২ হাজার ২১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা চলতি মাসে

নতুন করে এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করেছে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি মাসেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ হাজার ২১০টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্ত করেছে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটি। এই তালিকা শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রীর অনুমোদনের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে চলতি মাসেই তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) ফৌজিয়া জাফরীন মঙ্গলবার (১০ মে) দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি এখন শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে। মন্ত্রী মহোদয় অনুমোদন দিলে এই তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে তালিকা প্রকাশ করা হবে।

কবে নাগাদ এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এটি এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে আশা করছি চলতি মাসেই এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে। বিষয়টি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর বলেও জানান তিনি।

এদিকে মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় দুই হাজার ২১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই তালিকা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কোনো আপত্তি না থাকলে চলতি মাসেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে চূড়ান্ত করা তালিকা নিয়ে মন্ত্রীর আপত্তি থাকলে সেটি আবারও সংশোধনের জন্য পাঠানো হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা চলতি মাসেই দেওয়া হবে। কেননা নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আলাদা বরাদ্দ রয়েছে। এমপিওভুক্তির ঘোষণা না দেওয়া হলে বরাদ্দকৃতহ অর্থ ফেরত যাবে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।