সেপ্টেম্বরে আইপিএল হবে আরব আমিরাতে

অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল এখন সময়ের অপেক্ষা। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) রয়েছে সেই অপেক্ষায়। বিশ্বকাপ বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসা মাত্রই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সূচি ঘোষণা করবে বিসিসিআই।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ ও আউটলুক ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, আগামী ২৪শে সেপ্টেম্বর আরব আমিরাতে শুরু হবে আইপিএলের ১৩তম আসর। বিসিসিআইয়ের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাদ দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে জি নিউজ ও আউটলুক ইন্ডিয়া।

বিসিসিআইয়ের তৈরি ওই রূপরেখায় আরো জানানো হয়েছে, আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ৩৫ সদস্যের ভারতীয় দল আরব আমিরাতে অনুশীলন ক্যাম্প করবে। চলবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এরপর দেশে ফিরে না এসে ভারতীয় ক্রিকেটাররা যোগ দেবেন নিজ নিজ আইপিএল দলে।

নভেম্বরের ৮ তারিখ আইপিএলের ফাইনাল শেষে আরব আমিরাত থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিমান ধরবেন বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারা। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ভারত।

আইপিএলের ভেন্যু হিসেবে আরব আমিরাতকে বেছে নেয়ার মূল কারণ; দেশটির অবকাঠামো। দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবির ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দূরত্ব খুব বেশি নয়। অনুশীলন সুবিধা ও আন্তর্জাতিক মানের হোটেলসহ বিশ্বের সঙ্গে সহজ বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে বৈঠকে বসেছিল আইপিএলের ৮ ফ্র্যাঞ্চাইজি। সেখানেই তারা জানিয়ে দেয় আইপিএল ভারতের বাইরে হলে তাদের আপত্তি নেই। আইপিএল এনবছর আর মাঠে না গড়ালে বিসিসিআইয়ের ক্ষতি হবে ৪ হাজার কোটি রুপি। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ফ্র্যাঞ্চাইজিরাও। সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মৌসুমে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের প্রত্যেকে পেয়ে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি রুপি।

এর আগে দুইবার ভারতের বাইরে আয়োজিত হয়েছে আইপিএল। দুইবারই ভারতের সাধারণ নির্বাচনের জন্য। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে আইপিএলের দ্বিতীয় আসরের পুরোটাই অনুষ্ঠিত হয় রংধনুর দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায়। ২০১৪তে আইপিএলের সপ্তম আসরের ২০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় আরব আমিরাতের দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবিতে। সেমিফাইনাল ও ফাইানালসহ বাকি ৪০ ম্যাচ হয় ভারতে।