৪৩তম বিসিএস কারিগরি ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষা শুরু সোমবার, পিএসসির নির্দেশনা

৪৩তম বিসিএসের কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে আগামী সোমবার থেকে শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আনন্দ কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা সোমবার শুরু হয়ে চলবে বুধবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টার বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামী শিক্ষা ও আরবি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শুধু ঢাকা কেন্দ্রে (পিএসসির ৭১ মিলনায়তন হল) অনুষ্ঠিত হবে। অন্য বিষয়গুলোর পরীক্ষা সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় গড় ন্যূনতম পাস নম্বর ৫০। লিখিত পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের কম পেলে তা মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় বই, ঘড়ি, মুঠোফোন, অলংকার ও কোনো ধরনের ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই দিন পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ সামগ্রী না আনতে নির্দেশনা দিয়েছে পিএসসি।

লিখিত পরীক্ষায় যেসব নির্দেশনা মানতে হবে

১. পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

২. পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মুঠোফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে।

৩. পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য পরীক্ষার্থীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হবে। খুদে বার্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

৪. পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখতে পারবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।

পরীক্ষার হলে যদি এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে পিএসসির সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

এই বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৪৩, অডিটে ৩৫, তথ্যে ২২, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমে ১৪ ও সমবায়ে ১৯ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।