চামড়া শিল্পে লেজেগোবরে অবস্থা

    হঠাৎ করেই কোরবানির আগে সরকার কাঁচা চামড়া ও ওয়েট ব্লু রফতানির সিদ্ধান্ত নেয়। এতে লেজেগোবরে অবস্থা এখন। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাতারাতি বিদেশি ক্রেতা পাওয়া কঠিন। আর রফতানির অনুমতিও অপরিকল্পিত।

    ঈদুল আজহার ঠিক দুই দিন আগে প্রথমবারের মতো কাঁচা চামড়া ও ওয়েট ব্লু রফতানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ ঘোষণা দিয়েও ঠেকানো যায়নি চামড়া নিয়ে বিশৃঙ্খলা। নষ্ট হয়েছে হাজার হাজার পিস চামড়া। মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোন ব্যবসায়ী রফতানির আদেশ পেলে তাকে রফতানি করতে দেয়া হবে। তবে, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা জানান, এখনো রফতানির আবেদন করেননি কোন ব্যবসায়ী।

    রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা বলেন, এখনও তেমন কেউ আসেনি।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, ওয়েট ব্লু রফতানির অভিজ্ঞতা থাকলেও কাঁচা চামড়ার ক্ষেত্রে নেই।

    বিটিএ কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান বলেন, ওয়েট ব্লু রফতানির প্রক্রিয়া আমাদের জানা আছে, তবে কাঁচা চামড়ার রফতানির কথা আমাদের জানা নেই। মার্কেট সার্চ করে দেখতে হবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, আরো পরিকল্পিতভাবে সময় হাতে রেখে রফতানির অনুমতি দেয়া উচিত ছিলো।

    গবেষক ড. মাহফুজ কবীর বলেন, অলরেডি সময় চলে গেছে, এই অবস্থায় বড় আকারের যে রফতানি সে রকমের প্রস্তুতি নিতে হয়। সেটা পারবে কিনা সন্দেহ আছে।

    ট্যানারি মালিকদের তথ্য মতে, এখনো গেলো বছরের অন্তত অর্ধেক চামড়া অবিক্রিত আছে, যার বাজার মূল্য ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।