শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণের দাবি

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণের দাবি জানিয়েছে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। দৈনিক শিক্ষাডটকমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছেন ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের নেতারা।

বিবৃতিতে পরিষদের আহ্বায়ক শরীফুজ্জামান আগা খান বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত হতে না পারায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সর্বশেষ ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এমপিওভুক্তির আগে বাজেটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে বরাদ্দ নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া বলা হলেও চলতি অর্থবছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়নি। আসন্ন অর্থবছরের আগে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে সেই আলোকে প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে নির্দিষ্ট থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা করোনাকালীন কঠিন পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যাচ্ছি। করোনা উত্তরকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একটি বড় সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বর্তমানে যোগ্য বিবেচিত অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে নীতিমালায় উর্ত্তীণ হতে পারবে না। এমপিওভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করলে অনেক সম্ভাবনাময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অপমৃত্যু ঘটবে। আমরা দীর্ঘ ১৫-২০ বছর ধরে বিনা বেতনে প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রেখেছি। অনেকের আর চাকরির মেয়াদ আছে মাত্র ৫-১০ বছর। আমাদের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকলেই অবগত আছেন। আমরা আশা করি চলতি বাজেটে অধিবেশনের এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট করে শিগগিরই আবেদন গ্রহণ করা হবে।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি সংসদের জানিয়েছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। নীতিমালার আলোকে যোগ্যতার ভিত্তিতে এমপিওবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত নয় সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।