সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিফট চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

শিগগির দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিফটে ক্লাস শুরু করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে সব স্কুলে এক শিফট চালু করা হবে।

গতকাল মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এ সময় করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা, প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, গত দেড় বছরের অর্জনসহ নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিফটে ক্লাস নেওয়ার ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে হয়। এতে তাঁদের মনোনিবেশে বিঘ্ন ঘটে। বেশির ভাগ স্কুলে এক শিফট চালুর প্রধান অন্তরায় অবকাঠামোগত সমস্যা। আমরা প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভবন ও শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করছি। নির্মাণকাজ শেষ হলে সব স্কুলে এক শিফট চালু করা হবে।

প্রাথমিকে ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমানসংখ্যক সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া শূন্য পদ মিলিয়ে শিগগিরই ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

করোনাকালে প্রাথমিকের শিক্ষা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার প্রকোপ শুরুর পরপরই গত ৭ এপ্রিল থেকে সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণি কার্যক্রম ‘ঘরে বসে শিখি’র সম্প্রচার শুরু হয়েছে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী, যাদের কাছে টেলিভিশন বা ইন্টারনেট সুবিধা নেই, তারা এসব কার্যক্রমের বাইরে রয়ে যাচ্ছে। তাই রেডিওর মাধ্যমে পাঠদান চালু করতে যাচ্ছি। এ ছাড়া শিক্ষাবিষয়ক জাতীয় হেল্পলাইন চালু করা হচ্ছে। ৩৩৩৬ নম্বরে কল করে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষকদের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।