনি পেয়েছিলেন চাকুরী। ড. রশিদুন নবী বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় ভেতরে হওয়ায় কেউ আসতে চাইতো না। তখন তবলা বাদকের জন্যে সার্কুলার দেয়া হয়। সেসময় বিভাগের সহকর্মী শাকিল হাসমী আমায় বলেন মশিউরকে চাকুরিটা দেয়া যায় কিনা ব্যবস্থা করতে। তিনি (শাকিল হাসমী) বলেন ছেলেটা (মশিউর) অস্বচ্ছল, ভালো তবলা বাজায়, ওকে চাকুরিটা দিলে উপকার হবে। আমি সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলি। সকলে এক সিদ্ধান্তে এসেই চাকুরী দেয়ায় উত্তীর্ণ হয় মশিউর।"
চাকুরী পাওয়ার পর একটা সময় ছাত্রত্বও বাতিল করে নেয় সে। ছাত্রত্ব বাতিল করে চাকুরী করায় এইচএসসি পাশের বাইরে আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলো না মশিউরের। তবে নিষিদ্ধ হওয়া একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে সম্মান সম্পন্ন করার সনদ জমা দিয়েছিলেন এই কর্মকর্তা। আপগ্রেডেশন পেয়ে হয়েছেন ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা ডেমোনস্ট্রেটর (তবলা)। জমা দেয়া সনদের কোথাও লিখা নেই অর্জিত জিপিএ এবং রেফারেন্স। এমন কি ব্যক্তিগত নথিতে জমা নেই একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।
এছাড়া সনদে স্নাতক পাশের কথা লিখা থাকলেও নেই তার ব্যাপ্তিকাল। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন সনদটি জালিয়াতি করে বানানো। কারণ, সনদে পাশের সাল দেখানো ২০১৪। এই সময়ে বিভাগে কর্মরত ছিলেন মশিউর। চাকুরীতে থেকে কোনোভাবেই স্নাতক করা সম্ভব নয়। তাছাড়া রেজিস্ট্রার ও বিভাগ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোন অনুমোদনও দেয়া হয়নি তাকে।
চলতি বছরের নভেম্বর মাসে সিনিয়র ডেমোনস্ট্রেটর পদে পদোন্নতির জন্যে বিভাগে আবেদন করলে বিভাগটির প্ল্যানিং কমিটি তা আটকে দেয়। প্ল্যানিং কমিটির একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "তার সনদটি দেখে আমাদের কাছে সন্দেহ লেগেছে। যার কারণে তার কাছে ট্রান্সক্রিপ্ট চাই আমরা এবং সেটি সে এখনো দিতে পারেনি। তাই প্ল্যানিং কমিটি তার আবেদন গ্রহণ করেনি। সভায় তার ব্যক্তিগত নথির সন্ধান চাইলেও তা হারিয়ে গেছে বলে বিভাগকে জানানো হয় বলেও নিশ্চিত করেছে বিভাগটির প্ল্যানিং কমিটির সূত্র।
এ বিষয়ে বিভাগটির প্রধান অধ্যাপক ড. জাহিদুল কবীর বলেন, "আপগ্রেডেশনের জন্যে আবেদন করেছিলো মশিউর। জমা দেয়া সনদ ত্রুটিপূর্ণ মনে হওয়ায় তা প্লানিং কমিটি গ্রহণ করেনি। তবে এর সংকট আছে কিনা সেটি দেখবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরীবিধি অনুযায়ী, ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা হতে হলে তাকে স্নাতক পাশ হতে হবে। তবে মশিউর রহমান সেই নিয়মকে তোয়াক্কা না করেই ৩য় শ্রেণী কর্মচারী থেকে হয়েছেন ২য় শ্রেনীর কর্মকর্তা।
তবে ডেমোনস্ট্রেটর মশিউর রহমান এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, "আমি এইচএসসি পাশ করেই তবলা বাদক হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেছি। পদন্নোতি পেয়ে হয়েছি ডেমোনস্ট্রেটর। আর এখানে আমার মূল সনদ রয়েছে। এটি জালিয়াতি করা নয়। আর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়েছে আমার পাশ করার অনেক পরে।"
সনদে জিপিএ’র সংখ্যা উল্লেখ নেই কেনো বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এটা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাইল। এভাবেই হয়।"
সনদের বিষয়ে জানতে উক্ত ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে যোগাযোগের ঠিকানায় যোগাযোগ করে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিভাগটির অধ্যাপক ড. রশিদুন নবী বলেন, "তার পড়াশোনা করার বিষয়ে আমি অবগত নই। বিভাগেই লোকবল কম ছিলো সে এর মধ্যে কোন সময়ে এসব করেছে সেটা আমাদের জানা নেই।"
তবে মশিউর রহমান শুরুতে এটি স্বাভাবিক স্নাতক পাশ বললেও সুর বদলে তিনি বলছেন এটি উইকেন্ড প্রোগ্রামের আন্ডারে করেছেন। তবে স্নাতক পর্যায়ে এই উইকেন্ড চালুর সত্যতা মেলেনি। এমনকি মশিউর রহমানের উপস্থাপন করা সাময়িক সনদের কোথাও এই প্রোগ্রামের কথার উল্লেখ নেই। আরো নিশ্চিত হতে মশিউর রহমানের কাছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ড আইডি চাইলে তিনি পরে দেখাবেন বলেও প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন। এমনকি মুঠোফোনে কল করে পুনরায় চাইলেও তা তিনি এড়িয়ে যান।
সনদ জালিয়াতির বিষয় নিয়ে রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর বলেন, "আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আইন অনুযায়ী। এই সকল ক্ষেত্রে বিভাগই মূলত সুপারিশ করে। এর আগে কিভাবে পেলো সেটিও যাচাই করে দেখতে হবে। এই বিষয়ে বিভাগ আমাদের জানালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনে মাউশির নির্দেশনা
হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী নিজেদের আওতাধীন সব অফিস ও সরকারি অথবা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৷
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাউশির আওতাধীন সব অফিস ও সরকারি অথবা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য তাগিদ প্রদান করা হয়েছিলো।
কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কয়েকটি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি যা আদালত অবমাননার শামিল।
জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে কমিটি গঠন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য নিম্নরূপ নির্দেশনা দেওয়া হলো :
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়ে অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত পরিচালনা এবং সুপারিশ করার জন্য কর্তৃপক্ষ কমপক্ষে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করবে। যার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য হবেন নারীরা।
সম্ভব হলে কমিটির প্রধান হবেন নারী; কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সৎ, দক্ষ এবং সক্রিয় সদস্যগণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কমিটির দুইজন সদস্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে নিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে লেখার ও মানবাধিকার বিষয়ে যারা কাজ করে তাদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কমিটি অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখবে।
প্রতিষ্ঠানের সামনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ বক্স থাকবে।
অভিযোগ গ্রহণকারী কমিটি ৩০ দিনের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করবে। প্রয়োজনে (যদি উপযুক্ত কারণ থাকে) কর্তৃপক্ষ এ সময়সীমা ৩০ কর্মদিবস থেকে ৬০ কর্মদিবস বাড়াতে পারবে।
এমতাবস্থায় আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত বিষয়ে কমিটি গঠন নিশ্চিত করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য