সেরা গল্প লেখক-২০২০ প্রতিযোগিতায় স্কুল-কলেজ পর্যায়ের গল্প ‘নতুন অতিথি’

আমি থাকি এক মাদরাসার হোষ্টেলে।
প্রতিদিনের মতো নিদ্রায় যাওয়া । দস্তুরমতোন আমাদিগকে শিক্ষক আসিয়া নিদ হইতে জাগ্রত করিল। আহ্মার কক্ষের সভানকেই নিদকে পরিত্যাগ করিয়া উঠিয়া পড়িল। দস্তুরমতোন পিদিম জ্বালাইয়া অযু করার তাগদে সকলেই গোসল খানায় যাইতেছিল। তৎক্ষণাৎ ডেস্কের পার্শ্ব হইতে একটি ভুতুড়ে আওয়াজ আসিতেছিল।তখন এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে এক পলক দেখিবার তাগদে সকলেই ভিড় জমাইলো। সভানকেই ডেস্কের সমীপস্হে যাওয়া মাত্রই মিউ মিউ শব্দ কর্ণে শ্রবণ করিতেছিল। এই প্রাণীটি ছিল বাঘের মতোন ছোপ,খুব কনিষ্ট,পাখনা গুলো ছোট এবং শরীরের আষ্টেপৃষ্টে লোমে ভর্তি।তখন কারো বুঝিবার বাকী রহিল না যে এটি একটা বিড়ালের বাচ্চা।

কিয়ৎক্ষণ সকলেই মৌনাবলম্বন পালন করিল। সভানকেই ভাবনায় পড়িল প্রাণীটি আসিল কোন বিরান হতে। সযাঁহার পদব্রজে অসুর পরিমান কসুর হইতেছিল। তৎক্ষণাৎ সকলেই ধারণা করিতেছিল হরেক রকম। সকলের ধারণার মধ্যে তারতম্যতা ও সন্দিহান বিরাজ করিতে ছিল। এটি যেহেতু কনিষ্ঠ সেহেতু বেশিরভাগ ধারণা করিতেছিল যে, জননী তাহারে প্রসব করিয়া চলিয়া গিয়াছেন। আপনেও তাহাদের কথায় অভিরুচি পোষন করিলাম।

আমি ভাবনায় পড়িলাম আমাদিগের মূল সিংহদ্বার ও জানালা বন্ধ ছিল ;তবে সে কেমন করিয়া আমাদিগের কক্ষে প্রবেশ করিল।যাহোক,সকলেই পাক হইয়া নামায পড়ার তাগদে মসজিদে যাইল।তারপরে সকলেই বিধাতারে স্মরি করিয়া আপন কক্ষে প্রবেশ করিল। তখন পুব গগনে অরুন উঁকি দিতেছিল আপন স্বভাবে। সকলেই বিড়ালটির সম্মুখে নিরীক্ষণ না দিয়া পরীক্ষারর জন্য পড়ালেখায় নিরীক্ষণ দিল। কেননা অদ্য আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষার জন্য প্রতিভ হইয়া সকলেই বিড়ালটারে লইয়া ভাবনায় পড়িল।

সভানেই প্রথমে অবলা নাকি সবলা তা নির্ণয় করিল। সকলেই ভাবনায় নিমজ্জিত হইয়া পড়িল। আর বিড়ালটি ছিল দন্তহীন। কেহ তাহাঁর বিনাশ চাইতেছিল না সকলেই চাইতেছিল সে থাকুক বলবান,তেজি এবং সুস্থ।

কোন উপায়ন্তর না পাইয়া তাহারে সলিল পান করাইল এবং বিস্কিট পানিতে নিমজ্জিত করিয়া তাঁহাকে ভোজনের জন্য সকলেই প্রাণপণ আকিঞ্চন করিল। সবশেষ সকলেই সফল হইল। তারপর তাহাকে আপন বিরানে রাখিয়া সকলেই পরীক্ষা দিতে চলে গেল।

পরীক্ষা শেষ করিয়া সকলেই আপন কক্ষে প্রবেশ করিলাম। হেরিলাম মেহমানটি চিক্কার করিতেছে এবং কাঁপন ধরিয়াছে তাহার আষ্টেপৃষ্টে। তৎক্ষণাৎ তাহাকে উদরপূর্তি পরিমাণ ভোজন করাইয়া দাওয়ায় রাখিয়া আসিলাম। তাহার জন্য সকলেই একটি নিষ্কলঙ্ক ধাম তৈরি করিলাম। সকলেই তাহার যত্নে ব্যস্ত হইয়া পড়িল। কেননা বাচ্চাটি আমাদিগের মেহমান।

তাহার যত্ন শেষ করিয়া সকলেই পড়ালেখায় মনযোগ দিলাম। পড়ালেখাকে পত্রপাট বিদায় জানাইয়া পুনরুপি তাহার যত্নে সকলেই ব্যস্ত হইয়া পড়িল।

আসরের নামায আদায় করিয়া সকলেই খেলাধুলা মানসের তৃপ্তি পরিমান করিল মাগরিব অবধি। আবার মাগরিবের নামায আদায় করিয়া বাচ্চাটিরে তৃপ্তি পরিমাণ ভোজন করাইলাম।

তারপর তাহাকে সকলে র মতামত অনুসারে পূর্বের জায়গায়(ডেস্কের পার্শ্বে) রাখিয়া দিলাম।কেননা যদি তাহার জননী তাহারে ফিরিয়া নিতে আসে। সকলেই পড়ালেখার তাগদে আপন কক্ষে চলিয়া যাইল।
সকলেই কক্ষে আসিয়া হেরিলাম আমাদিগের মেহমানটারে তাহার জননী লইয়া গেছেন।এতে সকলেই আপনদের সফল মনে করিল।ত খন মোহার প্রসন্নের অন্ত ছিল না। তাই

এই বিড়াল, আমার মানসে জাগরুক থাকিবে আমরণ অবধি।