ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

টিকার সনদ নিয়ে ঢুকতে হবে বইমেলায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ০:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
টিকার সনদ নিয়ে ঢুকতে হবে বইমেলায়

বইমেলায় সবাইকে অবশ্যই করোনা টিকা নেয়ার সনদ সাথে নিয়ে ঢুকতে হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এমনটি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ গত কয়েকদিনে কিছুটা কমেছে। তবে সার্বিক সংক্রমণ পরিস্থিতিকে প্রকৃতপক্ষে নিম্নমুখী বলার সময় হয়নি। করোনায় ৫১ থেকে ৯০ এই বয়সসীমার মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

তিনি আরও বলেন, যাদের বুস্টার ডোজের সময় হয়েছে এবং এসএমএস এসেছে তারা যেন দ্রুততম সময়ে টিকা নিয়ে নেয়। সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরিধানের আহ্বান জানান তিনি।

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এবারের বইমেলা শুরু হবে। বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান জানান, সরকার এ দিনটিতে বইমেলা শুরু করার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সেদিন বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলা উদ্বোধন করবেন। মেলায় স্টল বরাদ্দের তারিখ আগামী দু-একদিনের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি বাংলা একাডেমির সচিব এএইচএম লোকমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে করোনা সংক্রমণ বিবেচনায় নিয়ে কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে ১৫-২৮ ফেব্রুয়ারি বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে জানানো হয়। এ জন্য বইমেলা সংশ্লিষ্টদের করোনার টিকা গ্রহণের অনুরোধ জানায় বাংলা একাডেমি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু মঙ্গলবার

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ০:১৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু মঙ্গলবার

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজারের অধিক পদে শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিয়োগের আবেদন শুরু হবে।

    রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এনটিআরসিএ সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ হাজার ১৬৩টি শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৮০৭টি এমপিও পদ। আর নন এমপিও পদ ২ হাজার ৩৫৬টি। শূন্য পদের বিষয় ও পদ ভিত্তিক তালিকা আগামীকাল এনটিআরসিএ ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আর আবেদন ফি জমা দেয়া যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

    এর আগে ৫৪ হাজার শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে আবেদন না করায় এবং যোগ্য প্রার্থী না থাকায় ৩৮ হাজার শিক্ষককে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ করা হয়।

    প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪ হাজারের অধিক প্রার্থী পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করে না পাঠানোয় ৩৪ হাজার ৭৩ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয় এনটিআরসিএ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২৩:৪৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

      বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

      এনটিআরসিএ সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

      তিনি বলেন, আমরা কিছু পদ বাদ দিয়েছি। মোট ১৫ হাজার ১৬৩ পদে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার শূন্য পদের বিষয় ও পদ ভিত্তিক তালিকা কাল এনটিআরসিএ ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

      এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন আরও বলেন, ১৫ হাজার ১৬৩ পদের মধ্যে ১২ হাজার ৮০৭টি এমপিও পদ। আর ২ হাজার ৩৫৬টি নন এমপিও পদ।

      এর আগে রবিবার দুপুরে এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন জানিয়েছিলেন আগামীকাল অথবা মঙ্গলবার বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

      এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কাল অথবা পরশুই প্রকাশ করা হত। তবে আমাদের সব কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আজই এটি প্রকাশ করা হলো।

      জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজারের বেশি শূন্য পদের বিপরীতে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে আবেদন না করায় এবং মহিলা কোটায় ৬ হাজার ৭৭৭টি পদ পূরণ না হওয়ায় ৩৮ হাজার শিক্ষককে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ করা হয়।

      প্রাথমিক সুপারিশ প্রাপ্তদের মধ্যে ৪ হাজার প্রার্থী পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করে না পাঠানোয় ৩৪ হাজার ৭৩ জনকে গত ২০ নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে দ্রুত চীনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:২৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে দ্রুত চীনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি

        চীনে অধ্যয়নরত পাঁচ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে চীনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবিতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

        শনিবার বিকাল ৩টার দিকে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি শাহীন সিকদার।

        সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহীন সিকদার বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন ও সংগ্রামের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল অনিয়ম ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে রাজপথে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদ করে আসছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। এরই ধারাবাহিকতায় চীনে অধ্যয়নরত পাঁচ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে চীনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

        সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন বলেন, ‘করোনাভাইরাস সঙ্কট স্বাভাবিক হওয়ার পর বিশ্বের প্রায় সকল দেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেতে পারলেও প্রায় দুই বছর যাবত চীন সরকার অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে চীনে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। এটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে নীরব থাকা আমাদেরকে হতাশ করেছে। আমরা এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

        তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক আন্দোলনের পাশে থাকবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। চীনে অধ্যয়নরত পাঁচ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে চীনে ফিরিয়ে নিতে হবে।’ অন্যথায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ চীনফেরত শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও চীন দূতাবাস ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান তিনি।

        সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, করোনাভাইরাস সঙ্কটে চীনে ‌অধ্যয়নরত বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়া হলেও এখনো পর্যন্ত চীনে ফেরত নেয়া হয়নি। এ কারণে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে ভবিষ্যৎ জীবন অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি চীন সরকারের এই চরম বৈষম্যমূলক নীতির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

        চীনফেরত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কামরুল হাসান বলেন, ‘বিশ্বের সকল দেশের শিক্ষার্থীরা চীনে যেতে পারলেও আমরা কেনো যেতে পারছি না? চীন সরকার আমাদের সাথে অন্যায় আচরণ করছে। আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দাবি না মানা হলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          চারকোনা বাক্সে শিশুদের শিক্ষা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:১৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          চারকোনা বাক্সে শিশুদের শিক্ষা

          ২০১৯ সালের ডিসেম্বর। ভারতের চিনু জেবারাজের তিন বছরের মেয়েটি আনন্দে বেশ উচ্ছল হয়ে উঠেছিল। কারণ আর কয়েক মাস পরেই সে স্কুলে যাবে। তবে বিধি বাম। যে সময়ে তার ক্লাস শুরু হওয়ার কথা, ওই সময় করোনার সংক্রমণের কারণে সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে বসে আছে সরকার।

          কয়েক মাস পর লকডাউন প্রত্যাহার হলেও স্কুল খোলেনি। গত দুই বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্যোগ নিলেও করোনার সংক্রমণের নতুন ঢেউয়ের কারণে তাদের পিছিয়ে আসতে হয়েছে।

          জেবারাজের মেয়ের বয়স এখন পাঁচ বছর। গত ৬০০ দিন সে জুম অ্যাপের মাধ্যমে স্কুলের পড়াশোনা চালাতে হয়েছে। ভারতে স্কুল বন্ধের প্রভাব পড়েছে জেবার মতো প্রাক-প্রাথমিকের চার কোটি ২০ লাখ শিশুর ওপর।

          জেবারাজ বলেন, ‘স্কুলে সে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলবে আমি সেই অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু তার ক্লাসের সব বন্ধুরা এখন রয়ে গেছে জুমের ছোট বর্গগুলোতে।’

          বিশেষজ্ঞরা বলছেন স্কুল থেকে যে কয়টি বছর শিশুরা দূরে কাটিয়েছে সেটি তাদের শেখার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

          মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. চন্দ্রকান্ত লাহারিয়া বলেন, ‘প্রথম শ্রেণিতে পড়া কোনো শিশু যদি শেখার সময় হাতছাড়া করে, তাহলে পরবর্তী কয়েকটি শ্রেণিতে এর প্রভাব পড়বে।’

          তিনি জানান, শিশুর বয়স যত কম হবে, দীর্ঘ মেয়াদে শেখার ক্ষতি তত বেশি হবে। বিশেষ করে ল্যাপটপ ও অব্যাহত ইন্টারনেট সেবা না পাওয়া লাখ লাখ শিশুর ওপর এই প্রভাবের মাত্রা অনেক বেশি।

          গত বছরের আগস্টে অর্থনীতিবিদদের পরিচালিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ভারতে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকার ফলে দরিদ্র শিশুদের ওপর ‘বিপর্যয়কর প্রভাব পড়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া শিশুদের প্রায় অর্ধেকই কয়েকটি শব্দের বেশি পড়তে অক্ষম।

          প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার স্বীকার করেছে, শিক্ষাক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কিন্তু দেশটির পার্লামেন্টে পেশ করা নতুন বাজেটে এই সমস্যা সমাধানে সরকার যে ব্যবস্থা নিয়ে তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

          গ্রামের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা স্কুল বন্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি শিক্ষামূলক টিভি চ্যানেলের লাইন-আপ ২০০ তে বাড়ানোর মাধ্যমে স্থানীয় ভাষায় সম্পূরক শিক্ষা দেওয়া হবে।

          তবে যেসব অঞ্চলে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই কিংবা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নেই সেসব এলাকার শিশুরা কীভাবে টেলিভিশন দেখবে সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানাননি।

          সংকট অন্যদিকেও রয়েছে। বেশি সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের বেলায় অনলাইন পড়াশোনার বিষয়টি এখন বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জুম ক্লাস চলাকালে এদের জন্য মনোনিবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। পড়া চলাকালে এদের অনেকে এখন শুধু ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। তামিলনাড়ু রাজ্যের কোডাইকানাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিশু পরামর্শখ রুথ মেরি বলেন, ‘অনেক ছাত্রছাত্রী তাদের ক্যামেরা চালু করা বন্ধ করে দিয়েছে। এটি পুরো অনলাইন শেখার প্রক্রিয়ার সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার একটি লক্ষণ।’

          আরেক শিশু পরামর্শক মারিজা সিতার জানান, পাঁচ বছর বা এর বেশি বয়সের শিশুদের জন্য শেখার সবচেয়ে সেরা পদ্ধতি হচ্ছে অন্য শিশুদের সঙ্গে শেখা।

          তিনি বলেন, ‘তারা সামাজিক দক্ষতা শেখে এবং খেলার সময় বিষয়গুলো কিভাবে সামাল দিতে হয় তাও শেখে। বন্ধুদের কাছ থেকে দূরে থেকে বাড়িতে বসে তারা এটি শিখতে পারে না।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত