সতীর্থদের বিদায় বলে জুভেন্টাস ছাড়লেন রোনালদো

সতীর্থদের বিদায় বলে জুভেন্টাস ছাড়লেন পর্তুগিজ সুপার-স্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এদিকে জুভেন্টাস ম্যানেজার ম্যাক্স অ্যালেগ্রি নিশ্চিত করেছেন সিআরসেভেন আর থাকছেন না ক্লাবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে জুভেন্টাসের অনুশীলন মাঠে দেড় ঘণ্টা থেকে নিজের লকার রুম খালি করেছেন এবং শেষে সতীর্থদের থেকে বিদায় নিয়েছেন।

বিদায়ের পর্ব শেষে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে ব্যক্তিগত বিমানে করে ইতালি ত্যাগ করেন। বস অ্যালেগ্রি জানিয়েছেন, রোনালদোর আর জুভেন্টাসে থাকার কোনো ইচ্ছা নেই। তাই এম্পলির বিপক্ষে শনিবারের ম্যাচের দলেও তাকা রাখা হয়নি।

অ্যালেগ্রি বলেন, ‘আমি তার সিদ্ধান্তে নাখোশ নই। কারণ রোনালদো তার নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিয়েছে। সে এখানে তিন বছর ছিল, সে এখানে অবদান রেখেছে। সে এখন চলে যাচ্ছে, এভাবেই জীবন চলতে থাকবে।’

তবে রোনালদোর ভবিষ্যৎ এখনো নিশ্চিত না। স্পোর্টসমেইল জানায়, পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের এজেন্ট হোর্হে মেন্দেসের সঙ্গে কথা বলছে ম্যানচেস্টার সিটি। হ্যারি কেইনকে নিতে ব্যর্থ হওয়ায় পেপ গার্দিওলার দল তার দিকে নজর দিয়েছে।

এরই মধ্যে রোনালদোকে বিক্রির জন্য জুভেন্টাস আড়াই কোটি পাউন্ডের প্রস্তাব দিয়েছে ম্যানসিটিকে। দাম না কমালে ও ৩৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ৫ লাখ পাউন্ডের সাপ্তাহিক বেতন কমাতে রাজি না হলে ফ্রি ট্রান্সফারে তাকে নিতে আলোচনা করছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা।

স্পেনের গণমাধ্যম দিয়ারিও এএস বলছে, ম্যানসিটির সঙ্গে ব্যক্তিগত সমঝোতায় পৌঁছেছেন রোনালদো। মানে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে যেতে অনাপত্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। আর জুভেন্টাসও তাকে বিক্রি করে কিছু উপার্জন করতে চায়। নয়তো চলতি মৌসুম শেষে বিনামূল্যে ছেড়ে দিতে হবে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডকে।

২০১৮ সালের গ্রীষ্মে তুরিন ক্লাবটির সঙ্গে চার বছরের চুক্তি করেন রোনালদো, যার মেয়াদ শেষ হবে আর ১০ মাস পর। তবে জুভেন্টাসও তাকে ছেড়ে দিতে চাইছে ক্লাবের বেতন বিল ও আর্থিক সমন্বয় করতে।

চলতি মৌসুমের শুরুতে জুভেন্টাস ঘোষণা দেয়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সাড়ে ২৭ কোটি পাউন্ড হারিয়েছে তারা। অর্থের অভাবে ট্রান্সফার মার্কেটে তাদের কার্যক্রম হবে সীমিত।