শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে মন্ত্রণালয়ের ৪ নির্দেশনা

যেসব কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা রাজস্বভুক্ত হননি (ননএমপিও) তাদের কলেজের স্থায়ী-অস্থায়ী তহবিল থেকে বেসিক হারে বেতন-ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে চার শর্তে এসব কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৯ মে) মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছে টিউশন ফি আদায় না করতে পারায় নতুন সরকারি হওয়া কলেজগুলোর ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ পরিপ্রেক্ষিতে শর্তানুসারে নতুন সরকারি কলেজগুলোতে ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার সুবিধার্থে সাধারণ তহবিল ব্যবহার ও প্রয়োজনে এফডিআর নগদায়নের নির্দেশক্রমে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শর্তের মধ্যে রয়েছে,

১. সরকারি হওয়া কলেজগুলোর সাধারণ তহবিল থেকে এ বাবদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি সাধারণ তহবিলে অর্থ সংকুলান না হয় তবেই কেবল স্থায়ী তহবিল থেকে অর্থ তোলা যাবে।

২. যেসব ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্তমানে কলেজ থেকে তহবিল স্বল্পতার কারণে বেতন পাচ্ছেন না, তাদেরকে বিগত ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর মোট ছয় মাসের শুধু মূল বেতন দেওয়ার জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

৩. নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা জারির অনতিপূর্বে গৃহীত কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন নির্ধারিত হবে।

৪. প্রাপ্যতার অধিক অর্থ উত্তোলন করা হলে সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে শিক্ষক-কর্মচারীদের চূড়ান্ত সরকারিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রদত্ত অর্থ সমন্বয় করতে হবে। এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি লিখিত আন্ডারটেকিং প্রদান করবে।