শিরোনাম
সরকারি তিতুমীর কলেজে উদ্ধোধন হলো রিসার্চ ক্লাবের ধারাবাহিক কর্মশালা
গত (১০-১১-২০২২) রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সরকারি তিতুমীর কলেজে রিসার্চ ক্লাবের । Research Proposal Writing এর উপর একটি কর্মশালা সিরিজের উদ্ধোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশারায় উদ্ধোবধ হিসবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত) অধ্যপক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন এবং কর্মশালাটি পরিচালনা করেছেন GTCRC এর প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক (ড.) মালেকা বিলকিস।
আরো উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন GTCRC এর উপদেষ্টা ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যপক (ড.) নিলুফা ইয়াসমিন এবং GTCRC এর মডারেটর ও পরিসাংখ্যান বিভগের অধ্যপক মোঃ গালিব হোসাইন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক (ড.) আসমা বেগম, সহযোগী অধ্যপক সালমা বেগম, সহযোগী অধ্যপক ফেতাম বেগম।
দীর্ঘ ৩ ঘন্টার কর্মশালার GTCRC এর সদস্যরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমানভাবে সক্রিয় ও উচ্চাসিত ছিল। মাঝখানে ছোট এক বিরতির মধ্যে তিনটি টিমে বিভক্ত করে তাদের নতুন নতুন Research Title লিখতে দেয়া হয় এবং পরতিটি টিম সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি রিসার্চ টাইটেল সাবমিট করে।
অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত) মহোদয় বলেন " সরকারি তিতুমীর কলেজে আমাদের ছেলে-মেয়েরা গবেষণার মত মহৎ কাজ করেছে এটি আমাদের জন্য আনন্দের এবং আশার আলোর জায়গা"।
একই সাথে অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত) মহোদয় আর্থিক সহায়তা সহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
এত চমৎকার একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত করতে পেরে GTCRC এর কার্যনিবাহি পরিষদ উচ্চাসিত একই সাথে GTCRC এর প্রধান উপদেষ্টা, মডারেটর সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ।
সরকারি তিতুমীর কলেজে রিসার্চ ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২১ সালে.। প্রতিষ্ঠাতা সরকারি তিতুমীর কলেজে অর্থনীতি বিভাগের আলী আহমেদ।
ঢাবি সজজা সংগঠনের শ্রুতিলেখক সম্মাননা প্রদান ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
‘সমাজের প্রয়োজনে, জেগে উঠি প্রাণপণে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজের জন্য জাগরণ (সজজা) সংগঠনের উদ্যোগে শ্রুতিলেখক সম্মাননা প্রদান ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ বৃহস্পতিবার আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রুতিলেখকদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সজ্জা সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিজয়ী শিক্ষার্থীদের সহায়তাকারী সেবামূলক সংগঠন সজ্জাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় সৌন্দর্য্য হল এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস। এখানে সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। কিছু শিক্ষার্থীকে নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার মাধ্যমে যেকোন প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন উপলক্ষ্যে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন উপলক্ষ্যে এক সমন্বয় সভা আজ ১০ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকারসহ সমাবর্তন উপলক্ষ্যে গঠিত সকল উপ-কমিটির আহবায়ক ও সদস্য-সচিব উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ৫৩তম সমাবর্তনের সকল কর্মসূচি সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।
উল্লেখ্য, আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২২ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর মোঃ আবদুল হামিদ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জ্যাঁ তিরোল।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস পালিত
সাব্বির হোসেন, পবিপ্রবিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস পালিত হয়েছে।
১০ নভেম্বর ( বৃহস্পতিবার) আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস । দিবসটি পালনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালী আয়োজন করে । এ আনন্দ র্যালীতে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর আবুল বাসার খান, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ ও বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থিরা অংশগ্রগন করেন। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশ একাউন্টিং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে দেশের ৮টি বিভাগের ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস।
একইদিনে অনলাইনে একটি আলোচনা সভা হয় , যেখানে জাপান, আস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞান দিবস উদযাপনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক ড. কুমার দেবাশীষ দত্ত।
আসমি – ফিলিলের ২ দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের সমাপনী
আমান উল্লাহ, বাকৃবিঃ এপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন ইনোভেশন হাব (আসমি) বাংলাদেশ ও পোস্ট-হারভেস্ট লস রিডাকশন ইনোভেশন ল্যাব (ফিলিল) বাংলাদেশ ফেজ-২ এর দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার লেকশোর হোটেলের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের আয়োজনে বাংলাদেশে কৃষির রূপান্তর: উপযুক্ত পরিমাপে যান্ত্রিকীকরণ ও ফসল কর্তন পরবর্তী ক্ষতি কমানোর উদ্ভাবনসমূহ শীর্ষক ওই সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী পর্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক এবং আসমি-বাংলাদেশ ও ফিলিল-বাংলাদেশ ফেজ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. মো. মঞ্জুরুল আলম।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, বাংলাদেশের কৃষি মানুষের জীবিকা থেকে আধা-বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে যেখানে কৃষির যান্ত্রিকীকরণই এই পরিবর্তনের অন্যতম চালিকা। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সঠিক স্কেলের মেশিনের মাধ্যমে কৃষিতে সময়, খরচ ও শ্রম সাশ্রয়ী এবং পোস্টহারভেস্ট লস কমানো সংক্রান্ত কাজে অধিক পরিমাণে যান্ত্রিকীকরণ করা প্রয়োজন যা কৃষিপণ্যে মূল্য সংযোজন করবে। স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কৃষি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের ক্রমবর্ধমান বাজার দখল করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির জন্য বিভিন্ন সাব-সেক্টরসমূহের হস্তক্ষেপ জরুরী। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থাকে সর্বোত্তম ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে বিশেষত: স্মার্ট ফার্মি, প্রিসিশন এগ্রিকালচার (মেশিন ভিশন, ড্রোন, ন্যানো টেকনোলজি ইত্যাদি), নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কৃষি, ড্রাই ও কোল্ড চেইন, নবায়নযোগ্য বায়োগ্যাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এবং সোলার নেক্সড স্মার্ট মাইক্রো গ্রেড ইত্যাদি। টেকসই উন্নয়নের জন্য স্মার্ট ও ডিজিটালাইজ্ড কৃষি উদ্ভাবনে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) উৎসাহিত করতে হবে। গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়াগ এবং কৃষি উদ্ভাবন হাব প্রতিষ্ঠাকে উৎসাহিত করতে হবে। উদীয়মান ৪জি প্রযুক্তি স্থাপনের জন্য জাতীয় নীতি, কৌশল ও কাঠামো প্রণয়ন প্রয়োজন।
আসমি-বাংলাদেশ ও ফিলিল-বাংলাদেশ ফেজ-২ প্রকল্পের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা বলেন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসল কর্তন পরবর্তী ক্ষতি কমানোর মাধ্যমে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন আমাদের মূল উদ্দেশ্য। এ জন্যেই আমরা ২ দিন ব্যাপি সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছি। এই সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে যারা শস্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াকরণে যান্ত্রিকীকরণ নিয়ে কাজ করছে তাদের সবাইকে নিয়ে একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে চাই। যার মাধ্যমে নীতিনির্ধারকদের আমরা জানাতে পারবো খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসল কর্তন পরবর্তী ক্ষতি কমানোর ক্ষেত্রে আমাদের কি কি সমস্যা আছে, কি কি চ্যালেঞ্জ আছে এবং সমস্যাগুলো দূর করতে আমারে করণীয় বিষয়। দেশ-বিদেশের যারা খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেন আন্তর্জাতিক এই সিম্পোজিয়ামে টেকনিক্যাল, প্যানেল এবং পোস্টার উপস্থাপনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে করণীয় উল্লেখ করেছেন। এর মাধ্যমে আমরা সঠিক নীতি বাস্তবায়ন করে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সক্ষম হবো।
বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিম্পোজিয়ামের সমাপনী অনুষ্ঠানে আমেরিকার কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিড দি ফিউচার ইনোভেশন ল্যাব ফর দি রিডাকশন অফ পোস্টহারভেস্ট লস প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ড. জেগার হার্ভে, ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের এপ্রোপ্রিয়েট স্কেল মেকানাইজেশন কনসোর্টিয়ামের (এএসএমসি) ডিরেক্টর ড. প্রশান্ত কে. কালিতা, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবুল কাশেম শিরিণ, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকারের নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. আব্দুস সামাদ এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক ড. এম এ মতিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ, কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকতাবৃন্দ, ছাত্র, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দাতাসংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য