শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদোন্নতি জটিলতা সমাধানের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের নানা সমস্যা নিয়ে নেতারা শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনির সাথে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে প্রায় তিন ঘন্টার বৈঠকে শিক্ষা ক্যাডারে বদলি ও পদোন্নতিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয় বলে নেতারা জানিয়েছেন।

তারা বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় তিন ঘন্টার বৈঠকে তিনি আন্তরিকতার সাথে পদোন্নতি, বদলি নীতিমালা, দুজন কর্মকর্তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ, পদসৃষ্টি, পদসোপান, সুলভে মোবাইল ডাটা ক্রয়সহ নানা বিষয়ে তাদের কথা শোনেন। এসময় বদলি নীতিমালার শিরোনাম পরিবর্তন এবং দুর্গম এলাকার কর্মকর্তারা দু’বছর পর যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলি হয় তা বিবেচনার আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার সমিতির সভাপতি আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার সাংবাদিকদেরকে বলেন, পদোন্নতিযোগ্য সব কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়টি খেয়াল রাখবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন মন্ত্রী। ২২ বিসিএস পর্যন্ত যোগ্য দুই হাজার ৫০০ কর্মকর্তাদেরকে অধ্যাপক, ২৭ পর্যন্ত যোগ্য তিন হাজার ২০০ জনকে সহযোগী অধ্যাপক এবং ৩৩ বিসিএস পর্যন্ত দুই হাজার ২০০ কর্মকর্তাকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য আবেদন জানিয়েছি আমরা।

১৪ ও ১৫ বিসিএসের পদোন্নতি বিশেষভাবে বিবেচনা করবেন এবং অন্যান্য স্তরে পদোন্নতি গুরত্ব পাবে বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদের সদস্য-সচিব সৈয়দ জাফর আলী বলেন, মন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ দাবি-দাওয়া সম্পর্কে শোনেন ও আশ্বাস দেন।

তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই শিক্ষক নেতা বলেন, সব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে মোবাইল বিল প্রদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছেন মন্ত্রী। এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে পদসৃষ্টি ও পদসোপান বাস্তবায়নে দু’মাস ও ছয় মাস মেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে আগানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এছাড়া গত এপ্রিলে সাময়িক বরখাস্ত দুই শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার সেই আদেশ বাতিল হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মহাসচিব মো. মাসুমে রব্বানী খান ও অলিউল্লাহ মো আজমতগীর।