যৌক্তিক কারণেই এমপিওভুক্তি পেয়েছিল ২৭৩০টি প্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

প্রায় এক দশক পর গত বছর ২ হাজার ৭৩০টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার নতুনভাবে এমপিওভুক্তি দিয়েছিল। এরপর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অস্বচ্ছ ও অনিয়মের পন্থা অবলম্বন করে এমপিওভুক্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যে ২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, পরবর্তীতে যাচাই-বাচাইয়ে আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়াতে কোন ধরণের ঘাটতি ছিলনা বলে প্রমাণিত হয়েছিল। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান যৌক্তিক কারণেই এমপিওভুক্তি পেয়েছিল।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবস-২০২০ উপলক্ষে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শন’ শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক বেশি। এরমধ্যে একটি বড় অংশ রয়েছে নন-এমপিওভুক্ত। আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি তারপর নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে এবং আমাদের সাধ্যমতো ২ হাজার ৭৩০টি এমপিওভুক্ত করেছিলাম। তখন ঘোষণা দিয়েছিলাম, মাঠ পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাচাই করতে গেলে কিছু প্রতিষ্ঠান সংশোধন (বাদ) করা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৭৩০টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিয়েছিলাম আর সেখান থেকে ২৭টি নিয়ে নানান অভিযোগ উত্তাপিত হয়েছিল। এসব নিয়ে পত্রপত্রিকায়ও লেখালেখি হয়েছিল। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিরই কাগজপত্র দেখে প্রমাণসহ উপস্থিত করতে পেরছিলাম আমরা, যেখানে আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়াতে কোন ধরণের ঘাটতি ছিলনা। এসব প্রতিষ্ঠান যৌক্তিক কারণেই এমপিওভুক্তি পেয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, এরপর মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাচায়ে কিছু প্রতিষ্ঠান পড়েছিল। যেটি আমরা আগেই বলেছিলাম। সেখানে দেখা যায় কোথাও কোথা প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদানে ভুল ছিল, আবার কোথাও বোর্ড থেকে তথ্য নিয়েছে তাতে ভুল ছিল। সবশেষ এ প্রক্রিয়াটি আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছি। এরপর চূড়ান্তভাবে এমপিওভুক্তি ভোগ করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সারা বাংলাদেশ থেকে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।