১৬ তলা হলে জায়গা পাবেন জবির ৬২৪ ছাত্রী

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে হলটি উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৬তলা হলটির ১৫৬টি কক্ষে চারজন করে মোট ৬২৪ জন ছাত্রী থাকতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালযের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশনা, বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন, ভার্চুয়াল আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি একমাত্র ছাত্রী হলের উদ্বোধনের সময় (১০:৩০) উল্লেখ করা হয়’।

হলটি নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের সাব অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, হলের কাজ ‘৯৯ শতাংশ’ শেষ হলেও এখনও থাকার মতো পরিস্থিতি হয়নি।

তিনি বলেন, কনস্ট্রাকশনের কাজ শেষ। তোষক ও বালিশ ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সব আসবাবেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পেলে পুরা বিল্ডিংয়ের লাইট-ফ্যান চলবে। এছাড়া ফায়ারের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, ওদের শুধু দুটো পাম্প বসানো বাকি। লিফটের কাজ ২০ ভাগ কমপ্লিট হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই তা পুরোপুরি শেষ হবে।

শুরুতে এই হলের নির্মাণ ব্যয় ৩৩ কোটি টাকা ধরা হলেও কাজ শেষ করতে ৩৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান শাহাদৎ হোসেন। তিনি বলেন, ১৬তলা হলটির ১৫৬টি কক্ষে চারজন করে মোট ৬২৪ জন ছাত্রী থাকতে পারবেন। হলের তৃতীয় থেকে ১৬তলা পর্যন্ত ছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। আর নিচতলা ও দোতলায় করা হয়েছে ক্যান্টিন।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হলে ছাত্রীদের তোলা হবে বলে উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে সিট বরাদ্দ হয়, সে নীতিমালাগুলো পর্যালোচনা করে একটা নীতিমালা তৈরি করেছেন হলের প্রভোস্ট; সে অনুযায়ী ছাত্রীরা হলে উঠবে।

এই হলে ৬২৪ জন ছাত্রী উঠতে পারবেন, সেক্ষেত্রে আরও কত সংখ্যক ছাত্রীকে বাইরেই থাকতে হবে সেই পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, আমাদের মোট ২০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ছাত্রী আছে।