নাসির-তামিমার চার্জগঠনের আদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি

ডিভোর্স ছাড়া অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন, স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি এবং তাম্মির মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেওয়ার তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন আদালতে আসামিদের চার্জগঠন (বিচার শুরু) হবে কি না, সে বিষয়ে আদেশের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কাজী নজিব উল্যাহ হিরু। বাদীপক্ষে ইশরাত হাসান চার্জগঠনের প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি চার্জের বিষয়ে আদেশের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

এদিন তিন আসামি আদালতে হাজির হন। শুনানিকালে তারা আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।

গত বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মির স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের ৮ বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে জানেন।

মামলায় আরও বলা হয়, তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার শিশু কন্যা মানসিক বিপর্যস্ত। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে।

মামলাটি তদন্ত করে গত বছর ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন মামলার বাদী ও তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসানের আইনজীবী ইশরাত হাসান। শুনানি শেষে আদালত ক্রিকেটার নাসিরসহ তিনজনকে ৩১ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। ওই দিন তারা আদালতে হাজিরা দেন এবং জামিন নেন।