সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম— সিনহার ২২ বছর আগের বিতর্ক ভাইরাল

ভাইরাল হয়েছে সেনাবাহিনীর নিহত সাবেক কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খানের স্কুল জীবনের বিতর্ক। যাতে তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূর করতে ইংরেজির ভূমিকা অপরিহার্য দাবি করে বক্তৃতা করেন। আজ থেকে বাইশ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে কুর্মিটোলা বি এ এফ শাহীন স্কুল এন্ড কলেজে দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় জাতীয় টেলিভিশন আয়োজিত স্কুল পর্যায়ের এই বিতর্কে অংশ নেন তিনি।

বিতর্কে রাশেদ খান বলেন, ইংরেজি শেখার ফলে গোটা বিশ্বেই কর্মদ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। ইংরেজি না শিখলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কখনই সম্ভব নয়। হয়তো চীন-জাপান ইংরেজি জানে না, কিন্তু তাদেরকে আমাদের মত বিদেশি গিয়ে কাজ করতে হয় না। তিনি বলেন, যে হারে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ইংরেজি শেখার মাধ্যমে তা রোধ করা সম্ভব। বেকারত্ব পুরোপুরি দূর করার কথা বলছি না।

তিনি আরো বলেন, শতভাগ শিক্ষার্থী যদি ইংরেজি শিখত, তাহলে তারা নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করে নিতে পারত। বৃহত্তর কর্মক্ষেত্র প্রবেশ করতে পারত। দেশের সীমা অতিক্রম করে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে যেত।

প্রতিপক্ষ বিতার্কিকের যুক্তি খণ্ডন করতে গিয়ে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সমস্যা রোধে প্রতিপক্ষ বক্তা ভারতের উদাহরণ দিয়ে গেলেন, অথচ সেখানে ট্যাক্সি ড্রাইভার পর্যন্ত ইংরেজি বলে যাচ্ছে। ইংরেজি শুধু ইংরেজদের ভাষা নয়। একজন মানুষ একাধিক ভাষা না জেনেও শুধুমাত্র ইংরেজি শিখে পৃথিবীর যে কোনো দেশে যেকোনো কর্মসংস্থান করে নিতে পারে। তাই বলতে চাই- ‘সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’।