ষষ্ঠ-নবম ও এসএসসির অ্যাসাইনমেন্ট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত

চলমান কঠোর বিধিনিষের কারণে মাধ্যমিক পর্যায়ের (ষষ্ঠ থেকে নবম) এবং ২০২২ সালের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান কঠোর বিধিনিষেধের কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ষষ্ঠ থেকে নবম ও ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য চলমান অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।

গত বছর করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার পর ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে শুরু করা হয় অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম। করোনাকালে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতেই এই অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। মাউশি বলেছে, শিক্ষার্থীকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের মতো ২০২১ শিক্ষাবর্ষের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করা অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ প্রেরণ করা হয়। ১৯ জুলাই দশম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়।

১৫ জুলাই মাধ্যমিকের স্থগিত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয় মাউশি। এর আগে গত ৩০ জুন ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি ও ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহভিত্তিক চলমান অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করে মাউশি।

চলতি বছরের ২০ মার্চ থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বিধিনিষেধের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২৩ মে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম আবার শুরু করে মাউশি।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। করোনার বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে তা ৩১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস চালু রয়েছে।

এদিকে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন নির্দেশনায় শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেনি এবং তাদের মূল্যায়ন করা যায়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।